স্বামী আমার অন্যদের মতো নয়: মৌসুমী

news-image

এ প্রসঙ্গে মৌসুমী বলেন, ‘সবকিছু ম্যানেজ করা গেলেও সম্পর্কের ছন্দপতন করা যায় না। পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস ও শ্রদ্ধায় সম্পর্ক বেঁচে থাকে। অনেকে ভাবতে পারেন, খুব সুন্দর ও আকর্ষণীয় চেহারার কোনো ছেলেমেয়ে বিয়ে করলেই বুঝি সংসার সুখের হয়, মোটেও নয়। সংসারজীবনে স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরের স্যাক্রিফাইসের মানসিকতা থাকতে হবে। দ্বন্দ্ব তৈরি হতেই পারে, এ রকম ছোটখাটো বিষয় এড়িয়ে চলতে হবে।’

তারকা দম্পতি মৌসুমী ও ওমর সানী সঙ্গে ছেলে ফারদীন ও মেয়ে ফাইজা

তারকা দম্পতি মৌসুমী ও ওমর সানী সঙ্গে ছেলে ফারদীন ও মেয়ে ফাইজা
সংগৃহীত

২৫ বছরের সংসারজীবন কীভাবে কেটে গেছে টেরই পাননি মৌসুমী। তিনি বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমার এখনো বিশ্বাস হয় না। এত বছর পার হয়ে গেল, ভাবতেই অবাক লাগে। মনে হয়, এই তো কদিন আগে বিয়ে হয়েছে। বিয়ের আগে প্রেম করার সময় পাইনি। বিয়ের পর প্রেম করছি। যদিও ভালোবাসার কথা সামনাসামনি বলা হয় না।’

বললে অত্যুক্তি হবে না, চলচ্চিত্রে সমসাময়িকদের তুলনায় দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে এগিয়ে মৌসুমী–সানী। সুখে-শান্তিতে সংসার করার রহস্যটা কী? ওমর সানী বলেন, ‘মৌসুমীর ব্যক্তিত্ব আমাকে মুগ্ধ করে। একে অপরকে ছাড় দিই। বোঝাপড়া ভালো। দুজনই সন্তানদের নিয়ে চিন্তা করি।’

 মৌসুমী

মৌসুমী

অন্যদিকে মৌসুমী বলেন, ‘স্বামী আমার অন্যদের মতো নয়। আজ এই মেয়ে দেখলে হাঁ হয়ে যায়, কাল ওই মেয়ে দেখলে মাথা ঘুরে পড়ে যায়, মোটেও তেমন নয়। পরিচয়ের শুরুতে এমন ছিল না, এখনো নেই। অনেক মেয়েকেই দেখি স্বামী নিয়ে খুব আফসোস করেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত আমার সানীকে নিয়ে কোনো অভিযোগ করতে হয়নি। সানীর ইতিবাচক দিক খুব সহজে মানুষকে ভালোবাসে, বিশ্বাস করে। যত সহজে রাগে, তার চেয়ে দ্রুত রাগ কমে যায়। মানুষকে ক্ষমা করে দেয়। এটা আমার খুব পছন্দ।’

চিত্রনায়িকা মৌসুমী ও নায়ক ওমর সানী

চিত্রনায়িকা মৌসুমী ও নায়ক ওমর সানী

মৌসুমীকে ওমর সানী বিয়ে করেন ১৯৯৫ সালের ৪ মার্চ। কাউকে না জানিয়ে হুট করে বিয়ে। পাঁচ মাস পর ২ আগস্ট হয়েছিল বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। এ দিনকেই নিজেদের বিয়ের দিন হিসেবে পালন করেন তাঁরা।

মৌসুমী– ওমর সানীর বিয়ে হয় ১৯৯৫ সালের ৪ মার্চ। পাঁচ মাস পর ২ আগস্ট হয়েছিল বিবাহোত্তর সংবর্ধনা

মৌসুমী– ওমর সানীর বিয়ে হয় ১৯৯৫ সালের ৪ মার্চ। পাঁচ মাস পর ২ আগস্ট হয়েছিল বিবাহোত্তর সংবর্ধনা

তাঁদের দুই সন্তান ফারদীন ও ফাইজা। এ বছরের ২৬ মার্চ ছেলের বিয়ে হয়ে গেছে। কনে কুমিল্লার মেয়ে আয়েশা। মা–বাবার সঙ্গে কানাডায় থাকেন, সেখানেই পড়াশোনা ও বেড়ে ওঠা। কয়েক মাসে আগে ফারদীনের সঙ্গে আয়েশার পরিচয়। তারপর বন্ধুত্ব ও ভালো লাগা। সে কথা দুই পরিবারের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন দুজন। এরপর পারিবারিক আলোচনার ভিত্তিতেই বিয়ে।

এ জাতীয় আরও খবর

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ

রাজধানীর ৫ হাসপাতালে চালু হচ্ছে পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নত চিকিৎসা সেবা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ

নতুন বাড়িতে ওঠার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

চুলে নজরকাড়া সাজ, পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশী তরুণী!

‘ম্যাজিক বস’ নিলয় আলমগীর

আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরীমনি

১৩১ রানের জুটি ভাঙলেন হাসান মাহমুদ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে ককটেল নিক্ষেপ, পুলিশ আহত

এআই যেন বেকারত্বের সংকট আরও না বাড়ায়, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি

হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহানকে কারাগারে রাখার আবেদন

মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী