বাংলাদেশের তিন অভিনেত্রী টলিউডের নায়িকাদের কপালে ভাঁজ ফেলে দিয়েছেন

news-image

অনলাইন ডেস্ক : সংস্কৃতির সীমানা থাকে না। ভাষার সঙ্গে এর সম্পর্ক জোরালো হলেও তা টেকে না অনেক ক্ষেত্রে। তা না হলে হলিউড, বলিউড, কলকাতা, ঢাকা এই বিনিময়গুলো ঘটতো না। ঢাকাই শোবিজের অনেক নায়িকারা কাজ করছেন, টালিউডে। এ নিয়ে নানা গুঞ্জন চলে, বলা হয় টালিউডের নায়িকারা হয়তো এই বিষয়টাকে ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারে না। সেই বিষয়টাকে ধরেই আনন্দবাজার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখানো হয়েছে, আসলে সত্যিকার মনোভাবটা কি?

জয়া আহসান প্রথম বাংলাদেশি অভিনেত্রী, যিনি টলিউডকে ‘আবর্ত’, ‘রাজকাহিনী’, ‘বিসর্জন’, ‘বিজয়া’, ‘কণ্ঠ’, ‘বিনিসুতোয়’র মতো সিনেমাগুলো উপহার দিয়েছেন। এরপরেই দর্শকপ্রিয়তার জায়গা নিয়েছেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ওয়েব সিরিজ় ‘রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি’তে আজমেরী হক বাঁধন। তাকে নিয়ে কাজের পরিকল্পনা করছেন অনেক পরিচালকই। এরপরেই আছেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা তিনি রাজর্ষি দে পরিচালিত ‘মায়া’, রিঙ্গোর ছবি ‘আ রিভার ইন হেভন’।

যে ধরনের ছবিতে এই নায়িকারা অভিনয় করেন, সেই জায়গায় আগে বেশি দেখা যেত পাওলি দাম, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, রাইমা সেনদের।

মূলধারার বাণিজ্যিক ছবির চাহিদা কমে যাওয়ায় শুভশ্রী, শ্রাবন্তী, মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহানেরাও অন্য ধারার ছবির দিকে ঝুঁকেছেন।

বাংলাদেশি নায়িকাদের বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে এমনই ক্ষোভ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নায়িকা। তিনি বলেন, ‘এমন অনেক চরিত্রই বাংলাদেশি অভিনেত্রীদের দেওয়া হয়, যেটা এখানকার যে কেউ করতে পারত।’

জয়া অবশ্য এই বিষয়ে ভাবতে রাজি নন। তার মতে, কাজের সুযোগ সকলেরই আছে। তিনি বলেন, সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকা তো ভালোই। আমার মতে শিল্পের কোনো সীমারেখা থাকা উচিত নয়।

মিথিলা বলেন, কেউ কারও কাজ, জায়গা কেড়ে নিতে পারে বলে মনে হয় না। সকলেই নিজের যোগ্যতা দিয়ে কাজ পাচ্ছেন। আমি বৈবাহিক সূত্রে কলকাতায় থাকছি, তাই এখানেই কাজ করছি এখন। তবে আমি এখানে সদ্য কাজ শুরু করেছি।

আজমেরী হক বাঁধন মনে করেন, এই চর্চাগুলো অভিনেত্রীদের ওপরে বাড়তি চাপ তৈরি করে। ‘অনেকে বলছেন, বাংলাদেশ থেকে অভিনেত্রীরা এসে কাজ করায় টলিউডের কিছু অভিনেত্রীর মনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আসলে আমাদের সমাজ এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে দেয়। বিশেষ করে মহিলাদের ওপরেই বেশি চাপ তৈরি করা হয়। কেন এই চাপগুলো আমাদের নিতে হবে? এগুলো এড়িয়ে সদর্থক দিকগুলো ভাবলে, সকলেরই ভালো হবে। সকলে যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাবেন।

কিন্তু পুরোপুরি বিপরীত ধারণা কলকাতার অনেক নায়িকার। আর একজন বলেন, বিনিময় হচ্ছে ভালো। তবে, বাংলাদেশি অভিনেত্রীরা যে সুবিধা এখানে পায়। বাংলাদেশে আমরা সেটি পাই না।

এ জাতীয় আরও খবর

‘সাধারণ শ্রমিক এমন তাণ্ডব চালাতে পারে না’, বললেন রাশেদ খান

তাহসিফ হত্যা মামলায় দিশার দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড

৩৫ বছরেই চলে গেলেন গায়িকা নিকোল টেলর

হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলে পাশে থাকবে ইরান

ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ ধারণায় বদলেছে ম্যাট ডেমনের কাজের ধরন

স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৩৩২৪ টাকা

৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের নানা আয়োজন

বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ

ট্রাম্প-সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে কংগ্রেসে পিয়া ডান্ডিয়া

সিনেট হারাল ট্রাম্পের দল, নিয়ন্ত্রণে ডেমোক্র্যাটরা

মিরপুরে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান