বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানুষের আস্থা কমেছে নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর

68993_f3ডেস্ক রির্পোট : ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ ও এরপর উপজেলা নির্বাচনের পর সার্বিক নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা কমে গেছে বলে জানিয়েছে ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ (ইডব্লিউজি)। এজন্য সবার আগে নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর মানুষের বিশ্বাস পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা জরুরি বলে মনে করছে সংগঠনটি। এ বিশ্বাস পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ এবং নির্বাচনী কার্যক্রমের প্রতিটি পদক্ষেপে পেশাগত আচরণ, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর এ জোট। জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে গতকাল দুপুরে সিটি নির্বাচন বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা তুলে ধরেন সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ। সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগের কথাও জানানো হয়। 

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের পরিচালক মো. আবদুল আলীম বলেন, গণতন্ত্রে নির্বাচনের অপরিহার্য ভূমিকার কারণে ইডব্লিউজি সব ধরনের নির্বাচনকে স্বাগত জানায়। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে হবে। প্রার্থী ও ভোটাররা যেন নির্ভয়ে থাকতে পারে, এজন্য নির্বাচন কমিশনকে ব্যাপকভিত্তিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। সিটি করপোরেশন নির্বাচন যেহেতু নির্দলীয়, কাজেই রাজনৈতিক মনোনয়ন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। নির্বাচন সংক্রান্ত নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন করারও দাবি জানান তিনি। 

সংবাদ সম্মেলনে ইডব্লিউজির স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. তালেয়া রেহমান বলেন, বর্তমানে দেশের যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাতে ?নির্বাচন নিয়ে আমাদের উদ্বেগ রয়েছে। তবে যেহেতু দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচন হচ্ছে তাকে গ্রহণযোগ্য করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। যেন ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। তালেয়া রেহমান বলেন, রাজনৈতিক দলের প্রধান কাজ হচ্ছে জনগণের হয়ে কাজ করতে জনপ্রতিনিধিত্ব করা। এক্ষেত্রে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ বা সহিংসতা করা কোন রাজনৈতিক দলের কাছেই কাম্য হতে পারে না।

ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের স্ট্যান্ডিং কমিটির অপর সদস্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমল্লাহ বলেন, যদিও স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে হয় না। তার পরও দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা ছাড়া আর সব কিছুই হয়। তবে এই নির্বাচনে যেন সবাই অংশগ্রহণ করে সেটা আমরা আশা করব। কারণ, নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে সবার অংশগ্রহণ আবশ্যক।

সংবাদ সম্মেলনে নারী ভোটারদের ভোটগ্রহণে নারী কর্মকর্তা নিয়োগ, নির্বাচন কেন্দ্রে বাধ্যতামূলক পোলিং এজেন্ট নিয়োগসহ মোট ১১ দফা সুপারিশ করা হয়। ইডব্লিউজি জানিয়েছে, ঢাকা সিটি নির্বাচনে তাদের ৪৬ জন দীর্ঘ মেয়াদি পর্যবেক্ষক ও নির্বাচনের দিন এক হাজার পর্যবেক্ষক কাজ করবেন। এছাড়া চট্টগ্রামে ২১ জন দীর্ঘ মেয়াদি পর্যবেক্ষক ও ভোটের দিন ৭০০ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা আছে। সংবাদ সম্মেলনের অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইডব্লিউজির স্টান্ডিং কমিটির সদস্য ড. হারুন অর রশিদ, বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক, এএইচএম নোমান প্রমুখ। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ২০০৬ সালে দেশের ২৮টি  বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জোট ইডব্লিউজি গঠিত হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা