দৈনিক সংক্রমণে শীর্ষে জার্মানি, সর্বোচ্চ মৃত্যু দক্ষিণ কোরিয়ায়

news-image

শ্বাসতন্ত্রের প্রাণঘাতী রোগ করোনায় সোমবার বিশ্বের দেশসমূহের মধ্যে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ঘটেছে জার্মানিতে এবং কোভিডজনিত অসুস্থতায় এই দিন সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মৃত্যু হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ায়।গত ২৪ ঘণ্টায় জার্মানিতে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯২ হাজার ৬৩৯ জনের শরীরে, তবে এদিন দেশটিতে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। আক্রান্তে পঞ্চম স্থানে থাকা জার্মানিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ২ কোটি ২৭ লাখ ৭১ হাজার ৮৮৬ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৩১১ জন।

সোমবার বিশ্বজুড়ে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২১ জন এবং এ রোগে মারা গেছেন ১ হাজার ৯৮৫ জন। এছাড়া এই দিন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১ লাখ ৪৮ হাজার ২৩০ জন।

মহামারি শুরুর পর থেকে করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হালনাগাদ সংখ্যা প্রকাশকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্স জানিয়েছে এ তথ্য।

ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার জার্মানিতে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৯২ হাজার ৬৩৯ জন, তবে এদিন দেশটিতে কোভিডজনিত অসুস্থতায় কারো মৃত্যু হয়নি।

অন্যদিকে, গত দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে করোনা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি ঘটেছে দক্ষিণ কোরিয়ায়। সোমবার দেশটিতে কোভিডজনিত অসুস্থতায় মৃত্যু হয়েছে ২৫৮ জনের, যা ছিল বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যু। এই দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৯০ হাজার ৯২৮ জন।

জার্মানি ও দক্ষিণ কোরিয়া ব্যতীত  বিশ্বের আরও যেসব দেশে মঙ্গলবার সংক্রমণ-মৃত্যুর উচ্চহার দেখা গেছে, সেসব দেশ হলো— রাশিয়া (মৃত ২৪৮ জন, নতুন আক্রান্ত ১১ হাজার ৮৫৫ জন), ফ্রান্স (মৃত ১৭৮ জন, নতুন আক্রান্ত ২৫ হাজার ৪৯২ জন), যুক্তরাষ্ট্র (মৃত ১৪৯ জন, নতুন আক্রান্ত ২৩ হাজার ১২৯ জন), ইতালি (মৃত ১১৫ জন, নতুন আক্রান্ত ২৮ হাজার ৩৬৮ জন) থাইল্যান্ড (মৃত ১০৫ জন, নতুন আক্রান্ত ২২ হাজার ৩৮৭ জন), জাপান (নতুন আক্রান্ত ৪৭ হাজার ৮৭৬ জন, মৃত ৩৮ জন) ও অস্ট্রেলিয়া (নতুন আক্রান্ত ৪২ হাজার ৭২৬ জন, মৃত ৫ জন)।

বিশ্বে বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৪ কোটি ৪০ লাখ ১৪ হাজার ৬০৪ জন। এই রোগীদের মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ বহন করছেন ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৬৯ হাজার ৬৮৪ জন এবং গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আছেন ৪৪ হাজার ৯২০ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে বিশ্বের প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটেছিল চীনে।

তারপর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

কিন্তু তাতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অবশেষে ওই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

ওয়ার্ল্ডেমিটার্সের তথ্য বলছে, মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৪৯ কোটি ৯৬ লাখ ৪৫ হাজার ৪০২ জন এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬২ লাখ ৫ হাজার ৫৫২ জনের। এছাড়া, এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ৪৪ কোটি ৯৪ লাখ ২৫ হাজার ২৪৬ জন।

এ জাতীয় আরও খবর

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ

রাজধানীর ৫ হাসপাতালে চালু হচ্ছে পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নত চিকিৎসা সেবা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ

নতুন বাড়িতে ওঠার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

চুলে নজরকাড়া সাজ, পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশী তরুণী!

‘ম্যাজিক বস’ নিলয় আলমগীর

আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরীমনি

১৩১ রানের জুটি ভাঙলেন হাসান মাহমুদ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে ককটেল নিক্ষেপ, পুলিশ আহত

এআই যেন বেকারত্বের সংকট আরও না বাড়ায়, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি

হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহানকে কারাগারে রাখার আবেদন

মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী