বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে বাজেটে

news-image

কালো টাকার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কঠোর অবস্থানে থাকলেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না। তার অমতেই নতুন বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখার ঘোষণা আসছে। চলতি অর্থ বছরের বাজেটেও আবাসন খাতে নির্দিষ্ট হারে কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার বিধান রয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরেও এ বিধান ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘আমি কালো টাকার পক্ষে নই। তারপরও বাজেটে এর সুযোগ রাখতে হচ্ছে।’ জানা গেছে, সরকারের ঘরে-বাইরে ব্যাপক চাপের মুখে কিছু শর্ত দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ এবারও রাখতে হচ্ছে অর্থমন্ত্রীকে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের দাবিও সুযোগ রাখার পক্ষে। সম্প্রতি সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের বড় অঙ্কের অর্থ জমা রাখাকে কেন্দ্র করে কালো টাকা দেশে রাখার আইনি সুযোগ দেওয়ার দাবি কিছুটা যুক্তিযুক্ত ও জোরালো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অতিরিক্ত ১০ শতাংশ নগদ অর্থ দিয়ে আবাসন খাতের ক্ষেত্রে এ সুযোগ থাকছে। অর্থমন্ত্রী আগামী ৪ জুন ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাটেজে কালো টাকা সাদা করার ঘোষণা আসছে।

উল্লেখ্য, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত ৫ জুন বাজেট পেশের পরদিন সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দিয়েছিলেন- ‘এই মুহূর্ত থেকে সব খাতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিল করা হল।’

এ বিষয়ে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এই সুযোগ সাংবিধানের ২০-এর ২ ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আবার সরকারের এই আচরণ তাদের সব সময়ের যে অঙ্গীকার, তার সঙ্গে যায় না। তিনি বলেন, এতে কালো টাকার মালিকেরা উৎসাহিত হবেন। আর যারা সঠিকভাবে কর দেন, তাদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হবে। তাই আমরা এর প্রতিবাদ জানাই। এতে অবৈধ আয়কারীদের হাতে আবাসন খাত কুক্ষিগত হবে। পিছিয়ে যাবেন সঠিকভাবে কর প্রদানকারীরা।

জানা গেছে, আবাসন খাতে প্রতি বর্গমিটারে নির্দিষ্ট পরিমাণ কর প্রদান করলে বিনা প্রশ্নে বিনিয়োগ মেনে নেয়ার বিধানটি কর প্রদান পদ্ধতিতে সরলীকরণমাত্র।

সূত্র জানায়, আয়কর অধ্যাদেশে কালো টাকা সাদা করার বিষয়ে কারো কারো মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। অর্থ আইন ২০১১ এর মাধ্যমে সরকারি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগকৃত অর্থের উপর ১০ শতাংশ হারে কর প্রদান করলে বিনিয়োগকৃত অর্থ বিনা প্রশ্নে মেনে নেয়ার বিধান করা হয়। কিন্তু এ বিধানের সুযোগ করদাতারা গ্রহণ করেননি। তাই এ সংক্রান্ত বিধানটি বাতিল করা হয়েছে। সংশ্লিস্টরা বলছেন, কেউ অতীতে তার আয়ের উপর সঠিকভাবে কর পরিশোধ না করলে পরবর্তীতে প্রযোজ্য কর এবং জরিমানা পরিশোধ করে কর অনারপিত আয়ের উপর কর পরিশোধ করতে পারতো। সেক্ষেত্রে কর দাতাকে কোনো ছাড় দেয়া হয়নি। প্রচলিত হারেই তাকে জরিমানাসহ কর দিতে হতো। তাই এ ধরনের সুযোগ কর প্রদান ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য নষ্ট করে বলে তারা মনে করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা