,

সাগরে ১০ জনকে হত্যার কারণ ‘এখনো অজানা’

news-image

কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজার শহরের নাজিরারটেক সমুদ্র উপকূলে টেনে আনা ডুবন্ত ট্রলার থেকে ১০ জনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। এতে চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

লাশ উদ্ধারের ৪৮ ঘণ্টার মাথায় প্রধান অভিযুক্তসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি ইউনিয়নের সাইরার ডেইল এলাকার বাইট্টা কামাল (৪৫) ও হোয়ানক ইউনিয়নের মোহরাকাটা গ্রামের নরুল করিম ওরফে করিম সিকদার মাঝি (৫৫)।

নিহতদের একজন ট্রলারমালিক শামশুল আলমের স্ত্রী রোকেয়া আকতার বাদী হয়ে আজ মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজার সদর থানায় মামলাটি করেন।

সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাহফুজুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, কী কারণে তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনো জানা সম্ভব হয়নি। গ্রেপ্তারদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সঠিক তথ্য বের হবে।

পুলিশ সুপার দাবি করেন, গ্রেপ্তাররা হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে—এর জবাবে তিনি বলেন, তা এখনো অজানা।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, তিনটি বিষয় সামনে রেখে জেলা পুলিশের পাঁচটি দল ওই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চালাচ্ছে। এ ঘটনায় নিহত শামসুল আলম মাঝির সঙ্গে পূর্বশত্রুতা, নিহতরা জেলে নাকি জলদস্যু, নাকি মাদকের লেনদেন নিয়ে তারা খুন হয়েছেন, সেগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ ক্ষতিগ্রস্ত ট্রলারমালিক নিহত সামশুল আলমের নামে হত্যা ও মাদকের পৃথক মামলা রয়েছে। তার সহযোগী হিসেবে পরিচিত খুন হওয়া নুরুল কবিরের নামেও অস্ত্র ও ডাকাতি প্রস্তুতির মামলার তথ্য মিলেছে।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, ভাসমান ট্রলারে অর্ধগলিত ১০টি লাশের রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ চলছে। উদ্ধার হওয়া লাশগুলোর পরিচয় শনাক্তে প্রথাগত পদ্ধতি ব্যবহার করে পুলিশ ছয়জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। লাশের দাবিদার স্বজনদের কাছে লাশগুলো হস্তান্তরও করা হয়েছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাকী চারটি লাশের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা চলছে। ওই চারজনের লাশ কক্সবাজার সদর হাসাপাতালের হিমাগারে রেখে ডিএনএ নমুনা ইতোমধ্যেই ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর পুলিশের অন্য ইউনিটের পাশাপাশি জেলা পুলিশের পাঁচটি বিশেষ চৌকস টিম প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। টানা ৪৮ ঘণ্টা অভিযানে সোর্স ও গণমাধ্যম থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই ও প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বাইট্টা কামাল ও করিম সিকদারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। তারা এজাহার নামীয় ১ নম্বর ও ৪ নম্বর আসামি।

মাহফুজুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে গ্রেপ্তার আসামিদের সংশ্লিষ্টতার সত্যতা গেছে। তাই তাদের আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড আবেদন করা হবে। জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত রোববার সকালে রশি দিয়ে ট্রলারটি টেনে কক্সবাজারের নাজিরারটেক মোহনায় নিয়ে আসেন স্থানীয় জেলেরা। খবর পেয়ে দুপুর ২টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে ১০ জনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস। লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। সেখান থেকে গতকাল ছয়জনের লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

ভোলাচং উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

হৃতিক-সাবাকে শুভেচ্ছা জানালেন সুজান

ইরানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি ট্রাম্পের

স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিলেন এমপি মিষ্টি

সেন্ট মার্টিনে রাত্রিযাপনের সুযোগ বাড়ছে, আসছে নতুন গাইডলাইন

তীব্র তাপপ্রবাহে গলছে সুইজারল্যান্ডের হিমবাহ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের শঙ্কা

শিক্ষা ও ক্রীড়ার উন্নয়নে নবীনগরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে এমপি আব্দুল মান্নানের মতবিনিময়

পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন নির্দেশনা

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ, তা সত্ত্বেও বেঁচে আছেন নারী

হুথিরা অরাজকতা বেছে নিয়েছে, নিরাপত্তায় ছাড় দেবে না সৌদি

মিরপুরে উচ্ছেদে ভাঙচুর-আগুন: ৪ মামলায় আসামি ১০০০

ন্যাটো-রাশিয়া উত্তেজনা, পরমাণু হামলার হুঁশিয়ারি মস্কোর