,

নাসিরনগর থানার ওসি ও এসআই’র বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলা

OC KADERNasirnagar (MUHI)Pictureআমিরজাদা চৌধুরী : নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও এক সাব ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এক ব্যবসায়ীর কাছে ৫ লাখ টাকা চাদা চাওয়ায় এই মামলা দায়ের করা হয়। গত ৮ ই এপ্রিল নাসিরনগর উপজেলার ভলাকূট ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা মেসার্স মেঘনা ব্রিকস ফিল্ডের মালিক মৃণাল কান্তি দাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া  সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন । মামলা নম্বর সিআর ৮৯/২০১৫। পেনাল কোডের ৩৮৫/৩৮৮/৫০৬(২)/১০৯ ধারায় এই  মামলা করা  হয়।

মামলায় নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: আবদুল কাদের ও  এস আই মহিউদ্দিন আহমেদ সুমনকে আসামী করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে- গত ২০১১ সাল থেকে মৃণাল কান্তি দাস প্রচলিত আইন মেনে মেঘনা ব্রিক্স ফিল্ড নামে একটি ইটভাটা চালু করেন। যেটির লাইসেন্স নম্বর ৩/২০১১-২০১২।  এই ব্রিকস ফিল্ডের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই উপজেলার বালীখোলা গ্রামের দানু মিয়ার সাথে তার মামলা-মোকদ্দমা চলে আসছে। এ অবস্থায় ২০১৩ সালে ব্যবসায়ের মূলধনের অভাবের কারণে দূর্গাপুর গ্রামের আশ্রব আলীর ছেলে অহিদ মিয়া ও সুনামগঞ্জে আবু সাঈদ মো: খালিদ এর সঙ্গে ২০১৩ সালের ৩ রা অক্টোবর চুক্তিবদ্ধ হন এবং ২০১৩ ও ১৪ সালের ইটমৌসুমে যথাযথভাবে ব্যবসা করেন। এদিকে ইটাখোলা নিয়ে মামলা মোকদ্দমার সুযোগে নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল কাদের বিভিন্ন সময় বাদীপক্ষকে রাজনৈতিক সন্ত্রাসী মামলা ও বিস্ফোরক আইনের মামলাসহ বিভিন্ন চলমান মামলায় অভিযুক্ত করে বাদীর বিরুদ্ধে মামলা দেবে বলে হুমকী দেয়। এরই ধারবাহিকতায় ২০১৪ সালের ২১ শে নবেম্বর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাদী মৃণাল কান্তি দাস ও ওহিদ মিয়ার কাছ থেকে ভলাকুট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ৩০ হাজার টাকা উৎকোচ নেন। পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল কাদির কয়লা ব্যবসায়ী আবু সাইদ মো: খালিদ এর পক্ষ নিয়ে অবৈধ ও অন্যায়ভাবে মৃনাল কান্তি দাশকে তার ব্রিক ফিল্ডটি খালিদকে লিখে দেয়ার জন্যে চাপ সৃষ্টি করেন।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সহযোগিতায়  কয়লা ব্যবসায়ী খালিদ ইটাখোলার ১৬ লাখ ইট যার বাজার মুল্য ১ কোটি ১২ লাখ টাকা জোরপূর্বক বিক্রয় করে দেয়। এরপর আরো ইট বিক্রির চেষ্টা করতে থাকলে এ বিষয়ে আবু সাইদ মো: খালিদের বিরুদ্ধে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা করেন মৃনাল কান্তি দাস। এই মামলায় আদালত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল কাদেরকে কারন দর্শানোর নোটিশ দিলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরো ক্ষিপ্ত হন এবং মৃনালকে রাজনৈতিক সন্ত্রাসী মামলা ও বিস্ফোরক আইনের মামলাসহ বিভিন্ন চলমান মামলায় আসামী করবেন বলে হুমকী দেন এবং ৫ লাখ টাকা চাদা দাবী করেন। বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান,ভলাকুট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ সভাপতি কার্তিক চন্দ্র দাসসহ এলাকার সর্দারগনকে জানানো হলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মৃনালের ওপর আরো ক্ষিপ্ত হন এবং গত ৮ ই এপ্রিল দুপুরে সাব ইন্সপেক্টর মহিউদ্দিন আহমেদ সুমনকে পাঠান মৃনালের ব্রিকফিল্ডে মৃনাল কে ধরে নিয়ে আসার জন্যে। মৃনালকে না পেয়ে এসআই সুমন ইটাখোলার কর্মচারীদের বলেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে মৃনালকে ধরে নিতে এসেছি । বলে ৫ লাখ টাকা না দিলে বিভিন্ন মামলা দিয়ে মৃনালকে দেশ ছাড়া করা হবে।


 

 

 

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ