,

ভারতীয় নিম্নমানের চাল বাজারে, দেশীতে আগ্রহ নেই

mokamডেস্ক রির্পোট : দেশের উত্তর-পূর্ব হাওরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ধান-চালের মোকাম ব্রাক্ষণবাড়ীয়ার আশুগঞ্জ। এবার এখানে নতুন ধানের আমদানি কম। ক্রেতা-বিক্রেতার সরব উপস্থিতি তেমন আর চোখে পড়ে না।

বাজারে এলসির (আমদানির ঋণপত্র) মাধ্যমে ভারত থেকে আনা নিম্নমানের চাল থাকায় নতুন ধান বেশি মূলে ক্রয় করতে আগ্রহী নন চাতাল মালিকরা। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরা।

আশুগঞ্জ মোকাম ঘাটে আগে প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার ধান কেনা-বেচা হতো। এখন তা অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। মোকামে প্রতিদিন কেনা-বেচা হয় মাত্র ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকার ধান।

নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল থাকায় ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার হাওরাঞ্চলে উৎপাদিত প্রায় ৯০ ভাগ ধানই বেচা-কেনা হতো আশুগঞ্জ মোকামে। তবে এবার চিত্রটা একটু ভিন্ন। নেই নৌকার জট। ঘাটে ধান বোঝাই থাকত ট্রলারের জট। কমে গেছে নতুন ধানের আমদানি। নেই পাইকারদের আগমন।

কৃষক আর পাইকাররা বলছেন, ন্যায্য মূল্যে ধান ক্রয় করতে চান না মিল মালিকরা। ধান-চাল ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, বাজারে ভারতীয় এলসির (আমদানির ঋণপত্র) মাধ্যমে আনা নিম্নমানের চাল থাকায় নতুন ধান বেশী মূলে ক্রয় করতে আগ্রহী নন চাতাল মিল মালিকরা। আর ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা পড়েছেন লোকসানের মুখে। এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না পারলে আগামী মৌসুমে ধান চাষে আগ্রহ হারাতে পারেন তারা।

সরেজমিন আশুগঞ্জ মোকাম ঘুরে দেখা গেছে, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার হাওরাঞ্চলে এবার ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

এবার মোটা ধানের দাম মণ প্রতি ৬২০ থেকে ৭২০ টাকা এবং চিকন ধানের দাম ৭২০ থেকে ৮২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, মিল মালিকরা দায়ী করছেন অধিকমাত্রায় ভারতীয় নিম্নমানের চাল আমদানি করাকে। তারা জানান, বেশী মূল্যে দেশী ধান ক্রয় করলে লোকসানে পড়তে হবে। এ কারণে তারা নতুন ধান ক্রয় করতে আগ্রহী নন।

স্থানীয়রা জানান, এভাবে চলতে থাকলে হয়ত একদিন বন্ধ হয়ে যেতে পারে এ মোকাম। আর ধান বিক্রি করতে না পারলে এ মোকামে আসার আগ্রহ হারাবেন কৃষক ও পাইকাররা।

আশুগঞ্জ ধান চাল ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি শাজাহান সিরাজ জানান, ভারতীয় চাল আসা বন্ধ না হলে বেশী দরে ধান ক্রয় করবেন না মিল মালিকরা।

আশুগঞ্জ শহর শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি গালাম হোসেন জানান, আশুগঞ্জ মোকামে কমে গেছে নতুন ধানের বেচা-কেনা। ভারতীয় চাল থাকলে এক সময় বন্ধ হয়ে যাবে এ মোকাম।

স্থানীয়রা জানান, ভারতীয় নিম্নমানের চাল আমদানি বন্ধ করতে পারলে এ মোকামের প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে। আর কৃষকরা তাদের ন্যায্য মূল্য পাবেন।

দ্য রিপোর্ট

 

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা