,

সমরাস্ত্রের অর্থ শিক্ষায় বিনিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সময়োপযোগী

images (3)কোনো কোনো দেশ নিজেদের ক্ষমতা জাহির করতে বিশ্বব্যাপী সামরিক আগ্রাসন চালায়। সামরিক আগ্রাসনের জন্য প্রয়োজন সর্বাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধাস্ত্রের। আর এজন্য অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র তৈরিতে ও গবেষণায় উৎসুক দেশটিকে দিনের পর দিন খরচ করতে হয় কোটি কোটি ডলার। আবার কোনো কোনো দেশ সামরিক আগ্রাসন থেকে বাঁচতে এবং নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে উদ্ভাবন করে অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র। যার ফলে দেশটিকে লগ্নি করতে হয় কোটি কোটি ডলার। এতে করে অনৈতিক প্রতিযোগিতায় উভয় দেশই আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশ্বব্যাপী এমনও নজির আছে যেখানে যুদ্ধাস্ত্রের জন্য বিনিয়োগ করতে নিজেদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপচয়ের পাশাপাশি অধিকাংশ জনগণকে দারিদ্র্যসীমার ওপরে তুলতে পারেনি আদৌ। দৃষ্টান্ত হিসেবে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার দিকে তাকালেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। যেখানে দেশ দুটি নিজেদের জনগণকে বঞ্চিত করে যুদ্ধের দামামায় মেতে ওঠে। কিছুদিন আগেও আমরা এ চিত্র দেখেছিলাম।
অতিসম্প্রতি ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে জাতিসংঘসহ বিশ্বনেতাদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এছাড়াও সামরিক হামলা চলছে সিরিয়া ও ইরাকে। এছাড়া অধিকাংশ প্রতিবেশী দেশের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধের কারণে যুদ্ধাস্ত্রের নতুন নতুন সংস্করণ করতে শত শত কোটি ডলার ব্যয় করতে হয় দেশগুলোকে। এই পরিপ্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সদর দফতরে ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিলে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের ‘গ্লোবাল ফার্স্ট ইনিশিয়েটিভ (জিইএফআই)’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের এক আলোচনা সভায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমরাস্ত্র নির্মাণের অর্থ গুণগত শিক্ষায় বিনিয়োগের জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশ্বকে শান্তির জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে আগামী প্রজন্মের জন্য সুশিক্ষা নিশ্চিত করায় সমরাস্ত্র নির্মাণ এবং সহিংসতায় যে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয় তা শিক্ষাখাতে স্থানান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করে শান্তি ও সহিংসতামুক্ত সংস্কৃতি গড়তে সবাইকে গুণগত শিক্ষায় বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী।
জিইএফআইকে অবশ্যই গুণগত শিক্ষা বিকাশে সম্পদ আহরণের জন্য বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব ও ঐকমত্য গড়ে তুলতেও আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। যেখানে ইসরাইলি ধ্বংসযজ্ঞের কারণে ফিলিস্তিনের গাজা শহরে লাখ লাখ শিশু স্কুলে যেতে পারছে না। এ ব্যাপারে বিশ্বনেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিউনিশিয়ার প্রেসিডেন্ট মনসেপ মারজুকির দেওয়া বক্তব্যের সমর্থন করে প্রধানমন্ত্রী গাজায় সংঘটিত ধ্বংসযজ্ঞের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে আহ্বান জানান।
কেননা, মানুষ গুণগত শিক্ষায় শিক্ষিত হলে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ ও ধ্বংস কমতে বাধ্য। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর এ পর্যবেক্ষণ ও আহ্বান কার্যকর করতে পারলে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠায় অগ্রগণ্য ভূমিকা রাখবে।

এ জাতীয় আরও খবর

মোহাম্মদপুর গৃহায়ণ প্রকল্পে অনিয়ম, ফ্ল্যাট বরাদ্দের তথ্য উন্মোচন

৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না ঢাকার যেসব এলাকায়

এনজিও ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হলেন খোন্দকার মোরতাজুল করিম

সংকট সমাধানে দরকার রাজনৈতিক উদ্যোগ

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে: পাকিস্তান

ম্যারাডোনার মামলায় চিকিৎসা পরীক্ষার ফল নিয়ে ভুল স্বীকার

ইরানের রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যমে ট্রাম্পপুত্র ব্যারনকে হত্যার হুমকি

সংসদ অধিবেশন ঘিরে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন জনসমর্থন কমেছে, রেকর্ড নিম্নে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা

বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করবে ইউএনডিপি

দেশে সারের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুদ আছে