লাল তালিকা থেকে ফিরলো টুনা মাছের ৪ প্রজাতি

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় টুনা মাছের চারটি বাণিজ্যিক প্রজাতি ফের বাড়ছে। সামুদ্রিক প্রাণিবৈচিত্র্যের হুমকির মধ্যে এ খবর আশা জাগানিয়া। শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) তাদের বিলুপ্ত প্রজাতির লাল তালিকা প্রকাশ করে। এতে উঠে আসে ইতিবাচক এ তথ্য।

আইইউসিএন-এর পরিচালক ড. ব্রুনো ওবেরলি বলেন, এ লাল তালিকা আমাদের এ শক্তিশালী বার্তা দেয় যে, ক্রমাগত সামুদ্রিক প্রজাতির ওপর চাপ থাকার পরও শুধু টেকসই অনুশীলনের কারণে বিলুপ্ত অনেক প্রজাতি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। এই লাল তালিকা আমাদের দেখায় আমাদের জীবন ও জীবিকা জীববৈচিত্র্যের সঙ্গে কতটা নিবিড়ভাবে জড়িত।

প্রকাশিত লাল তালিকায় সাতটি টুনা প্রজাতির মূল্যায়ন করা হয়েছে। যাদের মধ্যে চারটি প্রজাতিই টেকসই মাছ ধরার কোটা পূরণ করতে পেরেছে অবৈধভাবে শিকার হওয়ার পরও।

আটলান্টিক ব্লুফিন টুনা বিপন্ন তালিকা থেকে ফিরে এসেছে। তবে দক্ষিণী ব্লুফিন টুনা চলে গেছে আরও বিপন্ন অবস্থানে। অ্যালব্যাকোর হিসেবে পরিচিত লংফিন টুনা ও ইয়েলোফিন টুনা এখন বিলুপ্তির পথ থেকে কিছুটা হুমকিমুক্ত।

প্রজাতি স্তরে বিশ্বব্যাপী উন্নতির পরও অনেক আঞ্চলিক টুনা মজুত মারাত্মকভাবে কমেছে। গত চার দশকে আটলান্টিক ব্লুফিন টুনা পশ্চিম ও পূর্ব- উভয় আটলান্টিক মহাসাগরের পাশাপাশি ভূমধ্যসাগরে রয়েছে। তারা বিলুপ্ত হয়ে গেছে কৃষ্ণ সাগরে। যদিও ভারত মহাসাগরে ইয়েলোফিন টুনা বেশি ধরা পড়ছে।

এ লাল তালিকা প্রমাণ করে, মাছের ক্ষেত্রে টেকসই দৃষ্টিভঙ্গি দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য এনে দেয় জীবন ও জীববৈচিত্র্যের জন্য। আমাদের অবৈধ মাছ শিকার বন্ধ করতে হবে এবং আঞ্চলিক কোটা সংরক্ষণের ওপর জোর দিতে হবে, বলছিলেন ড. ব্রুস বি কোলেট, আইইউসিএন এসএসসি টুনা ও বিল ফিশ বিশেষজ্ঞ গ্রুপের চেয়ার। তিনি আরও বলেন, টুনা মাছ হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিতে পারে, তাই বিশ্বব্যাপী এটি ব্যবস্থাপনার আওতায় আনাই মূল চাবিকাঠি।

প্যাসিফিক ব্লুফিন টুনা, প্রশান্ত মহাসাগরে বিশেষ করে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে যার বিচরণ ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে। এটির ৫ শতাংশ কমেছে।

লাল তালিকায় হাঙর প্রজাতির ৩৭ শতাংশ বিলুপ্তির পথে বলে উঠে এসেছে। হুমকিতে থাকা হাঙর প্রজাতির অতিরিক্ত শিকার, ৩১ শতাংশের বাস্তুগত সংকট ও ১০ শতাংশ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বিলুপ্তির পথে।

কমোডো ড্রাগন জলবায়ু পরিবর্তনের ভবিষ্যতের প্রভাবে হুমকির সম্মুখীন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় জীবন্ত টিকটিকি, কমোডো ড্রাগন বিপন্নের দিকে।

কমোডো ড্রাগন ইন্দোনেশিয়ার কমোডো দ্বীপপুঞ্জ ও জাভা দ্বীপপুঞ্জের পূর্বে পাওয়া যায়। ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক তাপমাত্রা এবং পরবর্তী সমুদ্রের স্তর, কমোডো ড্রাগনের উপযুক্ত আবাসস্থল আগামী ৪৫ বছরে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ

রাজধানীর ৫ হাসপাতালে চালু হচ্ছে পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নত চিকিৎসা সেবা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ

নতুন বাড়িতে ওঠার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

চুলে নজরকাড়া সাজ, পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশী তরুণী!

‘ম্যাজিক বস’ নিলয় আলমগীর

আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরীমনি

১৩১ রানের জুটি ভাঙলেন হাসান মাহমুদ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে ককটেল নিক্ষেপ, পুলিশ আহত

এআই যেন বেকারত্বের সংকট আরও না বাড়ায়, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি

হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহানকে কারাগারে রাখার আবেদন

মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী