,

ভর্তি চাপ কমাতে রাজধানী ঢাকায় নির্মিত হচ্ছে ১৭টি স্কুল ও কলেজ

schoolডেস্ক রির্পোট : রাজধানী ঢাকায় ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা এমনিতেই অনেক বেশি। আবার গত কয়েক বছর ধরে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পাশের হার বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। জানা যায়, রাজধানী ঢাকার ২৮টি থানায় নেই কোনো সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সরকারি কলেজ। এর ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রছাত্রী ভর্তির চাপ অনেক বেশি। এই চাপ কমাতে ২০১০ সালের জুনে ১১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ছয়টি কলেজ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। কিন্তু জমিসংক্রান্ত জটিলতায় এক বছর পর সরকারি জমিতেই প্রতিষ্ঠানগুলো নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যার কারণে প্রকল্পের ব্যয় ১৩৯ কোটি টাকা কমেছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো প্রকল্প প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকল্পটি সংশোধনাকারে অনুমোদনের জন্য একনেকে পেশ করা হচ্ছে আজ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেয়া প্রকল্প প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, রাজধানীতে জনসংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। প্রাথমিক শিক্ষার ব্যাপক প্রসারের সাথে সঙ্গতি রেখে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার সুযোগ বাড়েনি। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার তুলনায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান যথেষ্ঠ নয়। কারণ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর সংখ্যা ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে। তা ছাড়া মানসম্পন্ন শিক্ষার জন্য গ্রামীণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর রাজধানীমুখী হওয়ার কারণে ভর্তির চাপও বাড়ছে। কিন্তু সে অনুযায়ী রাজধানীতে সরকারি পর্যায়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্কুল গড়ে তোলা হয়নি। বর্তমানে মহানগরীর ৪০টি থানার মধ্যে ১০টি থানায় ২৪টি সরকারি মাধ্যমিক স্কুল এবং সাতটি থানায় ১১টি সরকারি কলেজ রয়েছে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রছাত্রী ভর্তির চাপ অনেক বেশি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী তিন বছরের মধ্যে রাজধানীর ৯টি স্থানে এই ১৭টি প্রতিষ্ঠান স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়ে গত ২০১০ সালের জুনে প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়। ইতোমধ্যে আটটি স্থান প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। চারটি স্থান হলো মোহাম্মদপুর এলাকার শ্যামলি রিংরোড, বর্ধিত পল্লবী মিরপুরের দুয়ারীপাড়া, রাজারবাগ এলাকার দক্ষিণ বাসাবো এবং হাজী ক্যাম্পের বিপরীত দিকে দক্ষিণ খান এলাকা। এই চারটি এলাকায় একটি করে মাধ্যমিক সরকারি স্কুল ও কলেজ নির্মাণ করা হবে। ১৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য মোট ১৭ একর ভূমির প্রয়োজন, যা অধিগ্রহণের জন্য মোট ৩৪০ কোটি টাকা সরকার থেকে বরাদ্দ করা হয়েছে। কিন্তু এখন ভূমি অধিগ্রহণ না করে সরকারি জমিতেই এই প্রতিষ্ঠানগুলো নির্মাণ করা হবে। ফলে অধিগ্রহণ ব্যয় ২০৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা কমে যায়। ২০১৪ সালের জুনে প্রকল্পটি শেষ করার কথা থাকলেও তা হয়নি। ওই সময় পর্যন্ত আর্থিক অগ্রগতি ছিল ১০২ কোটি ১২ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। আইটিভিত্তিক কিছু অঙ্গ যুক্ত করা এবং আইটি ল্যাবের জন্য ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এখন প্রকল্প ব্যয় ২৯৬ কোটি ৮০ লাখ টাকায় প্রস্তাব সংশোধন করা হয়েছে। আর আগামী ২০১৬ সালের জুনে প্রকল্পটির কাজ সমাপ্ত করা হবে বলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডিপিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষা অধিদফতর জানিয়েছে, ঢাকা মহানগরীতে মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় বিদ্যমান ভালো স্কুল ও কলেজে ছাত্রছাত্রীদের ভর্তিসমস্যা অত্যন্ত প্রকট। তাই শহরের কর্মব্যস্ত মূল এলাকাগুলোতে নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন না করে মূল শহরের বাইরে নতুন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা উচিত। এতে ঘরের কাছে উচ্চমানের শিক্ষাসুবিধা পেলে ওই সব এলাকার শিক্ষার্থীরা অন্য এলাকায় আসবে না। তাই ১৭টি স্কুলের ভবনকে চারতলা থেকে বাড়িয়ে ছয়তলায় সম্প্রসারিত করা হবে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠার জন্য ২৮ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ