রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মনে পড়ে কি সেই দিনগুলোর কথা ?

news-image

কুষ্টিয়ায় একটি মানহানি মামলায় জামিন নিতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। এই মাহমুদুর রহমান ই তো কাবা শরীফের গিলাব নিয়ে মিথ্যাচার করেছিল। আর মার খাওয়ার পর এই ব্যাটাই কোর্টের মধ্যে দাঁড়িয়ে বলছে আমি ইসলামের জন্য জীবন দিয়ে দেব, কি প্রচন্ড প্রতারক হ্যাঁ !!! হায়রে তোমরা এই মিথ্যাবাদীকে ইসলামের ঢাল বানাচ্ছো আর তোমরা তা দেখছ ‍!!!

মনে পড়ে কি, ২০০১-২০০৬ কিভাবে এই বাংলাদেশ জঙ্গীবাদের বিষবাস্পে নিমজ্জিত হয়ে গিয়েছিল। গ্রেনেড তখন খেলার সামগ্রী ছিল। আওয়ামী লীগ মানেই ছিল গ্রেনেড মেরে উড়িয়ে দেবার অথবা জবাই করে ফেলে রাখার বস্তু।

কিন্তু সেই সন্ত্রাস শুধুই যে আওয়ামী লীগের উপর ছিল তা নয়! সেই উদ্দেশ্যমূলক সন্ত্রাস ও হত্যাজজ্ঞ ছিল সাংস্কৃতিক ব্যাক্তি, লেখক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীদের উপর। সেই উদ্দেশ্যমূলক হত্যার নির্মম ছোবল থেকে রক্ষা পাননি বিশিষ্ট লেখক, কবি, শিক্ষক ড. হুমায়ুন আজাদ।

২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমীর অমর একুশে বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীরা নির্মম পাশবিক হামলা চালায়। প্রাথমিকভাবে কিছুটা সুস্থ হলেও, সেই ধকল আসলে তিনি বইতে পারেন নাই। সুদূর জার্মানির মিউনিখে তিনি রহস্যজনকভাবে মারা যান। এই যে বাংলাদেশ মনে পড়ে কি সেদিনগুলোর কথা ?

লেখক: সহ-সভাপতি, নাটোর জেলা ছাত্রলীগ ( ফেসবুক থেকে সংগ্রহিত….  ২৩ জুলাই, ২০১৮ )

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বকাপ শেষে প্রথমবার জনসমক্ষে মেসি

সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার দাবি হুথিদের

২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু সোমবার, যেতে পারবেন না যেসব ব্যক্তি

চাকরি নয়, উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান শিক্ষার্থীদের

দীর্ঘ প্রবাসে ডলি সায়ন্তনীর আবেগঘন বার্তা

গাজীপুর সিটির নতুন বাজেট ৫ হাজার ১০২ কোটি টাকা

বিদেশে ৮১ বাংলাদেশি মিশনে হবে ‘জুট কর্নার’

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে যাবে ইসি

বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

জেলা-উপজেলায় হচ্ছে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’

প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ