,

আল্ট্রাসনোগ্রাফি করাতে গিয়ে সন্তান প্রসব

news-image

বরিশাল ব্যুরো : বরিশাল নগরীর হাসপাতাল রোডে ‘লাইফলাইন’ নামে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের গেটে সন্তান প্রসব করেন ময়না বেগম (২৯)। বর্তমানে হাসপাতাল রোডের সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। তবে তিনি সুস্থ থাকলেও কম ওজন ও অপরিণত বয়সে ভূমিষ্ঠ হওয়ায় নবজাতককে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

এ দিকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সন্তান প্রসব করায় মা ও শিশুকে আজীবনের জন্য সব ধরনের প্যাথলজি পরীক্ষা-নীরিক্ষা ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ।

গতকাল রোববার বিকেলে হাসপাতাল রোডের ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সন্তান প্রসব করেন ময়না বেগম। সেখানে তিনি স্বজনদের সঙ্গে আল্ট্রাসনোগ্রাম করার জন্য এসেছিলেন। ময়না বেগম নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীপুর কলোনির বাসিন্দা নূরে আলমের স্ত্রী। এ দম্পতির আরও দুইটি কন্যা সন্তান রয়েছে। নূরে আলম পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি।

নূরে আলম জানান, তার স্ত্রী ময়না বেগম অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। চিকিৎসকের দেওয়া তারিখ অনুযায়ী তার স্ত্রীর সন্তান প্রসবের সময় ছিল আগামী মাসে। কিন্তু কয়েকদিন ধরে শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন ময়না। চিকিৎসার জন্য নগরীর আমানতগঞ্জ রেডক্রিসেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গতকাল বিকেলে প্রসব বেদনা শুরু হয় ময়না বেগমের। হাসপাতাল থেকে অস্ত্রোপচারের কথা বলা হয়। পাশাপাশি আল্ট্রাসনোগ্রাম করিয়ে আনতে বলা হয়। এরপর তারা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাযোগে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আসেন। সেখানে গেট দিয়ে ঢোকার মুহূর্তে ময়না অসুস্থ হয়ে বসে পড়েন। এ সময় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্টাফদের জানানো হয়।

একপর্যায়ে প্রসব বেদনায় ছটফট করতে থাকলে স্টাফরা এগিয়ে আসেন। পরে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্টাফরা জেনারেল হাসপাতাল থেকে নার্স ডেকে আনেন। কিছুক্ষণ পর নিরাপদে পুত্রসন্তান প্রসব করেন ময়না। এরপর ময়না ও নবজাতককে জেনারেল হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক প্রদীপ কুমার পাল বলেন, ওই রোগী আল্ট্রাসনোগ্রাম করাতে এসেছিলেন। ওই নারীর চিকিৎসার জন্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ এবং মা ও শিশুকে সারাজীবন ফ্রি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার বিষয়টি তার স্বজনদের জানিয়ে দেওয়া হয়।

বরিশাল সদর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান ডা. রেহানা ফেরদৌস জানান, বর্তমানে হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডে ময়না বেগম ভর্তি আছেন। তার অবস্থা ভালো। তবে নবজাতকের ওজন কম। ওজন ২ কেজি ১০০ গ্রাম। যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৪০০ গ্রাম কম। যে কারণে চিকিৎসার জন্য নবজাতককে বরিশাল মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দিনাজপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

দুর্গাপূজায় মুক্তি পাচ্ছে ‘চিরকুট’

সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুল হাই আর নেই

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন অনুকরণীয় ব্যক্তির সাক্ষাৎ

আহত পুলিশ কর্মকর্তাকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিসামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

উত্তরায় শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় আগুন, কারণ শর্ট সার্কিটের সন্দেহ

হরমুজ প্রণালিতে হামলায় ডুবল সিঙ্গাপুরের জাহাজ

ইউক্রেনে স্টারলিংক সীমিত, ড্রোন প্রতিরোধে সংকট

মেসির অ্যাসিস্টে জয়, প্লে-অফে ইন্টার মায়ামি

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর