গ্যাসলাইনে লিকেজ থেকে ইন্দিরা রোডে ম্যানহলে বিস্ফোরণ

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর ইন্দিরা রোডের পাঁচটি ম্যানহলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে এ বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে। তিতাস গ্যাসের ওই লাইনে দুটি লিকেজ পাওয়া গেছে।

বিকেলে যখন বিস্ফোরণ ঘটে তখন ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছিলেন পাশের একটি চায়ের দোকানি কুমকুম। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আনুমানিক বিকেল ৪টার দিকে বিস্ফোরণ হইছে। মনে অয় যে, পাঁচ-দশ তলা ভাইঙ্গা পড়ল। ভূমিকম্প হইল। এইরহম শব্দ অইছে।’

শুক্রবার রাতে সরেজমিন দেখা যায়, খামারবাড়ী মোড় থেকে ইন্দিরা রোড দিয়ে ফার্মগেটের দিকে কিছুটা এগোতেই একটি গলি পান্থপথের দিকে চলে গেছে। পান্থপথের দিকে যাওয়া ইন্দিরা রোডের গলির শুরুতেই একটি ম্যানহল দেখা যাবে। যেটির স্ল্যাব উড়ে গেছে। বিস্ফোরিত পাঁটি ম্যানহলের মধ্যে তিনটিতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। উপরের স্ল্যাব উড়ে গেছে। রাস্তারও ক্ষতি হয়েছে। দুটিতে তুলনামূলক কম ক্ষতি হয়েছে। এতে যান চলাচলে বাধার সৃষ্টি হচ্ছে।

রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওখানে তিতাসের গ্যাস লাইন মেরামত করছিলেন তিতাসের কর্মীরা। সেখানে কর্মরত তিতাসের টেকনিশিয়ান রবিউল জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিস্ফোরণটা কেন হয়েছে, সেটা বলতে পারব না। আমি এসে এখানে লিকেজ পেয়েছি, মেরামত করে দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘এখন অফিসাররা আসবেন, লাইন ভিজিট করবেন। লাইন পরিবর্তন করবেন না কী করবেন, সেটা তাদের ব্যাপার। আমি দুই জায়গায় লিক পেয়েছি, সেটা মেরামত করে দিয়েছি।’

রবিউল আসার আগে কথা হয়েছিল তিতাসের দুই শ্রমিকের সঙ্গে। তারা লিকেজ মেরামতের কাজ করছিলেন। তাদের ধারণা, আগে থেকেই গ্যাসের লাইন লিক ছিল। সুয়ারেজের লাইন থাকায় বায়োগ্যাসও হয়তো তাতে ছিল। ম্যানহলের স্ল্যাবগুলোর ছিদ্র না থাকায় বা বন্ধ থাকায় গ্যাসগুলো বের হতে পারেনি। তাই এই বিস্ফোরণ হয়েছে।

তারা বলেন, গ্যাস বের হলে হয়তো মানুষ বুঝতে পারতো। অভিযোগ করলে তখন তিতাস ঠিক করে দিতো। স্ল্যাবগুলোর ছিদ্র বন্ধ থাকায় গ্যাস বের হতে পারেনি, মানুষ বুঝতেও পারেনি। তাদের ধারণা, এ কারণে বিস্ফোরণ হয়েছে।

মেরামতস্থলে দেখা যায়, সুয়ারেজের লাইন ভেঙে তিতাস গ্যাসের লিকেজ মেরামত করা হয়েছে। তারা সেই সুয়ারেজ লাইন কাঠ দিয়ে, তার ওপর মাটি দিয়ে ভরাট করতে চাইলে সেখানে উপস্থিত স্থানীয়রা বাধা দেন। এ বিষয়ে স্থানীয়দের ভাষ্য, ‘কাঠ দিয়ে সুয়ারেজ লাইন ঢাকলে কাঠ কিছুদিন পর পচে যাবে। তখন ওপরের মাটি সুয়ারেজ লাইনের ওপর পড়বে। এতে সুয়ারেজ লাইনটাও আবার বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে নতুন ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।’ স্থানীয়দের দাবি, সিমেন্ট দিয়ে ঢালাই করে দিতে হবে।

স্থানীয়দের চাপের মুখে পড়ে টেকনিশিয়ান রবিউল কাঠ দিয়ে সুয়ারেজ লাইন সুরক্ষা দেয়া বন্ধ করে দেন। তিনি জানান, তিতাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একটু পর আসবেন। তখন সিদ্ধান্ত হবে, কী করা যায়।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে সার্বজনীন বহুমুখী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ফ্রি অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ

রাজধানীর ৫ হাসপাতালে চালু হচ্ছে পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নত চিকিৎসা সেবা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ

নতুন বাড়িতে ওঠার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

চুলে নজরকাড়া সাজ, পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশী তরুণী!

‘ম্যাজিক বস’ নিলয় আলমগীর

আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরীমনি

১৩১ রানের জুটি ভাঙলেন হাসান মাহমুদ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে ককটেল নিক্ষেপ, পুলিশ আহত

এআই যেন বেকারত্বের সংকট আরও না বাড়ায়, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি

হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহানকে কারাগারে রাখার আবেদন