,

আঙ্কটাড প্রতিবেদন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে মোজাম্বিকের পেছনে বাংলাদেশ

news-image

স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে মিয়ানমার, ইথিওপিয়া, কম্বোডিয়া ও মোজাম্বিক থেকে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার প্রকাশিত জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের ওয়ার্ল্ড ইনভেস্টমেন্ট রিপোর্ট-২০১৮-এর প্রতিবেদনে এ চিত্র পাওয়া গেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাপী সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) কমেছে ২৩ শতাংশ। এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোয় বিদেশী বিনিয়োগের প্রবাহ কমেছে ১৭ শতাংশ। আর বাংলাদেশে এফডিআই কমেছে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। এ সময় বাংলাদেশে এফডিআই এসেছে ২১৫ কোটি ডলার, যা আগের বছর ছিল ২৩৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে বিশ্বব্যাপী এফডিআই-প্রবাহ ছিল ১ দশমিক ৪৩ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০১৬ সালে তা ছিল ১ দশমিক ৭৫ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি বিদেশী বিনিয়োগপ্রবাহ গেছে যুক্তরাষ্ট্রে, যার পরিমাণ ২৭৫ বিলিয়ন ডলার। আর দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীনে এফডিআই ছিল ১৩৬ বিলিয়ন ডলার। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি এফডিআই পেয়েছে ভারত। এ সময় দেশটিতে এসেছে ৩ হাজার ৯৯১ কোটি ৬০ লাখ ডলার। পাকিস্তানে এফডিআই-প্রবাহ ছিল ২৮০ কোটি ডলার।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় রয়েছে কাঠামোগত দুর্বলতা। তুলনামূলক ছোট অর্থনীতির দেশ হিসেবে রয়েছে বিনিয়োগ ঝুঁকিও। তার পরও স্বল্পোন্নত দেশে নতুন বিনিয়োগ হচ্ছে। স্বল্পোন্নত দেশে এফডিআই-প্রবাহ এসেছে এমন শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে আছে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশে এফডিআই-প্রবাহ সবচেয়ে কম। সবচেয়ে বেশি এসেছে মিয়ানমারে ৪৩০ কোটি ডলার। ইথিওপিয়ায় এসেছে ৩৬০ কোটি ডলার, কম্বোডিয়ায় ২৮০ কোটি ডলার ও মোজাম্বিকে ২৩০ কোটি ডলার। এ হিসাবে ২০১৭ সালে এফডিআই-প্রবাহ বিবেচনায় স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে পঞ্চম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

এ প্রসঙ্গে পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, আমরা আশা করছিলাম বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নতি হবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটা আর সম্ভব হচ্ছে না। তবে অনেকগুলো উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো উদ্যোগই এখনো ভালো ফল দিচ্ছে না।

পরিবেশের যে উন্নয়ন, এক্ষেত্রে যেমন বিদ্যুৎ সংযোগে উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এলএনজি এলে পরিস্থিতির আরো উন্নতি হবে। তবে বড় করে যেটা বলা হচ্ছিল, সেটা হলো ওয়ান স্টপ সার্ভিস ফ্যাসিলিটি। এখন পর্যন্ত শুধু কাজই চলছে । কিন্তু সেই কাজ আর শেষ হচ্ছে না। মোদ্দাকথা, ওয়ান স্টপ সার্ভিস এখনো কার্যকর না। এ বিষয়ে সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। এ বিষয়গুলোই বিনিয়োগে উন্নতির মূল স্তম্ভ। এগুলোয় উন্নতি না করতে পারলে অনেক দুর্বল দেশের চেয়ে পিছিয়ে পড়াটাই স্বাভাবিক। তবে চলমান কার্যক্রমগুলোর প্রেক্ষাপটে আগামীতে কিছুটা উন্নতির আশা করা যায়।

বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নতির আশা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘও। তাদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ, নেপাল ও ফিলিপাইনে আগামীতে এফডিআই-প্রবাহ বাড়বে। তার বেশির ভাগই হবে আঞ্চলিক বিনিয়োগ। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট দেশসহ আঞ্চলিকভাবে বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর