,

যানজটে রোজার বিকেলে ভোগান্তি চরমে

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। কাজের জন্য প্রায়ই বাইরে বের হতে হয়। একটা কাজ নিয়ে বের হলে আরেকটা কাজ আর করা যায় না। রোজার দিনগুলোতে বিকেল হলেই রাস্তায় যানজট বাড়ে কয়েকগুণ। জ্যামে আটকে থাকতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আধা ঘণ্টার পথ যেতে সময় লাগে দেড়-দুই ঘণ্টা। এভাবে আর কতদিন পারা যায়। মোহাম্মদপুরে যাবো, কখন পৌঁছাতে পারবো জানি না।

রাজধানীর পল্টন মোড়ে বাসের অপেক্ষায় চৈত্রের দুপুরে খররোদে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকা মো. শাহ নেওয়াজ নামের এক যাত্রীর সঙ্গে কথা হলে যানজটে প্রতিদিনের দুর্ভোগ নিয়ে এভাবেই আক্ষেপ প্রকাশ করেন তিনি।

রমজানের তৃতীয় দিন মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে ঘরমুখো মানুষের এমন অভিব্যক্তিই ওঠে আসে।

রোজার মাসে অফিস বা দিনের কাজ শেষে সবাই সময়মতো ঘরে ফিরতে চান। পরিবারের সঙ্গে অংশ নিতে চান ইফতারে। সেজন্য একটু তাড়াহুড়ো করেই কেউ রিকশা, কেউ সিএনজি অটোরিকশা বা রাইড শেয়ারিং পাঠাও আবার কেউ বাসে গন্তব্যের দিকে ছোটেন। কিন্তু এই ব্যস্ত শহরে ছুটে চলার সব গতিই যেন থমকে দাঁড়ায় যানজটের কবলে।

রাজধানীর জিপিও থেকে মহাখালী যাচ্ছিলেন ইজাজ আহমেদ। বাসের জন্য কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ওঠেন পাঠাওয়ে। এসময় কথা হলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, রাস্তাঘাটে প্রতিদিনই তীব্র জ্যাম। বাসে যাবো ভেবেছিলাম। কিন্তু দেখলাম, যে পরিমাণ জ্যাম বাসে গেলে পরিবারের সঙ্গে ইফতার করা হবে না। তাই বাড়তি টাকা খরচ করে পাঠাও নিলাম। যে জ্যাম, কিছু করার নেই।

একই পথে বাসের অপেক্ষায় থাকা অন্য যাত্রী ইলিয়াস মিয়া বলেন, রামপুরা যাবো, বাসে ওঠারই সুযোগ পাচ্ছি না। মোড়ে মোড়ে জ্যাম। সিগন্যালও রয়েছে। বাসায় ইফতার করতে পারবো কি না, জানি না।

জিপিও থেকে রাজধানীর মালিবাগে যাচ্ছিলেন পারভীন। বাস না পেয়ে রিকশার খোঁজ করা এ নারী জাগো নিউজকে বলেন, ছয়-সাতটি রিকশা ডাকলাম, কেউ যেতে চাচ্ছে না। বাসও পাচ্ছি না। খুব বিরক্তি লাগছে।

এদিকে ঢাকা শহরের বিভিন্ন সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি আর উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতিকেই অতিরিক্ত যানজটের কারণ মনে করছেন অনেকে। তারপরও বছরের ১২ মাস ভোগান্তি মাথায় নিয়েই ঘর ছাড়তে হয় নগরবাসীকে। রোজার দিনের বিকেলগুলোতে দুর্ভোগের এ মাত্রা পৌঁছে চরমে।

jagonews24

দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইফতারের জন্য সবারই বাসায় ফেরার তাড়া থাকে। রিকশা ও পথচারীদের রাস্তা পারাপারে অন্যান্য গাড়িগুলোকে চলতে হয় ধীরগতিতে। সিগন্যাল ছাড়লেও রিকশা ও পথচারীদের চাপে বাসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। তখনই জ্যামটা লাগে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না