,

কামারুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাতে কারাগারে পাঁচ আইনজীবী

kamaruzzaman_advocates_ডেস্ক রির্পোট : মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেছেন তার আইনজীবীরা।

শনিবার সকাল বেলা ১১টা ৭ মিনিটে আইনজীবী শিশির মনির, এহসান এ সিদ্দিক, মশিউল আলম, মতিউর রহমান আকন্দ ও মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন।

এর আধা ঘণ্টাখানেক আগে কারাগারের সামনে পৌঁছে শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, ‘রিভিউ আবেদনের শুনানিসহ প্রয়োজনীয় আইনি পরামর্শের জন্য আমরা সাক্ষাতের অনুমতি চেয়েছিলাম।’

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সুবেদার আবু আলম বলেন, ‘মামলার বিষয়ে কথা বলতে কামারুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন করেছিলেন তার আইনজীবীরা। সে অনুযায়ী সকালে পাঁচজন ভিতরে গেছেন।’

যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রোববার। তার একদিন আগে সাক্ষাৎ করতে কারাগারে গেলেন আইনজীবীরা।

রিভিউ আবেদনের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রোববারের কার্যতালিকার ছয় নম্বরে রাখা হয়েছে। গত বুধবার প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ শুনানির এই দিন ঠিক করে দেয়।

গতবছর ৩ নভেম্বর আপিল বিভাগের এই বেঞ্চই ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ফাঁসির রায় বহাল রাখে। এই আপিল বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞা, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী।

শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার সোহাগপুরে ১২০ জন পুরুষকে ধরে নিয়ে হত্যার দায়ে একাত্তরে ময়মনসিংহের আল বদর নেতা কামারুজ্জামানকে সর্বোচ্চ সাজার এই আদেশ দেয় আদালত।

এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে কামারুজ্জামানকে ফাঁসির রায় এসেছিল ২০১৩ সালের ৯ মে। আপিলের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর ট্রাইব্যুনাল কামারুজ্জামানের মৃত্যু পরোয়ানা জারি করলেও আসামির আইনজীবীরা গত ৫ মার্চ রিভিউ আবেদন করলে সেই পরোয়ানার কার্যকারিতা স্থগিত হয়ে যায়।

আসামিপক্ষের সময়ের আবেদনে দুই দফা তারিখ পেছানোর পর রোববার আবারও ওই রিভিউ আবেদন আপিল বিভাগে উঠছে।

আপিল বিভাগের রায়ে একজন বিচারক দণ্ডের বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন। তার পয়েন্টগুলো ধরেই এই রিভিউ আবেদন করা হয়েছে বলে কামারুজ্জামানের আরেক আইনজীবী তাজুল ইসলাম এর আগে জানিয়েছিলেন।

রিভিউ খারিজ হয়ে গেলে নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারবেন এই যুদ্ধাপরাধী।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামান হলেন দ্বিতীয় ব্যক্তি, যার সর্বোচ্চ সাজার রায় কার্যকরের আগে রিভিউয়ের পর্যায়ে এসেছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা