,

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে বাজেটে

news-image

কালো টাকার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কঠোর অবস্থানে থাকলেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না। তার অমতেই নতুন বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখার ঘোষণা আসছে। চলতি অর্থ বছরের বাজেটেও আবাসন খাতে নির্দিষ্ট হারে কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করার বিধান রয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরেও এ বিধান ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘আমি কালো টাকার পক্ষে নই। তারপরও বাজেটে এর সুযোগ রাখতে হচ্ছে।’ জানা গেছে, সরকারের ঘরে-বাইরে ব্যাপক চাপের মুখে কিছু শর্ত দিয়ে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ এবারও রাখতে হচ্ছে অর্থমন্ত্রীকে। এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের দাবিও সুযোগ রাখার পক্ষে। সম্প্রতি সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের বড় অঙ্কের অর্থ জমা রাখাকে কেন্দ্র করে কালো টাকা দেশে রাখার আইনি সুযোগ দেওয়ার দাবি কিছুটা যুক্তিযুক্ত ও জোরালো হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অতিরিক্ত ১০ শতাংশ নগদ অর্থ দিয়ে আবাসন খাতের ক্ষেত্রে এ সুযোগ থাকছে। অর্থমন্ত্রী আগামী ৪ জুন ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাটেজে কালো টাকা সাদা করার ঘোষণা আসছে।

উল্লেখ্য, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত ৫ জুন বাজেট পেশের পরদিন সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দিয়েছিলেন- ‘এই মুহূর্ত থেকে সব খাতে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিল করা হল।’

এ বিষয়ে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, এই সুযোগ সাংবিধানের ২০-এর ২ ধারার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আবার সরকারের এই আচরণ তাদের সব সময়ের যে অঙ্গীকার, তার সঙ্গে যায় না। তিনি বলেন, এতে কালো টাকার মালিকেরা উৎসাহিত হবেন। আর যারা সঠিকভাবে কর দেন, তাদের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হবে। তাই আমরা এর প্রতিবাদ জানাই। এতে অবৈধ আয়কারীদের হাতে আবাসন খাত কুক্ষিগত হবে। পিছিয়ে যাবেন সঠিকভাবে কর প্রদানকারীরা।

জানা গেছে, আবাসন খাতে প্রতি বর্গমিটারে নির্দিষ্ট পরিমাণ কর প্রদান করলে বিনা প্রশ্নে বিনিয়োগ মেনে নেয়ার বিধানটি কর প্রদান পদ্ধতিতে সরলীকরণমাত্র।

সূত্র জানায়, আয়কর অধ্যাদেশে কালো টাকা সাদা করার বিষয়ে কারো কারো মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। অর্থ আইন ২০১১ এর মাধ্যমে সরকারি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগকৃত অর্থের উপর ১০ শতাংশ হারে কর প্রদান করলে বিনিয়োগকৃত অর্থ বিনা প্রশ্নে মেনে নেয়ার বিধান করা হয়। কিন্তু এ বিধানের সুযোগ করদাতারা গ্রহণ করেননি। তাই এ সংক্রান্ত বিধানটি বাতিল করা হয়েছে। সংশ্লিস্টরা বলছেন, কেউ অতীতে তার আয়ের উপর সঠিকভাবে কর পরিশোধ না করলে পরবর্তীতে প্রযোজ্য কর এবং জরিমানা পরিশোধ করে কর অনারপিত আয়ের উপর কর পরিশোধ করতে পারতো। সেক্ষেত্রে কর দাতাকে কোনো ছাড় দেয়া হয়নি। প্রচলিত হারেই তাকে জরিমানাসহ কর দিতে হতো। তাই এ ধরনের সুযোগ কর প্রদান ব্যবস্থাপনায় ভারসাম্য নষ্ট করে বলে তারা মনে করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ