,

মিসরে মোবারককে খালাস দেওয়ায় সহিংস বিক্ষোভ

8a295c8b0b0ef29a42519d8b845665de-Mubarak-afp

ক্রীড়া ডেস্ক :মিসরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারক ও তাঁর সাতজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে ২০১১ সালের গণ-আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়ায় দেশটির রাজধানী কায়রোতে গতকাল শনিবার সহিংস বিক্ষোভ হয়েছে।

আল জাজিরা টেলিভিশনের অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিক্ষোভের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর ছোড়া গুলিতে এক বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে অনেকেই আহত হয়েছেন।

বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, রায় ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীরা ঐতিহাসিক তাহরির স্কয়ারে জড়ো হতে থাকেন। সেখানে প্রায় দুই হাজার বিক্ষোভকারী উপস্থিত হন। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে শক্তিপ্রয়োগ করে নিরাপত্তা বাহিনী।

২০১১ সালে এই তাহরির স্কয়ারেই মোবারকবিরোধী গণ-আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল। ১৮ দিনের গণ-আন্দোলনে পতন হয় মোবারকের। ওই আন্দোলনে আট শতাধিক বিক্ষোভকারী নিহত হন।

বিক্ষোভকারীদের হত্যার অভিযোগ থেকে হোসনি মোবারক ও তাঁর সাতজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে খালাস দেওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা। বিক্ষোভে ছেলে হারানো রামাদান আহমেদ বলেন, ‘গরিবের জন্য কোনো বিচার নেই।’

২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে গণ-আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হন তিন দশকের শাসক হোসনি মোবারক। ওই আন্দোলনের সময় অন্তত ৮৪৬ জন বিক্ষোভকারী প্রাণ হারান।

শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভকারীদের হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে ২০১১ সালের ২৪ মে মোবারককে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর আদেশ দেওয়া হয়। পরে বিচারে ২০১২ সালের ২ জুন তাঁর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। ওই সময় পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন ইসলামপন্থী প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি। মুরসি নিজেও পরের মাসে আরেক আন্দোলনের জের ধরে সেনাবাহিনীর হাতে ক্ষমতাচ্যুত হন। পরে ২০১৩ সালের জানুয়ারি মাসে আপিল কোর্ট মোবারকের ওই দণ্ডাদেশ প্রত্যাখ্যান করে মামলাটির পুনর্বিচার করার নির্দেশ দেন। গতকাল মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়টি ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল গত সেপ্টেম্বর মাসে। তবে আদালতের মুখ্য বিচারক মাহমুদ কামেল আল-রাশিদি মামলার রায়ে দেওয়া সিদ্ধান্তের পক্ষে সব নথি লিপিবদ্ধ করা শেষ হয়নি—এমন কথা বলে তখন তা স্থগিত করেন।

গতকাল দেওয়া রায়ে বিচারক রাশিদি বলেন, বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রথমে মোবারকের নিরাপত্তাপ্রধানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। পরে এতে মোবারকের নামও যুক্ত করা হয়, যা ঠিক হয়নি। এ কারণেই তাঁকে হত্যার অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

একই মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া মোবারকের অন্য সাত শীর্ষ কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাবিব আল-আদলি।

গতকাল দেওয়া এক রায়ে আদালত মোবারক ও তাঁর দুই ছেলেকে আরেকটি দুর্নীতির অভিযোগ থেকেও রেহাই দিয়েছেন।

তবে মোবারক ছাড়া পাচ্ছেন না। কারণ, আরেকটি মামলার রায়ে তিনি তিন বছরের সাজা খাটছেন।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ