,

খুলনায় সমাবেশ: ফেরার পথে ফের হামলার শঙ্কা

news-image

অনলাইন ডেস্ক : খুলনায় বিএনপির সমাবেশ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলোর হামলার মুখে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। শনিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে বিএনপির সমাবেশ শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সংগঠিত হয়ে ৩১টি ওয়ার্ডে অবস্থান নিয়েছে। নগরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়েছেন যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। কয়েকটি এলাকায় সশস্ত্র মহড়াও দিতে দেখা গেছে তাদের। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মারধর করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ইতোমধ্যে দুপুর ১২টার দিকে খুলনা রেলস্টেশন এলাকায় পুলিশ ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। নগরীর গোয়ালখালী এলাকায় রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করা হয় এবং এতে অন্তত তিন জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে তাদের সঙ্গীরা আহত নেতা-কর্মীদের নিয়েই সমাবেশস্থলে হাজির হন।

বিএনপির কার্যকরী পরিষদের সদস্য মিজানুর রহমান মিল্টন বলেন, ‘নগরীর ৯, ১৮ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন এবং তারা দুপুর ১টা থেকে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করে শতাধিক নেতা-কর্মীকে তারা আহত করেছেন।’

এসব হামলা ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের অবস্থান নেওয়ার খবরে আতঙ্কিত খুলনার বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বিএনপির নেতা-কর্মীরা।

মেহেরপুরের গাংনী থেকে আসা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘সমাবেশ শেষ করে মেহেরপুরের দিকে রওনা দিতে রাত হয়ে যাবে। আসার সময় কোনো বাস পাইনি। যেতেও হবে হয়তো ভেঙে ভেঙেই। এখন শুনছি বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সশস্ত্র অবস্থান নিয়েছেন। জীবন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারব কি না সেই আতঙ্কে আছি।’

মেহেরপুর থেকে ২২ জনের একটি দল নিয়ে সমাবেশে এসেছেন দেলোয়ার।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতারাও জানেন আমরা সমাবেশে এসেছি। তারাও সেখানে আমাদের টার্গেট করে রেখেছেন।’

একই আতঙ্ক প্রকাশ পায় খুলনার কয়রা থেকে আসা আবু বকরের কথাতেও। ৪টি মোটরসাইকেলে করে তারা ৮ জন সমাবেশে এসেছেন।

বকর বলেন, ‘আমাদের বাড়ি খুলনা শহর থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে। ফিরতে হবে পাইকগাছা দিয়ে। শুনেছি ওখানে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে অবস্থান করছে। তাই ভাবছি, রাতে আর যাব না। আগামীকাল দিনে রওনা দেবো। রাতে এদিকেই কোথাও হোটেল পেলে থাকব, নয়তো রাস্তাতেই কাটিয়ে দেবো।’

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না