,

আর কোনো নির্বাচনই পেছাবে না ইসি

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাকালে বেশ কিছু নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে করতে না পারায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ক্যালেন্ডারে জট লেগে গেছে। আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে সারাদেশের বেশিরভাগ পৌরসভার নির্বাচন আয়োজনে আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসি কার্যালয়ের সচিব মো. আলমগীর জানিয়েছেন, ইসি আর কোনো নির্বাচন পেছাতে চায় না।

রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও জানান, করোনাভাইরাস প্রকোপের কারণে কোনো নির্বাচন পেছাবে না। যখন যেই নির্বাচনের সময় আসবে তখনই তার আয়োজন করা হবে। পৌরসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে পৌরসভা নির্বাচন পেছানো হবে না- ইসি নীতিগতভাবে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরে এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে।

জানা গেছে, কমিশন সভার একাধিক বৈঠকে সারাদেশে পৌরসভা নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নিতে ইসি সচিবালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ওই নির্দেশনার আলোকে নির্বাচন উপযোগী পৌরসভার তালিকা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সংগ্রহ করেছে কমিশন। তবে শীতে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়বে- এমন আশঙ্কা জানিয়ে ওই সময় নির্বাচন না করতে কমিশনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন অনেক পৌরসভার মেয়র।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, কমিশনের নীতিগত সিদ্ধান্ত হচ্ছে, করোনার কারণে নির্বাচন পেছানো হবে না। যখন যেই নির্বাচন সামনে চলে আসবে, সেগুলো আগে করা হবে। পৌরসভা নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। ভোট জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারিতে হতে পারে। এর আগেপরেও হতে পারে। তিনি বলেন, করোনার কারণে এবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা কম। এইচএসসি পরীক্ষা হবে না। সবদিক বিবেচনা করে নির্বাচনের দিন-তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনের দিন সহিংসতায় একজন মারা যাওয়ার বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, ভোট কেন্দ্রের বাইরে নিজেদের আন্তঃকোন্দলের জের ধরে সহিংসতায় একজন মারা গেছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডে সরকার সমর্থক প্রার্থীর একচেটিয়া ভোট পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এ সংখ্যক ভোট পাওয়া স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক- এমন মন্তব্য করার মতো বিশেষজ্ঞ তিনি নন। তবে নির্বাচন নিয়ে রিটার্নিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার বা প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ না এলে নির্বাচন খারাপ হয়েছে তা কীভাবে বলা যায়।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ (আরপিও) সংশোধন প্রসঙ্গে ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, আরপিওর খসড়া সংশোধনী কমিশনারদের কাছে তোলা হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা অথবা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো নির্ভর করছে।

এ জাতীয় আরও খবর

পৌর চেয়ারম্যান থেকে রাষ্ট্রপতি: মির্জা ফখরুলের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

সুস্থ থাকুক আপনার হার্ট

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবারও কারাগারে ইমরান খান

পাঁচ পেসারই ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত, সঙ্গে দুই স্পিনার

আটা-তেল-চিনির দাম ঊর্ধ্বমুখী

মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

বিষাক্ত গ্যাসে সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে প্রাণ গেল আরও এক শ্রমিকের

‘আমরা খুব ভালো বন্ধু’

অল্প সময়ের ব্যবধানে মত বদলাল অস্ট্রেলিয়া, একাদশ ঘোষণায় চমক

সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন বাবুল মিয়া

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথ, আজ বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক

মাছ, মুরগি ও ডিমের দামে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা