,

চলমান আন্দোলনে শিল্পীদের অনুপস্থিতি নিয়ে চলচ্চিত্র শিল্পে ক্ষোভ

60636_e1বিনোদন প্রতিবেদক : উর্দু-হিন্দি ছবির বিরুদ্ধে চলচ্চিত্র ঐক্যজোটের চলমান বৃহত্তর আন্দোলনে নামীদামি ও তারকা শিল্পীদের রহস্যজনক অনুপস্থিতিতে পুরো চলচ্চিত্র শিল্পে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। আন্দোলনের প্রথম দিন থেকেই কোন সিনিয়র নায়ক-নায়িকাকে খুঁজে পায়নি চলচ্চিত্র ঐক্যজোট। বর্তমান সময়ের ব্যস্ত নায়ক-নায়িকাদের কোন খোঁজ নেই। উপর্যুপরি টেলিফোন করেও আনা যাচ্ছে না শিল্পীদের। রুবেল, শাকিব খান, ওমর সানি, অমিত হাসান, জায়েদ খান, মিশা সওদাগর ও আহমেদ শরীফকেই ঘুরেফিরে দেখা যাচ্ছে। নায়িকাদের মধ্যে প্রথমদিন শাহনূরকে দেখা গিয়েছিল। পরের দিন মানসম্মান রক্ষা করতে ডেকে আনা হয় পরী মনি, নিঝুম রুবিনা, অমৃতা খান ও তানহাকে। দেশীয় চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তি নায়করাজ রাজ্জাক দেশে ছিলেন না। সোহেল রানা অসুস্থ। কিন্তু উজ্জল, ফারুক, আলমগীর, ইলিয়াস কাঞ্চন, আমিন খান, রিয়াজ, ফেরদৌস থেকে শুরু করে কবরী, ববিতা, চম্পা, দিতি, অঞ্জনা, অরুণা বিশ্বাস, মৌসুমী, শাবনূর, পপি, পূর্ণিমা, সিমলা, অপু বিশ্বাস, নিপূন, ববি, মাহি, কাউকে চলচ্চিত্র ঐক্যজোটের ভাষায় এই জীবন-মরণ আন্দোলনে দেখা যায়নি। বাপ্পি, ইমন ও নীরব একদিন এসেছিলেন। অপু বিশ্বাস এফডিসিতে থেকেও আন্দোলনে অংশ নেননি। প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের বিশেষ করে নায়িকাদের অনুপস্থিতি নিয়ে নায়ক রুবেলকেই প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য রুবেল সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন। চলচ্চিত্র ঐক্যজোটের নেতারা কোন আন্দোলনেই নায়িকাদের পাওয়া যায় না বলে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করলেও চলচ্চিত্রের কলাকুশলীরা বলছেন অন্য কথা। তাদের অভিযোগ, হিন্দি-উর্দু ছবির বাজার সৃষ্টি হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শিল্পীরা। কারণ, চলচ্চিত্র শিল্পে শিল্পীরাই সবকিছু বেশি পেয়ে থাকেন। যারা কম পান, কিংবা একেবারেই পান না বলেই চলে, শুধু তারাই সব সময় আন্দোলনে থাকেন। কারণ, শিল্পীদের অর্থ আছে, নাম আছে। উপার্জনের নানারকম পথ আছে। কিন্তু খেটে খাওয়া কলাকুশলীদের তো চলচ্চিত্র ছাড়া আর কিছুই নেই। বাংলাদেশে চলচ্চিত্র না থাকলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হবেন এই খেটে খাওয়া শিল্পী কুশলীরাই। এসব নিয়ে আন্দোলনেও বিভেদ তৈরি হচ্ছে। প্রেক্ষাগৃহ ঘেরাওয়ের সময় রুবেল, অমিত হাসান ও জায়েদ খান ছাড়া আর কাউকে দেখা যায়নি। অনেক পরে আসেন শিল্পী সমিতির সভাপতি শাকিব খান। জ্বর নিয়েও শেষ পর্যন্ত তিনি আসেন আন্দোলনকে চাঙ্গা করতে। কিন্তু এভাবে আর কতদিন- এমন প্রশ্ন এখন পুরো চলচ্চিত্র শিল্পে। চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির নেতারা দিনরাত পরিশ্রম করছেন। চিত্রগ্রাহক সংস্থা, ফিল্ম এডিটর গিল্ড, চলচ্চিত্র উৎপাদন ব্যবস্থাপক সমিতির সদস্যরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে। এদের সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত সিনিয়র এবং নামীদামি শিল্পীরা যোগ দিলে চলচ্চিত্র শিল্পে চলমান আন্দোলনসহ সব আন্দোলন সফল হবে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জেগে উঠবে এমন আশাবাদ সবার। তবে আশঙ্কা একটাই, আদৌ কি শিল্পীরা এগিয়ে আসবেন? চলচ্চিত্র শিল্পকে রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে তাদের কি দেখা যাবে?

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা