,

স্বেচ্ছাসবক লীগ সভাপতিকে বাচাঁতে ধর্ষণ মামলার এজাহার পরিবর্তন

repলামা প্রতিনিধি : বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসবক লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য মোহাম্মদ হোসেন মামুনকে বাঁচাতে ধর্ষণ মামলার এজাহার পরিবর্তন করে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে নবম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে স্থানীয় ইউপি মেম্বারের সহযোগিতায় অপরহণ করে তুলে নিয়ে জিম্মি করে ৪ দিন ধরে ধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে ইউপি সদস্য মোহাম্মদ হোসেন মামুনসহ ৪ জনকে আসামি করে লামা থানায় এজাহার দায়ের করে।

এজাহারটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করতে বিলম্ব করা হয় এবং বিভিন্ন মহল থেকে চাপ প্রয়োগ করে এজাহার পরিবর্তন করে পুনরায় আরেকটি এজাহার নেয়া হয়। এই প্রতিবেদকের নিকট উভয় এজাহারের কপি রয়েছে। ইতিমধ্যে নির্যাতিতা স্কুল ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

রবিবার লামা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২২ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। থানা পুলিশ ইউপি সদস্য মোহাম্মদ হোসেন মামুনকে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ থেকে রক্ষা করার জন্য জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রবিবার সারাদিন মোহাম্মদ হোসেন মামুন মোটর সাইকেলযোগে থানায় গমন করেছে এবং ফাঁসিয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের গমন করে মেয়েটিকে স্কুলে উপস্থিতি দেখানোর জন্য হাজিরা খাতা রেজিস্ট্রার লিপিবদ্ধ নিশ্চিত করেছে।

এদিকে ধর্ষণ মামলাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য ইউপি সদস্য মোহাম্মদ হোসেন মামুন জোর প্রচেষ্টা ও প্রভাব বিস্তার অব্যাহত রেখেছে। গত ১২ নভেম্বর স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার হলেও তাকে সেদিন ফাঁসিয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীর হাজিরা খাতায় উপস্থিত দেখানো হয়েছে। ধর্ষিতার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে মোহাম্মদ হোসেন মামুন এলাকায় প্রভাবশালী। তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাকে চরম মূল্য দিতে হয়। ধর্ষক আব্দুল্লাহ আল নোমান নয়ন ইউপি সদস্য মোহাম্মদ হোসেন মামুনের একজন ক্যাডার। মেয়েটিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় মোহাম্মদ হোসেন মামুন উপস্থিত ছিলেন। তার সামনে দিয়ে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হলেও মেম্বার হিসেবে তিনি তাকে বাধা দেননি বলে অভিযোগ।

ধর্ষণ মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক জায়েদ নূরকে তার মোবাইল নাম্বারে (০১৮৭৯-৭৫১৯৫৫) রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৪ মিনিটে ফোন করলে তার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

উল্লেখ্য যে, গত ১২ নভেম্বর শনিবার সকালে ফাঁসিয়াখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে নাছির মাস্টারের ছেলে আব্দুল্লাহ আল নোমান নয়ন (২০) একা পেয়ে ছুরির ভয় দেখিয়ে মেয়েটিকে পাহাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে জোর করে তাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করে। রাতে মেয়েটির জ্ঞান ফিরে আসলে ধর্ষক নয়ন মেয়েটিকে জোর করে বগাইছড়িস্থ তার বাড়িতে নিয়ে যায়। নয়ন বাড়িতে স্কুলছাত্রীকে ২দিন ধরে আটক রেখে আবারও ধর্ষণ করে। এরপর মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৯টায় পাগলীর আগা এলাকার ডালডা বাগানে মেয়েটিকে ফেলে রেখে যায়। বাগানের ম্যানাজার মোতাহের হোসেন মেয়েটিকে দেখতে পেয়ে তার বাবা মাকে খবর দেন। বাবা-মা আসতে বিলম্ব হওয়ায় বুধবার সকালে বাগান ম্যানাজার স্থানীয় ভিডিপি জাফর আলমের মাধ্যমে ছাত্রীকে তার মা-বাবার কাছে পৌঁছে দেন। বিডি প্রতিদিন

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে