শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘জঙ্গি পালানোর ঘটনায় তদন্ত কমিটির সুপারিশের আলোকে ব্যবস্থা’

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : আদালতে হাজিরা দেওয়ার সময় দুই জঙ্গি পালানোর ঘটনায় কারও গাফিলতি আছে কি না, তা তদন্ত করতে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেছেন, কমিটির সুপারিশের আলোকে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ৬০তম কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় কড়া নির্দেশনা দিয়ে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘কারাগার থেকে আদালতে কোনো আসামি নেওয়া হলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আরও বেশি সতর্কতা জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, আদালতপাড়ার ঘটনাটি জঙ্গিদের পূর্বপরিকল্পিত। তদন্ত করে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আত্মগোপনে থাকা জঙ্গিরা তাদের অবস্থান জানান দিতে দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা যাতে দেশের বাইরে পালিয়ে যেতে না পারে, সেজন্য সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।’

কারা কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘কারা অভ্যন্তরে যাতে জঙ্গি, শীর্ষ সন্ত্রাসীরা কোনো ধরনের সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতা চালাতে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। এ ছাড়া জঙ্গি ও শীর্ষ সন্ত্রাসী বন্দিদের কারাগার থেকে হাজিরার জন্য আদালতে, চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এবং অন্য কারাগারে স্থানান্তরকালে অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করবেন।’

শৃঙ্খলা ও মানবিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রতিরোধ করবেন বলেও উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘কারা অভ্যন্তরে যাতে কোনোভাবেই কারা বিধি বহির্ভূত, নিষিদ্ধ দ্রব্য প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন।’

গত ২০ নভেম্বর ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মূল ফটক থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে (কারা অনুবিভাগ) আহ্বায়ক করা হয়েছে।

কমিটির বাকি তিন সদস্য হলেন- মহাপুলিশ পরিদর্শকের প্রতিনিধি (ডিআইজি পদ মর্যাদার নিচে নয়), অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক ও ঢাকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

গত ২০ নভেম্বর ঢাকার সন্ত্রাস দমন ট্রাইব্যুনালে মোহাম্মদপুর থানার একটি মামলায় আসামিদের হাজির করা হয়েছিল। হাজিরা শেষে হাজতখানায় নেওয়ার পথে জঙ্গি ছিনতাইয়ের এ ঘটনা ঘটে।

পলাতক দুই আসামি হলেন- মইনুল হাসান শামীম ও আবু সিদ্দিক সোহেল। শামীমের বাড়ি সুনামগঞ্জের ছাতকের মাধবপুর গ্রামে। সোহেলের বাড়ি লালমনিরহাটের আদিতমারীর ভেটোশ্বর গ্রামে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

গ্যাস সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বিপাকে চালকরা

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করছেন

আলুর নাগেট তৈরির রেসিপি জেনে নিন

ভালোবাসা পেলাম, এবার তার যোগ্য হওয়ার পালা : ফারিয়া

অবশেষে অনশন ভাঙলেন সোনাম ওয়াংচুক

ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম

নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ : শিক্ষা সচিবকে অপসারণ করল ভারত

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ

বাগেরহাটে খানজাহান আলী মিশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে সমবায় সমিতির উদ্যোগ