,

শরীরের যাকাত রোজা

news-image

রমজানুল মোবারকের পুরোটা মাস আমাদের উপর রোজার জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, “তোমাদের মধ্যে যে এই মাসটি প্রত্যক্ষ করবে সে অবশ্যই এ মাসে রোজা পালন করবে”। মাহে রমজানের শ্রেষ্ঠত্ব এবং বরকত পূর্ণ মর্যাদা এখানেই। এই মাস পবিত্র কোরআন নাযিলের মাস, এই মাস হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম কদরের রাতকে ধারণ করে আছে। সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মতের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ দান এ মাস। পবিত্র রমজানের ইবাদত আল্লাহর কাছে মকবুল ইবাদত রূপে গণ্য। এই পবিত্র মাসের ইবাদত বিশেষ করে রমজানের রোজা হল বান্দার জন্য আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের সেতু বন্ধন। হাদীস শরীফে এসেছে ‘রোজা আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার ঢাল বিশেষ” এই আগুন আল্লাহর মহাক্রোধের আগুন দোজখ নামক ভয়াবহ নিকৃষ্টতম যন্ত্রণার আগুন, রোজাদারদের রোজা ভয়াল এই আগুনের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করে। আমাদের উপর ফরজকৃত রমজানের রোজাকে পরিপূর্ণ আদব ও খালিছ ইবাদতের পূর্ণ হকসহ আদায় করতে হবে। হাদীস শরীফে রোজাকে বলা হয়েছে “শরীরের যাকাত” এবং “রোজা ধৈর্যের অর্ধেক এবং ধৈর্যের প্রতিদান জান্নাত” আর রোজা ঢাল মানে আল্লাহর আজাব থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়” আমাদের মনে রাখতে হবে কেবল পানাহার এবং স্ত্রীসম্ভোগ থেকে মুক্ত থাকার নামই রোজা নয়, রোজা প্রবর্তন করা হয়েছে খানাপিনা, স্ত্রীসম্ভোগ এবং একই সাথে সর্ব প্রকার হারাম, নাজায়েয কর্ম হতে বিরত থাকার জন্য। রোজাদারের কর্তব্য হল, স্বীয় চোখ, কান অথবা রসনা দ্বারা কাউকে কষ্ট না দেয়া, পবিত্র রমজান ইবাদত ও সন্তুষ্টির মাস। রমজানে রোজাদার, রমজানের নামাজি, ইবাদতকারী, কোরআন তেলাওয়াতকারী বান্দার প্রতি আল্লাহ খোশ খবর প্রদান করেন। তাদের আল্লাহর রহমত এবং সন্তুষ্টির সু-সংবাদ দেন। তাদের জন্য চিরসুখের জান্নাত এবং স্থায়ী অবিনাশী নিয়ামত রাজির ঘোষণা দেন। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “রমজান মাসে আল্লাহ আমার উম্মতকে পাঁচটি জিনিস দান করেছেন যা ইতিপূর্বে কোন নবীকে দান করা হয়নি। প্রথমটি হল; যখন রমজান মাসের প্রথম রাত আসে, আল্লাহ এ উম্মতের প্রতি নজর করেন। আর যার প্রতি আল্লাহ দৃষ্টি নিক্ষেপ করেন তাকে কখনো আজাবে প্রবিষ্ট করবেন না। দ্বিতীয়টি হল; রোজাদাররা যখন শেষ বেলায় উপনীত হয়, তাদের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট মৃগনাভী-কস্তুরী অপেক্ষা অধিক প্রিয় মনে হয়। তৃতীয়টি হল; ফেরেশতারা তাদের জন্য দিনরাত দোয়া করতে থাকেন। চতুর্থটি হল; আল্লাহ তায়ালা জান্নাত কে নির্দেশ দিয়ে বলেন, প্রস্তুতি নাও, সজ্জিত হও আমার বান্দাদের জন্য। অচিরেই তারা দুনিয়ার ক্লেশ হতে মুক্ত হয়ে আমার ঘরে আমার সম্মানের পাদদেশে আরাম করার জন্য আসবে। আর পঞ্চমটি হল; যখন রমজানের শেষ রাত হয় তখন সকলকে আল্লাহ তায়ালা মাফ করে দেন। উপস্থিত লোকজনের মধ্য হতে একজন বলল; তা কি কদরের রাত? রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, না, দেখ না শ্রমিকের ব্যাপারে? তারা কাজ করে যখন কাজ সমাপ্ত করে তখন তাদের পূর্ণ পারিশ্রমিক প্রদান করা হয়”।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর