,

দুরবস্থার কথা কাউকে বলতে পারছি না, সইতেও পারছি না

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর গুলশানের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক পদে চাকরি করেন কামরুল হোসাইন জয়। থাকেন রাজধানীর শেওড়াপাড়ায়। মা-বাবা ও স্ত্রীকে নিয়ে তার সংসার। বেতন পান ৫০ হাজার টাকা। এর মধ্যে ২৫ হাজার টাকা বাসা ভাড়া, ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা যাতায়াত খরচ, পানি-বিদ্যুৎ ও অন্যান্য খাতে ৪ হাজার টাকাসহ মোট ৩০ হাজার ৫০০ টাকা খরচ। বাকি ১৯ হাজার টাকায় তিনি সংসার চালান।

জয় দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এক বছর ধরে বেতন একই জায়গায় আছে। কিন্তু বাজারে সবকিছুর দাম দ্বিগুণ-তিনগুণ হয়েছে। তিন কামরার বাসার জন্য পানির বিলসহ আগে ভাড়া দিতাম মাত্র ২০ হাজার টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। নতুন করে যুক্ত হয়েছে পানির বিল। অফিসে যাতায়াত ও অন্যান্য খরচের জন্য আগে খরচ হতো ২ হাজার টাকা। কিন্তু এখন সবকিছুর দাম বাড়ায় আরও ১ হাজার টাকা যোগ হয়েছে খরচের খাতায়।’

অল্প টাকায় সংসার চালানো নিয়ে তিনি বলেন, আগে মাসের মাছ, মাংস একবারে কিনে ফ্রিজে রেখে দিতাম। এখন ফ্রিজআপ করা তো দূরের কথা, নিয়মিত মাছ কিনতেই কষ্ট হয়ে যায়। অনেক সময় অফিস থেকে ফেরার পথে কম দামে কোন সবজি-মাছ পাওয়া যায় তার জন্য অপেক্ষা করি।

ইচ্ছা থাকলেও এত অল্প টাকায় পরিবারের চাহিদা পূরণের উপায় নেই জানিয়ে জয় বলেন, ‘এই অবস্থার কথা কাউকে বলতে পারছি না, সইতেও পারছি না। আমি তো কষ্ট করে চলতে পারছি। কিন্তু যারা ২০ হাজার টাকার কম রোজগার করেন, তারা কীভাবে চলেন তা ভাবতেই কষ্ট পাই।’

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না