,

নাম বিভ্রাটে ছাড়া পেল ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি, বিয়ের আসর থেকে ফের গ্রেপ্তার

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : নামের বিভ্রাটের কারণে প্রথমে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল তাকে। পরে যাচাই করে গত শুক্রবার বিকেলে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বিয়ের আসর থেকে ফের তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক ওই আসামির নাম বাবু তালুকদার ওরফে রাসেল (৩৫)।

গতকাল শনিবার দুপুরে গ্রেপ্তার রাসেলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি তালুকদার উপজেলার আমরবুনিয়া গ্রামের আব্দুল খালেক তালুকদারের ছেলে।

থানা সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে সিলেটের একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয় রাসেলের (৩৫) নামে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঠবাড়িয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে পৌর শহরের বহেরাতলা এলাকা থেকে তাকে আটক করে থানা হাজতে রাখেন। পরে স্বজনরা স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহযোগিতা নিয়ে চালাকি করে রাসেলের নাম বাবু দেখিয়ে থানা পুলিশকে ভুল তথ্য দিয়ে শুক্রবার রাতে ছাড়িয়ে নেয়।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক তোলপাড় হলে পুলিশ যাচাই করে বুঝতে পারেন মো. বাবু তালুকদারের নামই রাসেল। পরে তাকে শুক্রবার বিকেল উপজেলার বড়শৌলা গ্রামের বিয়ের আসর থেকে ফের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

তুষখালী ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান হাওলাদার বলেন, ‘আমার ভাগ্নে রাসেল সম্প্রতি বিদেশ থেকে আসেন। শুক্রবার তার বিয়ের দিন ধার্য থাকায় আমি মানবিক কারণে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমাকে জানায়, তার (রাসেল) বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট আছে। পরে জানতে পারি, ধানীসাফা ইউপি চেয়ারম্যান প্রত্যয়ন দেওয়ায় আমার ভাগিনাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

ধানীসাফা ইউপি চেয়ারম্যান মো. হারুন তালুকদার জানান, এ ব্যক্তির দুটি নাম তার জানা ছিল না।

মঠবাড়িয়া থানার এসআই কামরুল ইসলাম জানান, ওই ব্যক্তিকে রাসেল নামে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু ধানীসাফা ইউপি চেয়ারম্যান প্রত্যয়ন দিয়েছেন ওই ব্যক্তি বাবু। নামে মিল না থাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে ওসি মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল বলেন, নামের বিভ্রাটের কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে যাচাই করে তাকেই শুক্রবার বিকেলে ফের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে শনিবার দুপুরে মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড