,

নাসিরনগরে আশার শিক্ষা সেবিকাদের দিনব্যাপী কর্মশালা

Nasirnagar(ASA) Pictureআকতার হোসেন ভুইয়া : উপজেলায় শিক্ষা কার্যক্রম থেকে ১ম ও ২য় শ্রেনী শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ,পাঠ আয়ত্ব করতে সহায়তা ও শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে শিশুদের শিক্ষার আলোয়  আলোকিত করতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশার প্রাথমিক শিক্ষা শক্তিশালীকরণ কর্মসূচীর  আওতায় উপজেলার ১৫টি শিক্ষা কেন্দ্রে কর্মরত সুপারভাইজার ও শিক্ষা সেবিকাদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা আজ মঙ্গলবার নাসিরনগর আশার আঞ্চলিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। নাসিরনগর আশার আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোঃ ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোঃ সাফিউদ্দিনের পরিচালনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী মোয়াজ্জম আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন আশার ডিস্ট্রিক ম্যানেজার অমি রঞ্জন ধর, উপজেলা প্রাথমিক রির্সোস ইন্সট্যাক্টর মোঃ শাহজাহান ভূঁইয়া ,সাংবাদিক আকতার হোসেন ভূইয়া । কর্মশালায় উপজেলার ১৫টি শিক্ষা কেন্দ্রে কর্মরত সুপারভাইজার ও সেবিকারা অংশগ্রহন করেন। প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক রির্সোস ইন্সট্যাক্টর মোঃ শাহজাহান ভূঁইয়া।  কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন,  শিক্ষা সুপারভাইজার দেবাশীষ গোপ,শিক্ষা সেবিকা স্বপ্না রানী দাস প্রমূখ।   
কর্মশালায় আশার ডিস্ট্রিক ম্যানেজার অমি রঞ্জন ধর বলেন, , আশা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ১৯৭৮ সাল থেকে কাজ করছে। “বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আশা ” ২০১১ সালের র্ফেরুয়ারি থেকে বাংলাদেশের ২০ টি জেলায়  আশার প্রাথমিক শিক্ষা শক্তিশালীকরণ কর্মসূচী চালুর পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচী চালু করেছে।  প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নি¤œবিত্ত ও নি¤œমধ্যবিত্ত পরিবারের অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের বাড়িতে প্রয়োজনীয় শিক্ষা নির্দেশনা ও সহায়তা প্রদানের জন্য সক্ষম সাধারণতঃ কেউ নেই। কারণ অধিকাংশ পিতা-মাতাই নিরক্ষর কিংবা পযার্প্ত সময়ের অভাব অথবা সারাদিনের পরিশ্রমের পর শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তির ফলে তারা তাদের সন্তানদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা সহায়তা দিতে পারছে না। অপরদিকে আর্থিক অসামর্থের কারণে গৃহ শিক্ষক নিয়োগ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এর ফলশ্র“তিতে নি¤œ ও নি¤œমধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের পাঠদান উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয় এবং শিক্ষকের দ্বারা তিরস্কৃত ও অন্যান্য সহপাঠীদের চোখে হেয় প্রতিপন্ন হতে হয়। এভাবে এক পর্যায়ে স্কুলে যাওয়া থেকে বিরত থাকে ও শিক্ষাজীবনের ইতি টানে। তাই প্রাথমিক পযার্য়ে অধ্যায়নরত এই নি¤œ ও নি¤œমধ্যবিত্ত শ্রেণীর ছাত্রছাত্রিদের এভাবে ঝরে পড়া হ্রাস করা যেতে পারে যদি তাদেরকে পড়া আয়ত্ব করার  জন্যে বাড়িতে প্রয়োজনীয় শিক্ষা সহায়তা প্রদান করা যায়। এ প্রেক্ষাপটে এই বিশেষ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষা সহায়তা প্রদানের প্রযোজনীয়তা অনুভূত হওয়ায় “বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আশা ”  এতে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে ঝরে পড়া ছাত্রছাত্রিদের সংখ্যা হ্রাস করে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতেই আশা এ কমসূচীর্ গ্রহণ করেছে। এর ধারাবাহিকতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ৮টি ব্রাঞ্চের আওতায় ১২০ জন শিক্ষা সেবিকা, ৮ জন শিক্ষা সুপারভাইজারসহ ১২০টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ৫‘শ শিক্ষার্থী রয়েছে।  নাসিরনগর উপজেলায় ১৫ টি শিক্ষা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। আশার শাখা কার্যালয়ের অর্ন্তভূক্ত মহলায়  সর্বোচ্চ ৩০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ১ জন সেবিকার মাধ্যমে একটি পাঠদান কেন্দ্র গঠিত হয়। বিদ্যালয়ের পাঠ্যবই অনুসরণ করে সকালে অথবা বিকালে (শিক্ষার্থীদের স্কুলের সময়ের সাথে সংগতি রেখে) মোট ২ ঘন্টা পাঠদান করানো হচ্ছে।

 

                   

 

 

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা