ওসি প্রদীপকে নেওয়া হচ্ছে কক্সবাজার আদালতে

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : পুলিশের গুলিতে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায় টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। এর আগে তাকে চলতি দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

বর্তমানে তাকে কক্সবাজার আদালতে নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) দুপুরে সিএমপির কাছে ওসি প্রদীপ আত্মসমর্পণ করেন। বিষয়টি জানান সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম।

প্রদীপ কুমার দাশকে কক্সবাজার আদালতে নিয়ে যাচ্ছে সিএমপি।

অতিরিক্ত কমিশনার আমেনা বেগম বলেন, প্রদীপ কুমার দাশ বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। যেহেতু তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে তিনি আত্মসমর্পণ করতে চেয়েছেন। আমরা পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে তাকে কক্সবাজার আদালতে পৌঁছে দেবো।

এর আগে, বুধবার (০৫ আগস্ট) টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপকে তার চলতি দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। বর্তমানে একই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এপিএম দোহাকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ঘটনার পর টেকনাফ থানার ওসি অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছিলেন। ছুটি নেওয়ার একদিন পরই তাকে প্রত্যাহার করে নেয় বাংলাদেশ পুলিশ।

গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে টেকনাফে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে বুধবার (০৫ আগস্ট ) কক্সবাজারে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন। মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ নয়জনকে আসামি করা হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে সার্বজনীন বহুমুখী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ফ্রি অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ

রাজধানীর ৫ হাসপাতালে চালু হচ্ছে পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নত চিকিৎসা সেবা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ

নতুন বাড়িতে ওঠার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

চুলে নজরকাড়া সাজ, পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশী তরুণী!

‘ম্যাজিক বস’ নিলয় আলমগীর

আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরীমনি

১৩১ রানের জুটি ভাঙলেন হাসান মাহমুদ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে ককটেল নিক্ষেপ, পুলিশ আহত

এআই যেন বেকারত্বের সংকট আরও না বাড়ায়, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি

হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহানকে কারাগারে রাখার আবেদন