,

মধুসূদন যেতে চায় নিরাপদ ঠিকানায়

modusudonডেস্ক রির্পোট : মধুসূদন সরকার। ব্রাহ্মণবাড়ীয়া পাসপোর্র্ট অফিসের সহকারী পরিচালক। বললেন-‘ডিসি অফিসের লোকজন মনে করে এটা তাদের অফিস। আসলে এই বিল্ডিংয়ের মালিক যে পিডব্লিউডি (গণপূর্ত বিভাগ) সেটা তারা বোঝে না। আমি আগের কর্মস্থলে থাকতে এক ডিসি তার পিয়নকে পাঠিয়ে দিয়েছেন পাসপোর্টের জন্য। পিয়ন এসে আমাকে ফোন ধরিয়ে দেয়। এটা কি ঠিক। তিনি অফিসার আমিও অফিসার। আর দালাল কাকে বলছেন। আমি এখানে জয়েন করার পর ডিসি অফিসের ৪০ জন পিয়ন-স্টাফ এসে আমাকে সালাম দিয়ে গেছে। তারা সবাই পাসপোর্টের তদবির নিয়ে আসে। তাহলে তাদেরকে কি দালাল বলবেন? এখানে দালাল নেই। যারা আছে অবাঞ্ছিত লোক। আর আমি নিচে গিয়ে কাকে ধরবো। এখানে নানা অফিস। নানা কাজে লোকজন আসে।’ মধুসূদন সরকার ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে যোগ দিয়েছেন গত ২০শে নভেম্বর। যোগদানের পরই আলোচনায় চলে আসেন এই কর্মকর্তা। যোগদানের ৩ দিন পরই শহরের কাউতলী এলাকায় তার ভাড়া করা বাসায় পাসপোর্ট অফিসের দালালদের নিয়ে বৈঠক করেন। এখানে বদলি হয়ে আসতে ৪ লাখ টাকা দিয়েছেন পাসপোর্টের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে। সরজমিন  জেলা কালেক্টরেটের পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে চোখে পড়ে দালালদের দৌরাত্ম্য। জেলা প্রশাসক বা তার অধস্তন কর্মকর্তাদের চোখের সামনেই পাসপোর্ট অফিসে চলছে দালালদের নির্বিঘ্ন এই তৎপরতা। বেশ ক’মাস আগে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৩ দালালকে আটক করেন। তাদের কাছ থেকে জব্দ করা হয় দুই শতাধিক পাসপোর্ট। তাই মধুসূদন এখানে যোগদান করার পরই কালেক্টরেট বিল্ডিং থেকে পাসপোর্ট অফিস অন্যত্র সরিয়ে নিতে উদগ্রীব হয়ে উঠেছেন। ডিসি বা তার অধস্তনদের চোখ এড়াতে চান তিনি। বিগত দিনে পাসপোর্ট অফিস ঘিরে ডিসি’র অ্যাকশনে ভেতরে লালিত চাপা ক্ষোভ ঝরে পড়ে তার বক্তব্যে। শহরের মেড্ডা এলাকায় নির্মিত হয়েছে নতুন পাসপোর্ট অফিস। গণপূর্ত বিভাগ পাসপোর্ট অফিসটি হস্তান্তরের আগেই মধুসূদন সরকার সেখানে পাসপোর্ট অফিস সরিয়ে নেয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। যোগদানের পর এখন  প্রধান কাজ তার এটিই। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একটি সূত্র বলেছে, এখানে ডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের চোখের সামনেই পাসপোর্ট অফিসে যা হয় নিরিবিলি ঐ অফিসে গেলে অবস্থা কি হবে সেটা সহজেই অনুমান করা যায়। আমরা এখনই উদ্বিগ্ন। মধুসূদন সিলেট থেকে বদলি হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া এসেছেন। সিলেটে তার কর্মকাল ছিলো মাত্র ২৮ দিন। ওয়াকিবহাল সূত্র জানায়, সেখানে বদলি হতে খরচ করেছিলেন আড়াই লাখ টাকা। আর ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসতে দিয়েছেন ৪ লাখ টাকা। পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা উচ্চ পদস্থ এক কর্মকর্তাকে এই টাকা দিয়েছেন। মধুসূদন সরকার অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমি চাচ্ছি এই মাসেই অফিসটি সরিয়ে নিতে। যদিও নতুন অফিস এখনও আমাদের বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন ৩/৪ শ’ পাসপোর্ট হয়। যার প্রায় সবই হয় দালালদের হাত ধরে। পাসপোর্ট পিছু এক হাজার টাকা করে ঢুকে সহকারী পরিচালকের পকেটে।

mzamin.com

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ