,

পায়রা বন্দরের ডিটেইল মাস্টারপ্লান ও ডকুমেন্টস তৈরির কাজ এখনও শুরু হয়নি

news-image

ডিটেইল মাস্টারপ্লান ও ডকুমেন্টস ছাড়াই চলছে দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রার নির্মাণ কাজ। এ সম্পর্কিত কাজের আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে শূন্য শতাংশ এবং বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ২ শতাংশ।

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ প্রতিবেদনে জুলাই ২০১৫-২০২০ সালে বাস্তবায়নাধীন পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুবিধাদির উন্নয়ন (১ম সংশোধন) প্রকল্পের আওতায় ৬ হাজার ৫শ’ ৬২ দশমিক ২৭ একর ভূমি অধিগ্রহণের মাত্র ৪০ শতাংশ বাস্তব অগ্রগতি হলেও এর আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৫০ দশমিক ০৭ শতাংশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইতিমধ্যে ওয়ারহাউস নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের আর্থিক অগ্রগতি পুরোটা (৯৫%) না হলেও বাস্তব অগ্রগতি শতভাগ হয়েছে। সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৫০ শতাংশ হলেও আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৪৯ শতাংশ। ৭টি জাহাজ নির্মাণের বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে ৪৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৩৩ দশমিক ৮২ শতাংশ। অভ্যন্তরীণ নৌরুটে ড্রেজিং শতভাগ সম্পন্ন হলেও আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে ৯৭ ভাগ।

ভূমি অধিগ্রহণের জন্য ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত এ সম্পর্কিত কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। প্রতিবেদনে অবশ্য এ খাতে আর্থিক অগ্রগতি শূন্য শতাংশ এবং বাস্তব অগ্রগতি ৫ শতাংশ দেখানো হয়েছে।
এছাড়া প্রস্তাবিত কাজের মধ্যে পায়রা সমুদ্র বন্দরের প্রথম টার্মিনাল, সংযোগ সড়ক, আন্দারমানিক নদীর উপর সেতু ও আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্মাণ প্রকল্পটি এখনও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ৩ হাজার ৯শ’ ৮২ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে রামনাবাদ চ্যানেল সংলগ্ন এলাকায় টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পটির উপর গত ৮ জুলাই পিইসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বেশ কিছু সংশোধনের সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রকল্পটি সংশোধন করে গত ৬ আগস্ট পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে।