,

কবির ও এনামূলের লালসার শিকার স্কুলছাত্রী লামিয়া

dorshonনিজস্ব প্রতিবেদক : ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তর পৈরতলা ছয়গড়িয়া পাড়ার বাসিন্দা তারা মিয়ার নাবালিকা কন্যা ও পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী লামিয়া (১১) কে চক্রান্ত করে সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা থানা এলাকার শিলাম বিরামপুর গ্রামের শিপন মিয়ার সাথে বিয়ে দেয় কাউতলী এলাকার কবির মিয়া। ঘটনাটি ঘটেছে প্রায় ১বছর পূর্বে। সে সময় থেকেই কবির ও এনামূলের লালসার শিকার স্কুলছাত্রী লামিয়া।  জানা যায়, ২মাস না যেতেই শিপন পালিয়ে যায়। সোমবার শিপনকে পেয়ে সব রহস্যের উদঘাটন শুরু হয়। এ বিষয়ে তারা মিয়া আমাদের জানান, গত এক বছর আগে আমি চুক্তির ভিত্তিত্বে ইটের মিলে কাজ করতে চলে যায়। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একাদিক মামলার আসামী এনামূল মিয়া, কাউতলী এলাকার ট্রাক্টর মালিক কবির মিয়া ও শিপনের ভাই সোহেল মিলিত হয়ে আমার মা এবং স্ত্রীকে ফুসলিয়ে আমার নাবালিকা মেয়ে লামিয়াকে বিয়ে দেয়। সে সময় শিপন কবিরের ট্রাক্টরের চালক ও ভাল ছেলে বলে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। আর এই বিয়ের উকিল শ্বশুর হয় এনামূল মিয়া। পরে কবির ও এনামূল মিলিত হয়ে কাউতলী এলাকায় বাসা ভাড়া করে দেন। সেখানে শিপন আমার মেয়ে বসবাস শুরু করে। প্রায় ২ মাস পর লামিয়ার স্বামী শিপনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা থেকে চলে যাওয়ার জন্য বাধ্য করে। শিপন অনুপস্থিত থাকার সুযোগ নিয়ে উকিল শ্বশুর এনামূল ও কবির মিলিত হয়ে লামিয়ার বাসায় গিয়ে কু-প্রস্তাব ও যৌন হয়রানী করতে শুরু করে। এদিকে লামিয়া স্বামীর অপেক্ষায় থাকে। এভাবে প্রায় ১৫দিন চলে যায় কিন্তু স্বামীর কোন খোজ নেই। বাড়তে থাকে এনামূল ও কবিরের যৌন হয়রানী ও ধর্ষণের চেষ্টা। অবশেষে তাদের যন্ত্রনায় লামিয়া কাউতলী থেকে পালিয়ে আমার কাছে চলে আসে। প্রায় ১০মাস পর সোমবার শিপনকে পাওয়া যায়। পরে শিপন সব কথা খুলে বলে। পরে আমি জানার পর সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। এ বিষয়ে কবিরের মুটোফোনে যোযোগ করলে তিনি জানান, মেয়েটি গরীব বলে বিয়ের সময় আমরা মিলিত হয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা তুলে দিয়েছি। নাবালিকা বিয়ের জন্য চাঁদা উঠানো কি সঠিক ছিল এবিষয়ে জানতে চাইলে কাবির কোন উত্তর দেয়নি।
শিপন জানান, কবির ও এনামূল বিভিন্নভাবে প্ররোচনা দিয়ে লামিয়ার সাথে বিয়ে করানো হয়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল অসৎ। আমি বিষয়টি বুঝার পর পরই তারা আমাকে ভয়ভীতি দেখায়। আমি কোন পথ না পেয়ে পালিয়ে যায়।
গতকাল আমি শ্বশুরের কাছে সব খুলে বললে তিনি আইনের আশ্রয় নেন।
এ বিষয়ে লামিয়া আমাদের জানান, আমার স্বামী চলে যাওয়ার পর কবির ও এনামূল প্রায় সময় বাসায় এসে বিছানায় শুয়ে থাকত এবং কু-প্রস্তাব দিত। আমি রাজি হয়নি। একদিন আমার সাথে তারা জোরধবস্তি শুরু করলে কোন রকম বেচে পালিয়ে বাড়িতে চলে আসি।
এ বিষয়ে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভোক্তভোগী পরিবার।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা