,

বাচ্চারা কার্ট‌ুন পছন্দ করে কেন?

tomকার্টু‌ন দেখতে পছন্দ করে না এমন বাচ্চা খুজেঁ পাওয়া যাবে না। সব বাচ্চারাই কার্টু‌ন দেখতে ভীষন পছন্দ করে থাকে। বাচ্চারা বেশ কল্পনাপ্রবন হয়ে থাকে। এ সময় কোনো জটিলতাই জীবনকে স্পর্শ‌ করে না। খুব সহজ সরল নির্ভে‌জাল হাসি, সহজ চিন্তাভাবনা আর অল্পতেই সত্তুষ্ট থাকা- এটাই তো বাচ্চাদের বৈশিষ্ট্য। কার্ট‌ুন বাচ্চাদের মনে আনন্দের সৃষ্টি করে। আজকালকার বাচ্চারা তো রীতিমতো কার্ট‌ুন দেখা ছাড়া কিছু খেতেও চায় না। কিন্তু কী আছে এ কার্টু‌নের মধ্যে?? চলুন একটু দেখা যাক কী কী কারন থাকতে এর পিছনে।
কার্ট‌ুন সম্পু্র্ণ‌ আনন্দদায়ক বিনোদন-
কার্ট‌ুন এক ধরনের ভিজুয়াল আর্ট‌। কার্ট‌ুন মূলত বাচ্চাদের কথা মাথায় রেখেই তৈরী করা হয়। কার্ট‌ুনের চিত্র এক নির্ম‌ল আনন্দের সৃষ্টি করে বাচ্চাদের মনে। যেকোন গল্পই ফানি ও মজাদার এবং আকর্ষ‌নীয়ভাবেই তৈরী করা হয় এ কার্ট‌ুনে যা বাচ্চাদের দ্রুত ক্যাচ করতে পারে।
কার্ট‌ুন বেশ জীবন্ত,বোরিং কিছু নয়-
কার্ট‌ুনের উজ্জল রং,উপস্থাপনা ,কাহিনী খুবই জীবন্ত যা বাচ্চাদের সহজে মনোযোগ আকর্ষ‌ন করতে সক্ষম। বাচ্চারা সহজের কার্ট‌ুনের চরিত্রের মাঝে ঢুকে যেতে পারে। কোনরকম জটিলতা এর মাঝে নেই,নির্ম‌ল আনন্দ দান করাই এর লক্ষ্য। একঘেয়ে কোন কিছুর উপরই বাচ্চাদের আগ্রহ নেই। তাই কার্ট‌ুনের সাহায্যে বাচ্চাদের অনেক জিনিস শেখানোও সম্ভব। ১৯৭০ এর দিকে শিক্ষামূলক কার্ট‌ুন দিয়ে বাচ্চাদের ভাষা ও জিওগ্রাফির জিনিস শেখানো শুরু করা হয়। উদাহরন হিসেবে স্কুল হাউস রক এর কথা বলা যায়।
চাইল্ড বেইসড মিউজিক,সহজেই বাচ্চাদের আকর্ষ‌ন করতে সক্ষম-
বাচ্চারা কখনই ডায়লগের প্রতি মনোযোগী থাকে না। মূলত মিউজিক ও উপস্থাপনার উপর ভিত্তি করেই তৈরী করা হয় কার্ট‌ুন। জনপ্রিয় কার্ট‌ুন টম এন্ড জেরীতে ডায়লগের কোন স্থানই নেই। কার্ট‌ুনের সাউন্ড বেশ আনন্দের সৃষ্টি করে বাচ্চাদের মনে। আর প্রতিটি কার্ট‌ুনের থিম সং তো বাচ্চাদের মুখস্তই থাকে। মিউজিক শুনেই ওরা বলে দিতে পারে কার্ট‌ুনের নাম।
কার্ট‌ুন সম্পূর্ণ‌ কাল্পনিক-
বাচ্চারা সবসময়ই কাল্পনিক জিনিস পছন্দ করে,এ জটিল পৃথিবীর জটিলতা থেকে দূরে থাকতে চায় ওরা। একঘেয়ে হোমওয়ার্ক‌ কিংবা স্কুলের জটিল জটিল পড়াশুনা কিছুসময়ের জন্য ভুলে একটু আনন্দের জন্যই টিভির সামনে বসে ওরা। আর তখন কার্ট‌ুনের কাল্পনিক মজার কাহিনি আকৃষ্ট করে ওদের।কার্ট‌ুনের মাধ্যমে বাচ্চারা বিশ্বাস করতে শুরু করে ওদের স্বপ্ন সত্যি হবে। কার্ট‌ুনেরর ইনোসেন্ট চরিত্রের মাঝে সহজেই মিশে যেতে পারে ওরা।
বয়স ও সময় ভেদেও কার্ট‌ুনের পার্থ‌ক্য রয়েছে। কিছু কার্ট‌ুনে ধংসাত্বক চরিত্রও দেখা যায়। সেক্ষেত্রে একদম ছোট বাচ্চাদের ওরকম কার্ট‌ুন না দেখতে দেওয়াই উচিত যা বাচ্চাদের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে একমাত্র কার্ট‌ুনই বাচ্চাদের সাথে এতটা গভীর সম্পর্ক‌ তৈরী করতে পারে যেখনে বাচ্চারা আনন্দ পায়,শিখতে পারে এবং চরিত্রের সাথে মিশে যেতে সক্ষম।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ