,

ক্যাম্পাসে পহেলা বৈশাখ

7710ক্যাম্পাস প্রতিবেদক : আইল আইল আইল রে… রঙে ভরা বৈশাখ আবার আইলরে ! ষড়ঋতুর এই ওপার নীলিমা বাংলার ঘরে ঘরে, বছর-ঘুরে আবার এলো পহেলা বৈশাখ।

১৫৫৬ সালে বাংলা সালের প্রবর্তন হয়েছিল। মোগল সম্রাট জালালউদ্দীন মোহাম্মদ আকবরের সিংহাসনে আরোহণকে স্মরণীয় করে রাখতে তার রাজস্ব কর্মকর্তা আমির ফতেহউল্লাহ সিরাজী প্রথম ১৫৫৬ সালে উৎসব হিসেবে বৈশাখকে পালন করার নির্দেশ দেন।

এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে এসে বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নিতে চারদিকে শুরু হয়ে গেছে হইচই। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নেই কোন অংশে পিছিয়ে। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগ থেকে পড়াশুনা শেষ করে সেখানেই টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন মনির হোসেন। তার ভাষায়, পুরাতনের সঙ্গে নতুনের যে যোগাযোগ পহেলা বৈশাখ তারই প্রমান। বৈশাখের ভোরের হাওয়া মনের চিরন্তন রূপের বর্ণালী রূপ ছড়ায়। নতুন দিনের প্রভাত নতুনের বাণী শুনিয়ে হৃদয়ে স্নিগ্ধতার স্পন্দন জাগায়। প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ের আকুতি থাকে, আসুক বৈশাখ, নতুনের বাণী শুনিয়ে তাদের হৃদয়কেও সোচ্চার করে তুলুক। তাই বাংলার মানুষ হৃদয়ের অমৃত বাণী দিয়ে পহেলা বৈশাখকে বরণ করে সুরেলা কণ্ঠে বলে, ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো…….’।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সাংস্কৃতিক রাজধানী বলা হয় জাহাঙ্গীরনগরকে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী মাটি সিদ্দিকী বলেন, ‘বাঙালির প্রাণের এ উৎসবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকবে নানা আয়োজন। আলাদাভাবে প্রায় প্রতিটি বিভাগ ব্যস্ত থাকবে নিজস্ব কর্মযজ্ঞ নিয়ে। বিশেষ করে বাংলা, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব, নৃবিজ্ঞান, উদ্ভিদ বিজ্ঞান, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান, সরকার ও রাজনীতি, প্রত্নতত্ত্ব ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের আয়োজন থাকে ভিন্ন মেজাজের। এখানে এলে বোঝা যায় একদিনের জন্য হলেও কতখানি বাঙালি হওয়া সম্ভব’।

ক্যাম্পাসে নববর্ষ উদযাপনের কথা বলতে গেলে সবার আগে আসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সাখওয়াত আল আমিন জানান, নববর্ষের প্রথম প্রহরে চারুকলা অনুষদ থেকে বের করা হবে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’। গত বেশ কয়েকদিন নবীন-প্রবীণ শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকরা দিনরাত স্বতঃস্ফূর্ত পরিশ্রম করে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন। চারুকলা অনুষদের মূল ফটক দিয়ে ভেতরে ঢুকলে নজরে পড়বে—যার যার ওপর অর্পিত কাজ নিয়ে সবাই ব্যস্ত। কেউ করেছেন সরায় রঙ, কেউ ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলেছেন চিত্র। এগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে চিরায়ত গ্রামবাংলার উপাদান ঢেঁকি, কুলা, মাছের কাঁটা, বাঘের প্রকৃতিসহ নানা উপাদান। মূল চত্বরে অনেকেই বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ছিলেন মহা ব্যস্ত। বিশাল আকৃতির সাম্পানের কাঠামো, টাট্টু ঘোড়া, কাগজের মণ্ড দিয়ে মুখোশ এবং বাঁশ-বেত দিয়ে বিভিন্ন লোকজ উপাদান তৈরি করেছেন তারা।

রাজধানী ঢাকার স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মাজেদুল ইসলাম তার ভাষায় পহেলা বৈশাখ প্রসঙ্গে বলেন, পহেলা বৈশাখের পরিচিত সেই রূপটি আবার ঘুরে আসে বাঙালির ঘরে নব আনন্দে, নবরূপে। তালে-লয়ে বাদ্যে শুধুই বৈশাখ।

এ জাতীয় আরও খবর

পূজার আয়োজনে ঘরেই বানান নারিকেলের নাড়ু

লোকসান ও বিদ্যুৎ বিলের চাপে বন্ধ হচ্ছে উল্কা সিনেমা হল

সব সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার কথা বলল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ: রিজভী

মঙ্গলবার থেকে টানা ৫ দিনের ছুটি, ছুটিতে থাকবেন না যারা

ঢাকায় তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকার আভাস

ফ্রান্সে বিক্ষোভ-সহিংসতা, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০

সেঞ্চুরির পর ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রশংসায় আগা সালমান

টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ফ্রান্সে সহিংসতা, অপরাধীদের শাস্তির হুঁশিয়ারি ম্যাক্রনের

এমবাপ্পের জোড়া গোলে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিল রিয়াল

জুলাইকে ধারণ করে না বিরোধীদল, তাই অনুষ্ঠানে আসেনি: প্রধানমন্ত্রী