,

দুই সিটিতে আ.লীগ কর্মীদের বৈধ ও অবৈধ অস্ত্রের মজুদ: রিজভী

news-image

দুই সিটিতে আওয়ামী লীগের কর্মীদের হাতে হাতে বৈধ ও অবৈধ অস্ত্রের মজুদ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর বৈধ অস্ত্র জমা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের আইনগতভাবে বাধ্যবাধকতা থাকলেও ইসি তা করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে একদিকে ক্ষমতাসীনদের হাতে হাতে অস্ত্র অন্যদিকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নিপীড়ন। এই সাঁড়াশি আক্রমনের মধ্যে দুই সিটিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও ভীতিমুক্ত পরিবেশে নির্বাচন দিনকে দিন ভয়াল রুপ ধারণ করছে।

রোববার (০৬ মে) নয়াপল্টনস্থ দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, বিএনপি’র সক্রিয় কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ডিবি পুলিশ হুমকি ধামকি দিচ্ছে। যদি বিএনপি কর্মীরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয় তাহলে গ্রেফতার করা, ক্রসফায়ারে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয়া হচ্ছে। এই অনাচারগুলোর জন্য দায়ী এসপি হারুন। আমি এই গ্রেফতার ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হুমকি-ধামকির ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে গ্রেফতারকৃতদের নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি করছি।

নির্বাচন কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, মেরুদন্ডহীন প্রাণীর চরিত্রে অভিনয় করবেন না। আপনাদের আচরণে মনে হয়-আপনাদেরকে অদৃশ্য সরকারী গুন্ডামীর ভয় আপনাদেরকে তাড়া করছে। আপনারা সাহসিকতার সাথে সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করুন। অবিলম্বে গাজীপুরের এসপি হারুন এবং খুলনার পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবিরকে প্রত্যাহার করুন। নইলে উক্ত দুই সিটি কর্পোরেশনে ইলেকশন হবে না, ভোটের দিন সিলেকশন হবে। অবাধ, সুষ্ঠু ও ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে দুই সিটিতে সেনা মোতায়েন করুন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের পতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী সাধারণ সম্পাদকের মস্তিস্কে আঁধার নেমেছে বলেই লাগামছাড়া বক্তব্য দিচ্ছেন। শুধু পাহাড় কেন দেশের সকল জনপদে রক্তপাতের জন্য দায়ী আওয়ামী লীগ। কারণ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হাতে বৈধ-অবৈধ অস্ত্রের ছড়াছড়ি। তারাই হাজার হাজার অস্ত্রের লাইসেন্স দিয়েছে এবং বেআইনী অস্ত্র মজুদ রাখার অধিকার দিয়েছে দলীয় সন্ত্রাসীদের। আর এসমস্ত মজুদকৃত অস্ত্রের পাহারাদার হিসেবে রাখা হয়েছে

গাজীপুরের এসপি হারুনুর রশীদের মতো পুলিশ কর্মকর্তাদের। পাহাড়ে আওয়ামী লীগের লালিত সন্ত্রাসীরাই রক্তাক্ত ঘটনা ঘটাচ্ছে। আওয়ামী লীগ দেশব্যাপী নিজেরাই নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত। পার্বত্য অঞ্চলের সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোকে মদদ দিয়ে আওয়ামী লীগ গোটা পাহাড়ে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছে। বর্তমান আওয়ামী যুগে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী শাসকদের চোখের ইঙ্গিতে নড়াচড়া করে বলেই দেশব্যাপী রক্তাক্ত সহিংসতার এতো ভয়ানক তান্ডব। পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে শেখ হাসিনার দেশবিরোধী নীতির কারনেই পাহাড়ে রক্ত ঝরছে। এর জন্য সম্পূর্ণ দায়ী আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী।

এ জাতীয় আরও খবর

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি, গার্ড অব অনারে বরণ

নতুন নিষেধাজ্ঞার হুমকিতে তেহরানের ক্ষোভ

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা