,

হজ সফরের মৃত্যুও সৌভাগ্যের বিষয়

news-image

আমরা কুরআন এবং হাদিসে অগণিত-অসংখ্য আমলের মর্যাদা বা সম্মানের কথা জেনে থাকি। আর এর প্রকাশ হচ্ছে দুনিয়াতে মানুষকে আল্লাহর কাজে বেশি বেশি এগিয়ে আসার এবং কুরআন-হাদিস মোতাবেক জীবন গঠন করার তাগিদও বটে।

চলছে হজের মৌসুম। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত হতে মুসলিম মিল্লাত হজে আসা শুরু করেছে। এই হজের সফরে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাঁর অনেক নেক বান্দাকে তাঁর দরবারে তুলে নেবেন। যারা আর স্ত্রী-পুত্র-ছেলে-সন্তান-আত্মীয়-স্বজনের কাছে ফিরে আসবে না। চলে যাবেন সবচেয়ে বেশি আপনজনের কাছে। হজের উদ্দেশ্যে যাওয়া হাজিদের মৃত্যুর ঘোষণা সম্পর্কে হাদিসে কী এসেছে তা পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

নামাজের জন্য যেমন নির্ধারিত সময় আছে, ঠিক তেমনি হজের জন্যও রয়েছে নির্ধারিত সময়। এ নির্ধারিত সময়ে হজ করার উদ্দেশ্যে যারা রওয়ানা হবে সেখানে মারা যাবে স্থানভেদে তাদের দাফন সেখানেই হবে। অর্থাৎ মক্কায় অবস্থানকালে মারা গেলে মক্কায় আর মদীনায় অবস্থানকালে মারা গেলে মদীনায় দাফন হবে। হজকালীন সময়ে মৃত ব্যক্তিকে তার দেশে ফেরত পাঠানোর হয় না। কারণ হজে গমণের পূর্বেই হজকালীন সময়ে মৃত্যুবরণ করলে দাফনের ঘোষণাপত্র নেয়া হয়ে থাকে। হজ গমনে মৃত ব্যক্তির জন্য রয়েছে মহান পুরস্কারের ঘোষণা। সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় হাশরের ময়দানে ওঠবে। হাদিসে এসেছে-

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, জনৈক হজ গমনরত ব্যক্তিকে ইহরাম অবস্থায় তার সওয়ারি ভূপাতিতের কারণে তার মৃত্যু হয়। তখন রাসূল সা. ইরশাদ করেন, তোমরা তাকে বরই পাতার পানি দ্বারা গোসল দাও এবং তার ইহরামের দুই কাপড় দিয়েই তাকে কাফন পরাও। তবে তার মাথা ও চেহারা না ঢেকে উম্মুক্ত রাখ। কেননা, কিয়ামত দিবসে সে তালবিয়া পাঠরত অবস্থায় উত্থিত হবে। (মুসলিম)

তাছাড়া অনেক হাজির আবেদন এমন শুনেছি যে, হে আল্লাহ! আমার মৃত্যুটি যেন মক্কায় বা মদীনায় হয়। আমি যেন মদীনার জান্নাতুল বাকীতে বা মক্কার জান্নাতুল মোয়াল্লায় শেষ শয়ন করতে পারি। আল্লাহ অনেকের আবেদন মঞ্জুর করেন। আর মৃত্যুর জন্য প্রত্যেক হজে গমণকারীই মানসিকভাবে প্রস্তত থাকেন। এবং ইহরামের কাপড় পরিধান করে এর স্বীকৃতিও দিয়ে থাকেন। এভাবে হজের সফরে বেরিয়ে মারা গেলে তার আমলনামায় হজের সওয়াব লেখা হয়।

অন্যত্র এসেছে- হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি রাসূল সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি হজের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর মারা যাবে, সে ব্যক্তির জন্য কিয়ামত পর্যন্ত হজের সাওয়াব লেখা হতে থাকবে। আবার যে ব্যক্তি ওমরার উদ্দেশ্যে বের হয়ে মারা যাবে, তার জন্য কিয়ামত পর্যন্ত ওমরার সাওয়াব লেখা হতে থাকবে।’ (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব)

প্রতিটি মুমিন জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যই থাকে আল্লাহ নৈকট্য অর্জন করে পরকালের মুক্তি। তাই হজ বা ওমরা করতে গিয়ে যদি কেউ ইন্তেকাল করে তাহলে এটি তার সৌভাগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। এর মধ্য দিয়ে আখেরাতে তিনি লাভ করবেন মহাসফলতা।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর