ইউক্রেনকে তিন দিক থেকে ঘিরে রেখেছে রাশিয়া

news-image

নিউজ ডেস্ক : ইউক্রেন ইস্যুতে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একের পর এক দেশ কিয়েভ থেকে নিজেদের নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় এক ডজনের বেশি দেশ এই দূতাবাস খালি করেছে। যদিও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জোর গলায় ‘শান্ত থাকার’ আহ্বান জানিয়েছেন।

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র জোর গলায় বলছে, যে কোনো দিন, যে কোনো সময় রুশ সেনারা ইউক্রেন আক্রমণ করতে পারে। সর্বশেষ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ‘শিগগির হামলার’ শঙ্কা ব্যক্ত করেছেন। গতকাল এ খবর জানিয়েছে বিবিসি।

ইউক্রেন ঘিরে কি আরেকটি যুদ্ধের দিকে যাচ্ছে ইউরোপ? এর সুস্পষ্ট জবাব এই মুহূর্তে হয়তো কেউ দিতে পারবে না। একদিকে যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে যুদ্ধ এড়ানোর নানা কৌশলও নেওয়া হচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে প্রায় তিন দিক থেকেই ইউক্রেনকে ঘিরে রেখেছে রুশ সেনারা। দক্ষিণে ক্রিমিয়া সীমান্ত, দুই দেশের সীমান্তে রাশিয়া অংশ ও উত্তরে বেলারুশ সীমান্ত থেকে আক্রমণ আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাশিয়া যে তিন দিক থেকে অভিযান চালাতে পারে, সেসব এলাকায় নজর রাখছে ইউক্রেন ও পশ্চিমা দেশগুলো। এসব এলাকায় রাশিয়ার গতিবিধি দেখা যাচ্ছে। তবে ঠিক কোন দিক থেকে রাশিয়া আক্রমণ করতে পারে তা এখনো অস্পষ্টই রয়েছে।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, রাশিয়া হয়তো ইউক্রেনের কিছু এলাকা দখল করে নিতে পারে। এমন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে ইউক্রেনের পূর্বদিকের দুটি বিচ্ছিন্ন অঞ্চল- দুনিয়েস্ক ও লুহানস্ক। এ দুটি এলাকায় রুশসমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আধিক্য রয়েছে। এখানে ২০১৪ থেকেই ইউক্রেন সেনা ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মধ্যে লড়াই চলে আসছে।

এদিকে উপগ্রহের ছবিতে দেখা গেছে, ইয়েলনিয়ায় থাকা রুশ ট্যাংক ও অন্য সমরাস্ত্রগুলো খালি করে যেসব এলাকায় যুদ্ধ হতে পারে সেখানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বেলারুশ হলো রাশিয়ার ঘনিষ্ট মিত্র। সম্প্রতি রুশ-বেলারুশ মিলে সামরিক মহড়াও করেছে। ইউক্রেনে আক্রমণের এটি হতে পারে আরেকটি রাস্তা। অপর একটি পথ হলো ক্রিমিয়া- এই উপদ্বীপটি ২০১৪ সালে দখল করে নেয় রাশিয়া।

এ কারণে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ক্রিমিয়া সীমান্ত দিয়ে আক্রমণ করাটা মস্কোর জন্য তুলনামূলক সহজ হবে। এই তিনটি সীমান্তপথেই বিপুলসংখ্যক সেনা মোতায়েন করেছে রাশিয়া।

ইউক্রেন ঘিরে যখন এমন সাজসাজ রব, সেই সময়ই ক‚টনীতিক প্রচেষ্টা থেমে থাকেনি। গত শনিবারও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। সেখানে বাইডেন বলেন, রাশিয়া যদি ইউক্রেনে সেনা পাঠায় তাহলে তাকে চরম মূল্য দিতে হবে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে এমন যুদ্ধের সতর্কবার্তাকে ‘অযথা আতঙ্ক’ হিসেবে দেখছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদমার জেলেনস্কি। জেলেনস্কি বলেন, এখন জনগণের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো ‘অযথা আতঙ্ক’। এমনকি পশ্চিমারা আসন্ন হামলার কোনো প্রমাণ দিতে পারছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। এছাড়া হামলার সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের ‘খিঁচুনি রোগের সর্বোচ্চ পর্যায়’ বলে বর্ণনা করেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা উড়ি উশাকোভ।

 

এ জাতীয় আরও খবর

‘সাধারণ শ্রমিক এমন তাণ্ডব চালাতে পারে না’, বললেন রাশেদ খান

তাহসিফ হত্যা মামলায় দিশার দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড

৩৫ বছরেই চলে গেলেন গায়িকা নিকোল টেলর

হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলে পাশে থাকবে ইরান

ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ ধারণায় বদলেছে ম্যাট ডেমনের কাজের ধরন

স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৩৩২৪ টাকা

৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের নানা আয়োজন

বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ

ট্রাম্প-সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে কংগ্রেসে পিয়া ডান্ডিয়া

সিনেট হারাল ট্রাম্পের দল, নিয়ন্ত্রণে ডেমোক্র্যাটরা

মিরপুরে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান