,

পিটার হাসের ঘটনায় সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

news-image

অনলাইন ডেস্ক : রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে উপপ্রধান মুখপাত্র ভেদান্ত প্যাটেল এক প্রশ্নোত্তরে বলেছেন, তারা বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র দপ্তরে ব্রিফিংয়ের সময় ভেদান্ত প্যাটেলকে প্রশ্ন করে এক সাংবাদিক। ওই সাংবাদিক প্রশ্ন করে বলেন, বাংলাদেশে নিয়োজিত রাষ্ট্রদূত পিটার হাস সাজেদুল ইসলাম নামের একজন ভুক্তভোগীর বাসায় গেলে সরকার সমর্থকদের বাধার মুখে পড়েন। এরপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দ্রুত সাক্ষাৎ করে উদ্বেগ জানান।

এছাড়া ওই সাংবাদিক তার প্রশ্নে আরও যোগ করেন, এটা দ্বিতীয় হামলা। প্রথম হামলা হয়েছিল রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটের ওপর। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?

উত্তরে উপপ্রধান মুখপাত্র বলেন, ‘নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসের কর্মকর্তারা একটি সভা আগেভাগে শেষ করেছেন। এ বিষয়ে আমরা আমাদের উদ্বেগের কথা বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে জানিয়েছি।’

মুখপাত্র আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তার মূল্যবোধের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির পূর্বশর্ত হিসেবে মানবাধিকারের বিষয়ে শ্রদ্ধাশীল। আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি মুখ্য বিষয় হিসেবে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে আমরা মানবাধিকারের প্রসঙ্গ তুলি। এ ছাড়া গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, নাগরিক সমাজের কথা বলার সুযোগ এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়গুরোও তোলা হয়।’

এর আগে, গত বুধবার ২০১৩ সালে নিখোঁজ হওয়া বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনের বাসায় গিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। সেখান থেকে বেরিয়ে আসার সময় বাসার বাইরে ‘মায়ের কান্না’ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে একদল লোক হট্টগোল করেন। নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তায় তিনি সেখান থেকে চলে যান।

এরপর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রদূত। এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে বলেন যে উনি এক বাসায় গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বাসার বাইরে বহু লোক ছিল। তারা তাঁকে কিছু একটা বলতে চাচ্ছিল। রাষ্ট্রদূতের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা লোকেরা তাঁকে তাড়াতাড়ি উক্ত স্থান থেকে চলে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তা না হলে লোকগুলো রাষ্ট্রদূতের গাড়ি ব্লক করে দেবে বলে তাঁকে বলা হয়। সেই নিরাপত্তা অনিশ্চয়তা থেকে তিনি তাড়াতাড়ি উক্ত স্থান ত্যাগ করেন, এবং এতে তিনি খুবই অসন্তুষ্ট হয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তিনি রাষ্ট্রদূতের কাছে জানতে চেয়েছেন দূত বা তাঁর লোকদের ওপর কেউ আক্রমণ করেছে কি-না? আক্রমণ হয়নি বলে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, তবে তার গাড়িতে সম্ভবত দাগ লেগেছে। তবে রাষ্ট্রদূত সে বিষয়ে নিশ্চিত নন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন, উক্ত বাসায় রাষ্ট্রদূতের যাওয়ার বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছুই জানতোনা। তাহলে, রাষ্ট্রদূত যে উক্ত বাসায় যাবেন, তা কে ফাঁস করল? এমন প্রশ্নে রাষ্ট্রদূত কিছু বলতে পারেননি বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

এদিকে, আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের নিরাপত্তা নিয়ে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা দুই দেশের সম্পর্কে কোনো প্রভাব ফেলবে না।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না