,

ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিমের জামিন

news-image

আদালত প্রতিবেদক : মাদক মামলায় অনলাইন ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আমিরুল ইসলাম ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় এ জামিন মঞ্জুরের আদেশ দেন।

এদিকে আজ মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। ঘটনাস্থলের বাড়ির ম্যানেজার তাজুল ইসলাম ও দারোয়ান রাশেদ এদিন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আসামিপক্ষে আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম জামিন আবেদন ও সাক্ষীকে জেরা করেন।

এরআগে, মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধারের মামলায়ও সম্প্রতি জামিন পান সেলিম প্রধান। তবে এখনো আরও দুটি মামলায় জামিন না হওয়ায় কারামুক্ত হতে পারছেন না সেলিম প্রধান।

তার আরেক আইনজীবী খাজা গোলামুর রহমান জানান, সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে চারটি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে দুটি মামলায় তিনি জামিন পেলেন। দুদকসহ দুটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। এজন্য তিনি কারামুক্ত হতে পারছেন না। তবে তাকে কারামুক্ত করতে আমরা আইনী লড়াই চালিয়ে যাবো।

মাদক মামলাটি তদন্ত করে র‌্যাব-১ এর সাব-ইন্সপেক্টর (নি.) হারুন অর রশিদ সেলিম প্রধানসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। অপর দুই আসামি হলেন- তার সহযোগী আক্তারুজ্জামান ও রোমান। মামলায় গত বছরের ৫ জানুয়ারি তিন আসামির নামে চার্জগঠন করেন আদালত। মামলাটিতে এখন পর্যন্ত তিনজনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

সেলিম প্রধানকে ২০১৯ সালেল ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করে র‌্যাব-১। এরপর তার গুলশান, বনানীর বাসা ও অফিসে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নগদ ২৯ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে হরিণের চামড়া পাওয়া যায়। ওইদিনই সেলিম প্রধানকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান। পরদিন গুলশান থানায় তার নামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও মানিলন্ডারিং আইনে দুটি মামলা করে র‌্যাব। ওই মামলাগুলোয় তাকে কয়েক দফা রিমান্ডে নেওয়া হয়। এরপর তার নামে দুদক মামলা করে। ওই মামলায়ও তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

সেলিম প্রধানের সঙ্গে আর্থিক খাতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। তার জাপান-বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং অ্যান্ড পেপারসে বিভিন্ন ব্যাংকের চেক বই ছাপা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেট ও অফিসের নথিপত্রও ছাপানো হয়। তার এই প্রতিষ্ঠান রূপালী ব্যাংকের শীর্ষ ঋণখেলাপির একটি। ২০১৮ সালে ঋণটি পুনঃতফসিল করা হয়। সেলিমের কাছে ব্যাংকের পাওনা প্রায় ১০০ কোটি টাকা।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড