শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লেপ-তোষকের কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন

news-image
তৌহিদুর রহমান নিটল,ব্রাহ্মণবাড়িয়া : বাংলাদেশের কয়েকটি জেলার মর্ধ্যে খোলামেলা প্রকৃতি বৈশিষ্ট্য ঘেরা এই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা। পার্শ্ববর্তী সিলেট বিভাগ ও জেলার কয়েকটি উপজেলা ভারতের সীমান্তবর্তী ঘাঁডাশা হওয়ায় এখানে শীতের তীব্রতা অনেকটাই বেশি।পৌষ মাসের প্রকৃতির  হিমেল হাওয়া আর ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির বিন্দু প্রতিনিয়ত জানান দিচ্ছে শীতের  তীব্রতা। আর শীত নিবারণের প্রস্তুতি হিসেবে গরম কাপড় কেনার পাশাপাশি লেপ-তোষক চাহিদা এই অঞ্চলে অনেক বেশি।
আর শীতের এই তীব্রতা থেকে বাচঁতে প্রতিটি পরিবারের  মৌসুমে এই সময় লেপ-তোষকের বিশেষ প্রয়োজন।আর এই চাহিদার যোগান দিতে গিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এখন চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন লেপ-তোষকের কারিগররা। তারা এখন মহা ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঠিক সময়ে খাওয়া-দাওয়া ও ঘুম হারাম দিনে রাতে বুনছেন শীতের পরশ কোমল লেপ-তোষক।

জেলা শহরের লাখী বাজার, সড়ক বাজার, সিনেমা হল সড়ক, ঘোড়া পট্রি কাজীপাড়া  সড়ক, মৌড়াইল ও কাউতলী এরকম বেশ কয়েকটি স্হানে প্রায় অর্ধ-শতাধিক দোকান  সকাল থেকে রাত পর্যন্ত লেপ-তোষক বানাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগররা। এসব দোকান দারদের বেশিরভাগ মালিকদের রয়েছে  নিজেদের মাল তৈরীর গোডাউন।  বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে চাহিদার বেশি থাকায় প্রায় সব দোকানদারের শীত মৌসুমে বিক্রি কয়েক গুন বেড়ে যায় বলে জানা গেছে।

কথা হয় কয়েকজন দোকান মালিকের সাথে তারা বলেন, মাঝারি ধরনের একটি লেপ বানাতে খরচ হয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকা।বড় মাপের, ৪/৫হাতের একটি ভাল লেপ বানাতে আড়াই থেকে চারহাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। বর্তমানে বাজারে প্রতিকেজি শিমুল তুলা চারশত থেকে ছয়শত, কার্পাস তুলা প্রতিকেজি আড়াই’শ থেকে সাড়ে তিন’শত টাকা, গার্মেন্টসের সাদা তুলা প্রতিকেজি  একশত টাকা থেকে দেড়শত টাকায়  আর কালো তুলা প্রতিকেজি সওর থেকে নব্বই টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কারিগরদের মজুরি ছয়শত টাকা থেকে পনেরশত টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ রয়েছে ক্ষেএ বিশেষে।  এই মৌসুমে প্রতিদিন বড় দোকানগুলোতে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বিক্রি হয়। দেশের  বিভিন্ন স্থান থেকে লেপ তোষক তৈরির তুলা কিনে আনা হয়। তবে কম্বল বের হওয়ায় লেপের চাহিদা কিছুটা কমে গেছে বলেও জানান ব্যবসায়ীরা। অপরদিকে তুলা ও কাপড়সহ অন্যান্য উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় লাভ কম হচ্ছে জানায় তারা।

মেসার্স ভূইয়া বেডের মালিক বলেন, “আমরা অনেক কষ্ট করে এই ব্যবসা টিকিয়ে রেখেছি। এই ব্যবসায় এখনও আর আগের মত লাভ নাই। এর পরেও সরকারের পক্ষ থেকে কখন আমাদের কোন অর্থিক সাহায্য দেয়া হয়নি।”

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা