রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ বছর পর ডাক্তার ইয়াংকে মিরপুরে দেখে আপ্লুত মাশরাফি

news-image
অস্ট্রেলিয়ার শল্য চিকিৎসাবিদ ডেভিড ইয়াং। বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তাদের মাঝে নামটি বেশ পরিচিত। কেননা টাইগার অধিনায়ক (ওডিআই) মাশরাফি যে কয়বার ইনজুরিতে পড়েছেন সে কয়বারই তার চিকিৎসা করেছিলেন এই শল্য চিকিৎসাবিদ। এরপর শুধু মাশরাফি নয় তামিম, মোস্তাফিজ, শাহাদাত. শহীদের হাঁটু কিংবা পিঠে সমস্যায় অস্ত্রোপচারের দরকার হলে বিসিবির নির্ভরতার অপর নামও ডাক্তার ইয়াং।
পর্দার অন্তরালে থেকে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের দিনের পর দিন ভরসা জুগিয়ে গেছেন তিনি। মাশরাফির কাছে তাই তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেটের ‘অদৃশ্য বন্ধু’।
বাংলাদেশ অর্থোপেডিকস সোসাইটির আমন্ত্রণে সম্প্রতি ইয়াং ঢাকায় এসেছেন। মঙ্গলবার তিনি মিরপুরে নিজের রোগীদের সঙ্গে দেখা করতে চলে আসেন। এসময় তিনি একটা মাশরফিকে নিয়ে সেশনেও অংশ নেন।
একটা সময় ডেভিড ইয়ংয়ের নিয়মিত রোগী ছিলেন মাশরাফি। অবশ্য ২০১১ সালের পর ইয়াংয়ের ছুরির নিচে যেতে হয়নি। বড় ধরণের চোট ছাড়াই মাশরাফি খেলছেন সাত বছর। মাশরাফি মনে করেন তার ক্যারিয়ারে ‘দ্বিতীয় জীবন’ পাওয়ার উছিলা ছিলেন এই ইয়াং। তাই ইয়াং মিরপুরে আছেন শুনে দেখা করতে চলে আসেন। ৭ বছর পর দেখা হওয়ার পর দুজনেই বেশ স্মৃতি কাতর হয়ে উঠেন।
মাশরাফি বলেন, ‘আমার প্রায় সাতটি অস্ত্রোপচার তার হাত দিয়ে হয়েছে। এটা বলতে পারেন যে আমি এখনও খেলছি উপরে আল্লাহ আছেন, যতটুকু জানি উছিলা হিসেবে তিনই (ইয়াং) আছেন। আমার সব কিছুই করেছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘এখন হাঁটুর বিষয়ে অন্য আর কারো কাছে গেলে তেমন আত্মবিশ্বাস পাওয়া যায় না। শুধু আমি না; আমাদের অধিকাংশ প্লেয়ার যাদের হাঁটু ও পিঠে অস্ত্রোপচার হয়েছে তা তিনিই করেছেন। আমি বলতে পারি বাংলাদেশ ক্রিকেটের অদৃশ্য ও অকৃত্রিম একজন বন্ধু তিনি।’
মাশরাফি জানান প্রতিটি অস্ত্রোপচার অনেক জটিল ছিল, ‘সবশেষে ২০১১ সালের অপারেশনের পর আর কোনো সমস্যা হয়নি। এটা সত্যি তিনি পেশাদার চিকিৎসক কিন্তু মন থেকেই আমাদের সার্ভিসটা দিয়েছেন। এটা অসাধারণ।’
ইয়াংও মাশরাফিকে অনেক দিন ধরেই দেখছেন কাছ থেকে। বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়কের ক্যারিয়ারে অবশ্য বিনয়ের সঙ্গে নিজের অবদানটা এড়িয়ে গেলেন, ‘মাশরাফি খুবই পেশাদার একজন অ্যাথলেট। তবে আমি মনে করি ওর ক্যারিয়ারে আমার অবদান এমন কিছুই নয়। ওর কয়েকটা চোটে সাহায্য করেছি কেবল। হাঁটুতে কিছু জটিল সমস্যা হয়েছিল তার। কিন্তু ওর নিবেদন এতোটাই বেশি, পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার পর ও দারুণভাবে সেটা সামাল দিয়েছে।’
মাশরাফির এমন বার বার চোটে পড়াটাও বিরল একটা ব্যাপার বলে মনে করছেন, ‘এরকম তো জীবনে একবারই হয়। আমি যা মনে করি মাশরাফি খুব ভালো মনের একজন মানুষ। সাধারণ মানুষের জন্য ওর মমতা একদম নিখাদ। বাংলাদেশ ওর মতো একজন মানুষকে নিয়ে গর্ব করতে পারে। দেশের দারুণ একজন দূত সে।’

এ জাতীয় আরও খবর

সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদা তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক

বদির পরিকল্পনাতেই একরাম হত্যা: চিফ প্রসিকিউটর

রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করল সরকার

কারাগারের নাম-আইনে বড় পরিবর্তন, বাড়ছে জনবল

কারাগারের নাম-আইনে বড় পরিবর্তন, বাড়ছে জনবল

বিশ্বকাপ শেষে প্রথমবার জনসমক্ষে মেসি

সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার দাবি হুথিদের

২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু সোমবার, যেতে পারবেন না যেসব ব্যক্তি

চাকরি নয়, উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান শিক্ষার্থীদের

দীর্ঘ প্রবাসে ডলি সায়ন্তনীর আবেগঘন বার্তা

গাজীপুর সিটির নতুন বাজেট ৫ হাজার ১০২ কোটি টাকা

বিদেশে ৮১ বাংলাদেশি মিশনে হবে ‘জুট কর্নার’