বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতীয় নিম্নমানের চাল বাজারে, দেশীতে আগ্রহ নেই

mokamডেস্ক রির্পোট : দেশের উত্তর-পূর্ব হাওরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় ধান-চালের মোকাম ব্রাক্ষণবাড়ীয়ার আশুগঞ্জ। এবার এখানে নতুন ধানের আমদানি কম। ক্রেতা-বিক্রেতার সরব উপস্থিতি তেমন আর চোখে পড়ে না।

বাজারে এলসির (আমদানির ঋণপত্র) মাধ্যমে ভারত থেকে আনা নিম্নমানের চাল থাকায় নতুন ধান বেশি মূলে ক্রয় করতে আগ্রহী নন চাতাল মালিকরা। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরা।

আশুগঞ্জ মোকাম ঘাটে আগে প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার ধান কেনা-বেচা হতো। এখন তা অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। মোকামে প্রতিদিন কেনা-বেচা হয় মাত্র ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকার ধান।

নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল থাকায় ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার হাওরাঞ্চলে উৎপাদিত প্রায় ৯০ ভাগ ধানই বেচা-কেনা হতো আশুগঞ্জ মোকামে। তবে এবার চিত্রটা একটু ভিন্ন। নেই নৌকার জট। ঘাটে ধান বোঝাই থাকত ট্রলারের জট। কমে গেছে নতুন ধানের আমদানি। নেই পাইকারদের আগমন।

কৃষক আর পাইকাররা বলছেন, ন্যায্য মূল্যে ধান ক্রয় করতে চান না মিল মালিকরা। ধান-চাল ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, বাজারে ভারতীয় এলসির (আমদানির ঋণপত্র) মাধ্যমে আনা নিম্নমানের চাল থাকায় নতুন ধান বেশী মূলে ক্রয় করতে আগ্রহী নন চাতাল মিল মালিকরা। আর ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা পড়েছেন লোকসানের মুখে। এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না পারলে আগামী মৌসুমে ধান চাষে আগ্রহ হারাতে পারেন তারা।

সরেজমিন আশুগঞ্জ মোকাম ঘুরে দেখা গেছে, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা, সুনামগঞ্জ, সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার হাওরাঞ্চলে এবার ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

এবার মোটা ধানের দাম মণ প্রতি ৬২০ থেকে ৭২০ টাকা এবং চিকন ধানের দাম ৭২০ থেকে ৮২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, মিল মালিকরা দায়ী করছেন অধিকমাত্রায় ভারতীয় নিম্নমানের চাল আমদানি করাকে। তারা জানান, বেশী মূল্যে দেশী ধান ক্রয় করলে লোকসানে পড়তে হবে। এ কারণে তারা নতুন ধান ক্রয় করতে আগ্রহী নন।

স্থানীয়রা জানান, এভাবে চলতে থাকলে হয়ত একদিন বন্ধ হয়ে যেতে পারে এ মোকাম। আর ধান বিক্রি করতে না পারলে এ মোকামে আসার আগ্রহ হারাবেন কৃষক ও পাইকাররা।

আশুগঞ্জ ধান চাল ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি শাজাহান সিরাজ জানান, ভারতীয় চাল আসা বন্ধ না হলে বেশী দরে ধান ক্রয় করবেন না মিল মালিকরা।

আশুগঞ্জ শহর শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি গালাম হোসেন জানান, আশুগঞ্জ মোকামে কমে গেছে নতুন ধানের বেচা-কেনা। ভারতীয় চাল থাকলে এক সময় বন্ধ হয়ে যাবে এ মোকাম।

স্থানীয়রা জানান, ভারতীয় নিম্নমানের চাল আমদানি বন্ধ করতে পারলে এ মোকামের প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে। আর কৃষকরা তাদের ন্যায্য মূল্য পাবেন।

দ্য রিপোর্ট

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বের ‘মোমো রাজধানী’ কোন শহর?

সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে সম্মত ঢাকা-দিল্লি : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পুরুষের ৫টি গোপন রহস্য জেনে নিন

সহকারী পরিচালকের ‘অদ্ভুত’ আচরণ, ভয়াল স্মৃতি কাজলের

বিএনপি সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতির দিকে যাচ্ছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

এই সরকার স্বৈরাচারের পথেই হাঁটছে : নাহিদ ইসলাম

ইরানের ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠান-ট্যাংকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

অধিনায়কত্ব হারালেন মিরাজ, দায়িত্ব বাড়ল লিটনের

কারিনার নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা, স্কার্ফ নিয়ে আলোচনা

যশোরে গ্রেপ্তার ডেভিড ইমনকে চট্টগ্রামে আনা হচ্ছে

চট্টগ্রামে বিএনপি-এনসিপি মুখোমুখি, বাড়ছে উত্তেজনা