রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে না পাঠাতে আন্তর্জাতিক চাপ রয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

news-image

নিউজ ডেস্ক : ইউএনএইচসিআরসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা থেকে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে না পাঠাতে সরকারের ওপর চাপ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

রবিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমাদের ওপর চাপ রয়েছে, ইউএনএইচসিআর এবং অন্যান্য এনজিওগুলোর পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে না পাঠানোর জন্য সরকারের ওপর চাপ রয়েছে।

ড. মোমেন বলেন, ভাসানচর একটি খুব সুন্দর জায়গা এবং এটি একটি রিসোর্ট হওয়া উচিত ছিল। আমি যদি এর দায়িত্বে থাকতাম তবে আমি এটিকে একটি রিসোর্ট হিসেবে তৈরি করতাম।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গারা রাখাইনে যেভাবে জীবিকা নির্বাহ করতেন, ভাসানচরে গেলে সেভাবেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন। এমন অনেক লোক আছেন যারা যেতে ইচ্ছুক…।

এক প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন বলেন, সরকার ধীরে ধীরে সেখানে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরিত করতে চায়।

ভাসানচরের পরিস্থিতি নিয়ে যদিও সম্প্রতি রোহিঙ্গা নেতারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন, তারপরও সেখানে জাতিসংঘের কারিগরি ও মানবিক সুরক্ষা দলের সফরের ওপর জোর দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত রেনসে তেরিঙ্ক।

তিনি বলেন, সম্প্রতি প্রথমবারের মতো গিয়ে পরিস্থিতি দেখাটি ছিল এক সমাদৃত পদক্ষপ। তবে, প্রস্তাবিত জাতিসংঘের কারিগরি ও সুরক্ষা মূল্যায়নের বিষয়টিকে এগিয়ে নেয়াও গুরুত্বপূর্ণ। সেই সাথে সেখানে ইতোমধ্যে স্থানান্তরিত ৩০৬ শরণার্থীর মানবিক ও সুরক্ষা পরিস্থিতি মূল্যায়নে আলাদাভাবে সফর দরকার।

কক্সবাজারের শিবিরগুলো থেকে এক লাখ রোহিঙ্গাকে এ বছর ভাসানচরে স্থানান্তর শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত, ব্রিটিশ হাইকমিশনার, কানাডিয়ান হাইকমিশনের মানবিক সহায়তা প্রধান, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের মতো বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা সম্প্রতি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন।

প্রতিনিধি দলটি ভাসানচর প্রকল্প নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে কথাও বলেন।

প্রতিনিধিদলের সদস্যরা তাদের সব আলোচনায় রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু ও ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাংলাদেশিদের সাহায্যে তাদের অটল প্রতিশ্রুতির বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে আশ্বাস দেন।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, ‘এ সংকটের শুরু থেকে আমরা বাংলাদেশের সাথে রয়েছি এবং কক্সবাজারে উন্নয়ন সহায়তা বাড়ানো অব্যাহত রাখব। ইতোমধ্যে ৫০ কোটি ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছি। এ সংকটকে ভুলে যাওয়া যায় না এবং যাবে না।’

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়ের ক্ষেত্রে উদারতা এবং তাদের ফেরা অবশ্যই স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ ও সম্মানের সাথে হতে হবে বলে একমত হওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করে প্রতিনিধিদলটি।

তারা পুনর্ব্যক্ত করেন যে এ সংকটের সমাধান রয়েছে মিয়ানমারে এবং সংকটের মূল কারণ সমাধান করতে হবে।

তারা উল্লেখ করেন, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগণের ওপর চালানো নৃশংসতার জন্য দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা গেলে তা উদ্বাস্তুদের নিজ দেশে ফেরার ক্ষেত্রে আস্থা ফেরাতে অবদান রাখবে। সূত্র: ইউএনবি।

এ জাতীয় আরও খবর

তিনি শুধু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন-সর্বমন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী: নাহিদ ইসলাম

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নবীনগরে সার্বজনীন বহুমুখী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ফ্রি অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ

রাজধানীর ৫ হাসপাতালে চালু হচ্ছে পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নত চিকিৎসা সেবা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ

নতুন বাড়িতে ওঠার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

চুলে নজরকাড়া সাজ, পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশী তরুণী!

‘ম্যাজিক বস’ নিলয় আলমগীর

আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরীমনি

১৩১ রানের জুটি ভাঙলেন হাসান মাহমুদ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে ককটেল নিক্ষেপ, পুলিশ আহত