,

৩২ শতাংশ মানুষের বিবাহ বিচ্ছেদ ফেসবুকের কারণে

news-image

বর্তমানে ১২৮ কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রথমেই রয়েছে ইউরোপ। তার পরই এশিয়ার অবস্থান। সামাজিক যোগাযোগের জন্য ফেসবুক জনপ্রিয় মাধ্যম। নির্দোষভাবেই পুরনো বন্ধু কিংবা সঙ্গীদের সঙ্গে অনেকেই মেসেজ বিনিময় করলেও ফেসবুক বিচ্ছেদ ডেকে আনছে অনেকের জীবনে।

facebook-relationআমেরিকার ম্যাসাচুসেটসের বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জেমস ই. কাটজ আমেরিকার ৪৩টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে ফেসবুকের ব্যবহারের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্পর্ক তুলে ধরেছেন। হিসাবমতে, ৩২ শতাংশ মানুষের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটছে ফেসবুক ব্যবহারের কারণে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফেসবুক ব্যবহারে নতুন সম্পর্ক তৈরি হয়। এতে আগের সম্পর্কে ফাটল ধরে। একসময় তা বিবাহ বিচ্ছেদে রূপ নেয়। অতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহারের ফলে মানুষের মধ্যে বিষণ্নতা তৈরি, মেজাজ খিটখিটে ও ক্ষুধা কমে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, যদি ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার করা যায়, তাহলে মানুষের মেধার আরো বিকাশ ঘটবে।

পাঁচ হাজার বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন পর্যালোচনা করে ব্রিটিশ আইন সংস্থা ‘ডিভোর্স অনলাইন’জানিয়েছে, বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ ফেসবুক। ডিভোর্স অনলাইনের মতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোয় দম্পতিদের পরস্পরবিদ্বেষী কথোপকথন, রেস্টুরেন্টে সন্দেহজনক ফেসবুক ব্যবহার এবং ইন্টারনেটে আপত্তিকর ছবি দেয়া বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ। অথচ একসময় শুধু তরুণ-তরুণীদের কাছে ওয়েবসাইটটি খোঁজখবরের ছিল। বর্তমানে ছোট-বড়, তরুণ-তরুণী, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই ফেসবুকের সঙ্গে পরিচিত।

কম্পিউটার্স ইন হিউম্যান বিহেভিয়ার সাময়িকীতে প্রকাশিত নতুন একটি গবেষণায় দাবি করা হয়, ফেসবুক, টুইটার কিংবা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ সাইটে বেশি সময় দেয়া ব্যক্তিরা দাম্পত্য জীবনে অসুখী হতে পারেন, এমনকি তারা বিচ্ছেদের কথাও ভাবেন। যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক ড. ট্র্যাসি অ্যালওয়ের নেতৃত্বে একদল গবেষক ১৮-৫০ বছর বয়সী ফেসবুক ব্যবহারকারীর ওপর জরিপ চালিয়ে জানতে পারেন, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা সবসময় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে চান। এতে তাদের আত্মকেন্দ্রিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। পর্যালোচনায় দেখা যায়, যারা দিনে প্রায় ২ ঘণ্টা ফেসবুক ব্যবহার করেন, তাদের কমপক্ষে ৫০০ জন বন্ধু রয়েছে। তাদের শতকরা ৮৯ দশমিক ৫ জনেরই নিজস্ব ছবি প্রোফাইলে রয়েছে।

এতে আতঙ্কিত হয়ে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার দরকার নেই। কারণ গবেষকরা ফেসবুক ব্যবহার ও বিবাহ বিচ্ছেদের মধ্যে যোগসূত্র খুঁজে পেলেও এর মধ্যে কার্যকারণ সম্পর্ক (একটির কারণে অন্যটি ঘটা) থাকার দাবি করেননি। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত গবেষণা প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা। প্রতিটি সম্পর্কের জন্য শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের জায়গা থাকা উচিত। নিজেদের মধ্যে অযথা সন্দেহ তৈরি না করে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই সহযোগিতা আবশ্যক। নিজেদের সম্পর্ক যাতে ভেঙে না যায়, তাই ফেসবুক ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। বণিকবার্তা।

এ জাতীয় আরও খবর

ফ্যাসিবাদপন্থী মিডিয়া বয়কটের আহ্বান

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী