অভিভাবকেরা অটো পাশে খুশি নন, ভিড় নেই মিষ্টির দোকানে

news-image

নিউজ ডেস্ক : করোনা মহামারি পরিস্থিতে পরীক্ষা ছাড়াই আগের পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে শনিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

যদিও এই ফল কীভাবে প্রকাশ হবে এই নিয়ে সবার মাঝে নানা আলোচনা-সমালোচনা ছিল। অন্যান্য সময় পরীক্ষার ফল পাওয়ার পর অভিভাবকদের যেই উল্লাস থাকে এবার তেমনটা দেখা যায়নি।

করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের কলেজে গিয়েও আনন্দ উল্লাস করতে দেখা যায়নি।

এই অটো পাশের প্রভাব পরেছে মিষ্টির দোকান গুলোতে। গত বছরেও পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ মানেই মিষ্টি বিতরণের ধুম পড়ে যেতো। কিন্তু এবার তার চিত্র পুরোটাই ভিন্ন।

মিষ্টির দোকানের বিক্রেতারা বলেন, গত বছরের পরীক্ষার ফলাফলের সময় মিষ্টির দোকান গুলোতে যে ভিড় থাকত সে ভিড় এবার নেই ।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সরেজমিন রাজধানীর পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় লাল চাঁন গ্র্যান্ড সন্স, মহন চাঁন গ্র্যান্ড সন্স, গ্রামীণ সুইট, বিক্রমপুর, রস, ভাগ্যকূল, বস, মীনা, দিল্লী মুসলিম সুইটস দোকানগুলোতে গেলে দেখা যায়, প্রতিদিন মিষ্টির দোকানে অন্যদিনের মতোই স্বাভাবিক বেচাকেনা চলছে। ফলাফলের জন্য যে ভিড় থাকে মিষ্টির দোকানগুলোতে সেরকম ভিড় দেখা যায়নি।

পুরান ঢাকার জনপ্রিয় মিষ্টির দোকান মহন চাঁন গ্র্যান্ড সন্সের বিক্রেতা মো. সাইয়েদুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বসে আছি মিষ্টির দোকানে। অন্য কাস্টমার পেয়েছি, কিন্তু অভিভাবকদের এক কেজি পাশের মিষ্টিও কিনে নিতে দেখলাম না। গত বছরেও এই দোকানে যে কোনো ফলাফলের সময় মিষ্টি বেচার ধুম লেগে যেতো। মনে হয় না আজ পাশের কোন মিষ্টি এই দোকানে বিক্রি হবে বলে জানান এই বিক্রেতা।

গ্রামীণ সুইটের ম্যানেজার মো. বাপ্পী বলেন, মিষ্টির দোকান গুলোতে পরীক্ষার রেজাল্টের সময় কয়েক মণ বেশি মিষ্টি রেডি রাখতে হয়। এবার এমনিতে করোনাভাইরাসের জন্য ব্যবসার অবস্থা খুবই খারাপ। তারপর আবার এইচএসসির মতো পাশের ফলাফলের দিনেও কেউ মিষ্টি নিতে আসল না। এই রকম বেচা কেনার অবস্থা আগে কখনো হয়নি বলে জানান এই বিক্রেতা।

কবি নজরুল সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসিতে এবার পাশ করা গোলাম মোর্শেদ সীমান্ত নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই পাশ নিয়ে এক প্রকার ট্রল হচ্ছে। যদিও এসএসসির রেজাল্ট থেকে এবারের রেজাল্ট আরও ভালো হয়েছে। এখন সামনে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি নিয়ে এক প্রকার চিন্তার ভেতরে আছি। কারণ সবাই পাশ করছে, ফেল নেই এবার, জানান এই শিক্ষার্থী।

এইচএসসিতে পাশ করা এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক রাকিব উদ্দীন বলেন, এই রকম পাশের মাঝে কেন যেন কোন উল্লাস প্রকাশ হয় না। কারণ রেজাল্টের আগেই সবাই জানে শতভাগ পাশ।

এ জাতীয় আরও খবর

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছেলেটাই ভোগালেন বাংলাদেশকে

শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর

এই নারী আমার স্ত্রী নন : গোলাম মাওলা রনি

এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ

যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় গোলাগুলি, সেনা সদস্য আহত : আইএসপিআর

নাহিদ ইসলামের ডাকে এখন ১০০ জনও জড়ো হবেন না: রাশেদ খাঁন

নিউইয়র্কে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ প্রাণহানি

ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের

তিনি শুধু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন-সর্বমন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী: নাহিদ ইসলাম

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নবীনগরে সার্বজনীন বহুমুখী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ফ্রি অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ