,

স্বামী বা স্ত্রীর চোখে সারাজীবন ধরে রাখুন নিজের আবেদন

news-image

সত্যি বলতে কি, কিছু বছর দুটি মানুষ একসাথে থাকার পর আগের সেই আবেদন ও উচ্ছ্বাস ধরে রাখা মারাত্মক কঠিন একটি কাজই বটে। বিয়ের কিছু বছর যেতে না যেতেই কেমন যেন ফিকে হয়ে আসে দাম্পত্য। আগের সেই তীব্র আকর্ষণটা কোথায় যেন হারিয়ে যায়, নিজেকে মনে হয় অবহেলিত। একই ছাদের নিচে দুজনে একসাথে বাস করে, একই বিছানায় রাতের পর রাত পাশাপাশি ঘুমিয়েও হারিয়ে যেতে থাকে আন্তরিকতা ও ঘনিষ্ঠতা। কখনো মনযোগ হারিয়ে ফেলেন স্বামী, কখনো আবার মনযোগ হারিয়ে ফেলেন স্ত্রীও। জীবনসঙ্গীর কাছে নিজের আবেদন ধরে রাখার জন্য মেনে চলতে হয় কিছু বিষয়। আপনি নারী হোন বা পুরুষ, জীবন সঙ্গীর মনযোগ ধরে রাখতে মনে রাখুন এই ৭টি পরামর্শ।

১) আন্তরিকতা ও প্যাশনের সাথে চুমু খেতে শিখুন। কেবল যৌন সম্পর্কের সময় চুমু খাবেন, বিষয়টা যেন তেমন মোটেও না হয়। বরং চুমুকে পরিণত করুন ভালোবাসা প্রকাশের মাধ্যমে। এমনকি গালে আলতু একটু ঠোঁটের স্পর্শও প্রকাশ করবে দারুণ ভালোবাসা ও আবেগ।

২) সারাদিন দুজনে নিশ্চয়ই দুই জায়গায় থাকেন? সকালে বিদায়ের সময় প্রিয় মানুষটিকে বিদায় দিন হাসিমুখে, সুযোগ থাকলে কপালে একটু চুমুর মাধ্যমে। আবার দিনশেষে যখন দেখা হবে, একইভাবে রিসিভ করুন। গৃহিণীরা সঙ্গীর জন্য একটু খাবার রান্না করে রাখতেই তো পারেন, কিংবা এক গ্লাস শরবত, একটু চা। আর পুরুষেরা দিন শেষে ঘোরে ফেরার সময় একটু ফুল, হয়তো সঙ্গীনির প্রিয় কন খাবার, নিদেন পক্ষে একটা বেলী ফুলের মালা তো নিতেই পারেন কখনো। সামান্য এই বিষয়গুলো সম্পর্ককে যে কতটা আবেদনময় করে তোলে, আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।

৩) কেবল বাইরে গেলেই সেজে গুজে যাবেন আর ঘরের মাঝে থাকবেল এলোমেলো, এটা যেন কখনো না হয়। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই নিজেকে সাজিয়ে রাখুন পরস্পরের জন্য। হয়তো প্রিয় মানুষটি বাড়ি ফেরার আগে, হয়তো দুজনে একসাথে মুভি দেখার সময়, হয়তো চায়ের আড্ডার ফাঁকে। উপলক্ষ যাই-ই হোক, নিজেকে সাজিয়ে রাখুন।

৪) বিয়ে করেছেন মানে কি প্রেম বন্ধ? সেটা যেন না হয়। কাজের ফাঁকে প্রিয় মানুষটিকে ফোন করুন বা টেক্সট পাঠান। টুকটাক রোমান্টিক আলাপ করুন। দেখবেন মনটা একদম ফুরফুরে লাগবে নিজেরও।

৫) নিজেদের সংস্পর্শে থাকুন। বাইরে গেলে হাত ধরে হাঁটুন, কারণে অকারণে আলিঙ্গন করুন, একটু আলতো আদর করুন… সব মিলিয়ে প্রিয় মানুষটির শরীরের সংস্পর্শে থাকুন। তাহলে মনটাও কাছাকাছি থাকবে।

৬) যত যাই হোক না কেন, অন্তত সকালে ও রাতে দুজনে একসাথে খাওয়া দাওয়া করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এটাকে একদম নিয়মে পরিণত করে নিন। এই সময়টা একান্তই আপনাদের। প্রিয় মানুষটির পছন্দের খাবার তৈরি বা সঙ্গী/সঙ্গিনীর পাতে এটা-ওটা তুলে খাওয়ানোর বিষয়টা সকলের কাছেই খুব আদুরে।

৭) সম্পর্ক মানে কেবলই যৌনতা নয়, আবার বেডরুমটাও দাম্পত্যে খুবই জরুরী। বিছানায় এলোমেলো বা নোংরা ভাবে যাবেন না। সুন্দর পোশাক পরে, চুল আঁচড়ে, সম্ভব হলে হালকা পারফিউম মেখে ঘুমোতে যান। আর যৌন সম্পর্ক হোক বা না হোক, প্রিয় মানুষটিকে জড়িয়ে ধরে ঘুমান। সম্পর্কটা হয়ে উঠবে খুব আবেগের।

সূত্র-
ফ্যামিলি শেয়ার ডট কম ও বিউটি মান্ত্রায় প্রকাশিত একাধিক প্রবন্ধ হতে অনুপ্রাণিত
 

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ