সর্প-দংশন : যা করবেন, যা করবেন না

news-image

লে. কর্নেল ডা. নাসির উদ্দিন আহমদ
প্রতিবছর সর্প-দংশনে বিশ্বে লাখো মানুষের অকাল মৃত্যু হয়ে থাকে। বাংলাদেশে এ মৃত্যু বছরে প্রায় ছয় হাজার। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, বন-জঙ্গল কমে যাওয়া, বন্যা-জলোচ্ছ্বাসসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, কৃষি ও মৎস্য চাষে নতুন ক্ষেত্র তৈরির কারণে সর্প-দংশন ক্রমে বাড়ছেই। চিকিৎসা নিয়ে রয়েছে নানা ভ্রান্ত ধারণা। তাই বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা সম্পর্কে জানা ও সবার এ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

বিষক্রিয়া : গবেষণায় দেখা গেছে, ৯০ শতাংশ সাপই বিষহীন। নির্বিষ সাপের কামড়ে কিছু হয় না। বিষাক্ত সাপের কামড়ও অনেক সময় বিষহীন হতে পারে। ৩০ শতাংশ ক্ষেত্রে, এমনকি গোখরা সাপের কামড় বিষহীন হতে পারে। চন্দ্রবোড়া সাপের ক্ষেত্রে এটি হতে পারে ৫০ শতাংশ। কামড় দেওয়ার সময় বিষথলি থেকে বিষ নাও আসতে পারে। এর নাম ড্রাই বাইট (শুকনো দংশন)। তবে সর্প-দংশনের পর দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। সাপের বিষক্রিয়ার অনেকগুলো উপসর্গ রয়েছে। বিষ শরীরে প্রবেশ করলে উপসর্গ দেখা দেবে। এসব উপসর্গ দেখা দিলে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা করতে হবে।

দংশিত স্থানের উপসর্গ : তীব্র ব্যথা, জ্বালা-যন্ত্রণার পাশাপাশি আক্রান্ত অঙ্গ ফুলে যেতে পারে। বমি ভাব, বমি, পেটে ব্যথা, এমনকি বিষক্রিয়ায় ডায়রিয়া হতে পারে। কখনো দ্রুত ফোস্কা পড়ে। ফুলে যাওয়ায় রক্ত চলাচল আটকে অঙ্গে পচন শুরু হতে পারে। এমন হলে জীবনরক্ষার্থে পা কেটে ফেলতে হয়। এ ছাড়া কখনো রক্ত তরল হয়ে যাওয়ায় কাটা জায়গা থেকে রক্তক্ষরণ হতে পারে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ

রাজধানীর ৫ হাসপাতালে চালু হচ্ছে পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নত চিকিৎসা সেবা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ

নতুন বাড়িতে ওঠার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

চুলে নজরকাড়া সাজ, পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশী তরুণী!

‘ম্যাজিক বস’ নিলয় আলমগীর

আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরীমনি

১৩১ রানের জুটি ভাঙলেন হাসান মাহমুদ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে ককটেল নিক্ষেপ, পুলিশ আহত

এআই যেন বেকারত্বের সংকট আরও না বাড়ায়, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি

হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহানকে কারাগারে রাখার আবেদন

মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী