,

তিস্তায় নীরব হাসিনা, মোদি চুপ রোহিঙ্গায়

news-image

বিশ্বকবি রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতনে গত শুক্রবার এক মঞ্চেই চার ঘণ্টা উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু শেষ পর‌্যন্ত নীরবতাই যেন প্রবল হয়ে বাজল। একদিকে শেখ হাসিনা তিস্তা নিয়ে সরাসরি কোনো কথা বলেননি, অন্যদিকে মোদির মুখেও ছিল না রোহিঙ্গা ইস্যু।

গতকাল শনিবার ভারতের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

তে বলা হয়, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে তিস্তার পানিবণ্টন ইস্যু আজও অমীমাংসিত।  তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ক্ষেত্রে বড় অন্তরায়। উত্তরবঙ্গের নদী থেকে বাংলাদেশ আরও বেশি পানি চায়। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিতে অনিচ্ছুক। তাঁর মতে, বাংলাদেশকে পানি দিলে পশ্চিমবঙ্গের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশকে তিস্তার পানিবণ্টন সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা পূরণে এখন পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছেন।

পশ্চিবঙ্গের বীরভূম জেলার শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমান এবং দুই মহান কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, আমাদের দুই দেশের মধ্যে বহু সমস্যার সমাধান হয়েছে। দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্প্রতি স্থলসীমানা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। তবে কিছু সমস্যা এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে, আমি সেসব বিষয় তুলে এই সুন্দর অনুষ্ঠানকে ম্লান করতে চাই না। কোনো শব্দ উচ্চারণ না করেই বার্তা দেওয়ার একটি দারুণ উদাহরণ এটি। ‘তিস্তা’ শব্দটি উচ্চারণ না করেও তিস্তার পানিবণ্টন ইস্যুটি তুলেছেন শেখ হাসিনা। তবে রোহিঙ্গা শব্দটি বার বার এসেছে তার মুখে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশের ১৬ কোটি জনসংখ্যার সঙ্গে ১১ লাখ রোহিঙ্গাও আছে। তারা যখন এসেছিল, আমরা ভেবেছিলাম আমাদের নিজেদের প্লেটের খাবার ভাগ করে হলেও তাদের আশ্রয় দিতে হবে।  আমরা তাদের দ্রুত প্রত্যাবাসন চাই। মিয়ানমারকে অবশ্যই রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে ভাবতে হবে।

শেখ হাসিনার আগে বক্তব্য দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হিন্দু-মুসলিম সাম্য নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা থেকে উদ্বৃত করেছেন তিনি। তবে তিস্তা নিয়ে কোনো কথাই বলেননি।

অপরদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিস্তা, রোহিঙ্গা – কোনো ইস্যু নিয়েই কথা বলেননি। তিনি বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্য শেখ হাসিনার । এই লক্ষ্য অর্জনে তাঁকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা করবে ভারত।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর