,

স্বামী যখন মা-বাবার অতি বাধ্য…

006_DJ_indian-bride-groom-new-york-900x600লাইফস্টাইল ডেস্ক : স্বামী কি নিজের বাবা-মায়ের অতিরিক্ত বাধ্য সন্তান? আপনার কোন মতামতই কি তিনি গ্রাহ্য করেন না? বাবা-মায়ের মুখের উপর কথা বলতে ভয় পান? সে কী খাবে, কী পোশাক পরবে সব ঠিক করে দেন মা? যে কোন কিছু করার আগে বাবা-মায়ের মতামত ছাড়া কোন কাজই করা যায় না? এই রকম সমস্যার সম্মুখীন আমাদের অনেককেই হতে হয়। পরিস্থিতি সামলাবেন কী করে? কিছু টিপস জেনে রাখুন।

স্ত্রীর যা করা উচিত
১। স্বামী বাবা-মায়ের কথা শুনছেন বলে রেগে যাবেন না। দেখুন সেই মতামতে কোন ভুল আছে কিনা।

২। স্বামীকে কিছুটা সময় দিন। বাবা-মায়ের কথা শোনার এত দিনের অভ্যাস ছাড়তে সমস্যা হতেই পারে। তাছাড়া যেহেতু তাঁরা পরিবারের গুরুজন অনেক ক্ষেত্রেই তাদের মতামত নেয়া উচিত এবং অনেক কিছুই তাদের জানিয়ে করা ভালো।

৩। বাধ্য হওয়াটা কিন্তু দোষের নয়। স্বামী আপনাদের সবাইকে ভালোবাসেন তাই কাউকে কষ্ট দিতে পারেন না।

৪। কথায় কথায় অন্যের সাথে স্বামীকে তুলনা করবেন না। কারণ সবাই একরকম হয় না। প্রতিটি মানুষের চরিত্র ভিন্ন।

৫। আপনার যদি কোন কারণে অসুবিধা হয়ে থাকে এই ব্যাপারে স্বামীকে সরাসরি জানান।

৬। শ্বশুর-শাশুড়ি এবং পরিবারের অন্যদের নিয়ে খোলামেলা কথা বলুন। তাদের সাথে আপনার কোথায় অমিল হচ্ছে তা বোঝার চেষ্টা করুন।

৭। বিয়ে মানে কিন্তু শুধু স্বামী নয়, শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সবার প্রতিও আপনার একটা দায়িত্ব আছে। সেটা ভুলে যাবেন না।

৮। সবাই একসাথে বেড়াতে যান, গল্প করুন নানা বিষয় নিয়ে। এতে আপনাদের মধ্যে খুব ভালো একটি সম্পর্ক তৈরি হবে। আপনিও ভালো থাকবেন।

৯। আলাদা থাকাটা কিন্তু সবসময় সমস্যার সমাধান হয়না। তাই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ভাল করে চিন্তাভাবনা করে নিন।

১০। কখনো তাদের উপর দোষ চাপাবেন না এবং ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে পরিস্থিতি নিজের দিকে নিয়ে আসার চেষ্টা করবেন না। এতে সাময়িক কাজ হলেও পরবর্তীতে অনেক সমস্যা হতে পারে। তাছাড়া কেন শুধু শুধু নিজেকে ছোট করবেন এইসব কাজ করে।

১১। নিজের বাবার বাড়িতে এইসব বিষয় নিয়ে কোন কথা না বলাই ভাল। এতে করে আপনার বাবা-মা দুশ্চিন্তা করবেন এবং হয়তো এমন কোন মন্তব্য করতে পারে যা আপনার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সম্মানে আঘাত লাগতে পারে। তাই অবুঝের মতো কোন কাজ করে বুদ্ধি করে চলুন সবার সাথে।

১২। আপনার বন্ধু কিংবা স্বামীর বন্ধুদের সাথে এইসব পারিবারিক ব্যাপার আলোচনা না করাই ভাল। কারণ এতে করে আপনার নিজের ব্যক্তিত্বটাই বেশি নষ্ট হবে।

স্বামীর যা করা উচিত
১। নিজের মতামত জানানো মানেই কিন্তু কারও অবাধ্য হয়ে যাওয়া নয়।

২। বড়রা সব সময় ঠিক হবে এর কিন্তু কোন মানে নেই। তাই তাঁদের কোনও কথা ঠিক মনে না হলে আপনি যুক্তি দিয়ে বোঝান।

৩। আপনার বাবা-মায়ের সাথে স্ত্রীর সুবিধা ও অসুবিধা গুলোও আপনার দেখা উচিত।

৪। সংসার জীবনে সমস্যা হতেই পারে। তাই কোন সমস্যা হলে স্ত্রী বা বাবা-মা কারও পক্ষ না নিয়ে নিরপেক্ষ ভাবে সমস্যাটা বুঝুন এবং সমাধান করার চেষ্টা করুন।

৫। একটা ব্যাপার মনে রাখা উচিত যে, আপনার স্ত্রী অন্য একটি পরিবার থেকে এসেছে তাই প্রথমেই আপনার পরিবারের সবার সাথে মানিয়ে চলাটা তার জন্যও কষ্টকর। তাই তাকে কিছুটা সময় দিন।

৬। আপনার বিয়ের পর হয়তো বাবা-মা ইনসিকিউরিটিতে ভুগছেন। ওঁদের বোঝান ও নিজেও ধৈর্য ধরুন।

৭। আপনার স্ত্রীর কোন ব্যাপার গুলোতে অসুবিধা হচ্ছে তা কথা বলে জেনে নিন। সেই সমস্যা গুলো নিজে সমাধান করার চেষ্টা করুন বা বাবা-মায়ের সাথেও সমস্যাগুলো নিয়ে কথা বলতে পারেন।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ