নিম্নমানের শিক্ষার্থী টার্গেট প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর

news-image

নিউজ ডেস্ক : গত সামার সেমিস্টারে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০ ভাগ শিক্ষার্থীর ভর্তি কমেছে। এরই মধ্যে ৩০ ভাগ বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শাখা ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করেছে। চাকরিচ্যুত করা হয়েছে হাজারো কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে। করোনাকালে অর্থনৈতিকভাবে ধুঁকছে ৯০ ভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে এবার এইচএসসি পরীক্ষা না হওয়ায় এবং সব শিক্ষার্থী অটো পাস করায় নিচের সারিতে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিম্নমানের শিক্ষার্থীকে টার্গেট করছে।

এবার জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষা মূল্যায়নের মাধ্যমে এইচএসসি ফল নির্ধারিত হওয়ায় ২ লাখ ৬৬ হাজার ৫০১ জন অনিয়মিত পরীক্ষার্থী পাস করতে চলেছে। যারমধ্যে গতবারের এইচএসসিতে এক বিষয়ে পাস করতে না পারা পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি। দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থী ৫৪ হাজার। আর সব বিষয়ে ফেল করা বা গতবার পরীক্ষা না দেয়া ৫১ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী রয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এসব শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন নিয়ে যেমন সরকার ভাবছে তেমনি এসব শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার সুযোগের বিষয়টি তাদের মাথায় রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, এইচএসসি পাসের পরবর্তী সেমিস্টার প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণে আমরা প্রচারণা শুরু করেছি। আর এ বিষয়টিকে সুযোগ হিসেবে দেখছে অধিকাংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৪৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬০ হাজার আসন রয়েছে। এছাড়াও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ আছে।

অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ২০১৮ সালের প্রতিবেদনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী ৩ লাখ ৬১ হাজার ৭৯২ জন। অর্থাৎ দেশের প্রায় ৫০ ভাগের বেশি শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার জন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবির হোসেন বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, ‘আমরা করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের কাছ থেকে কোনো অনুদান পাইনি। এছাড়াও বিনা সুদে লোন চেয়েও কোন সাড়া পাইনি।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যারা করোনা সংকটে কারো সাহায্য ছাড়াই টিকে থাকতে পারে। বাকি সব প্রতিষ্ঠানের অবস্থা শোচনীয়। তবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় একে একটি সুযোগ হিসেবে দেখতে পারে।

ইউজিসির নিয়ম অনুযায়ী, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে একজন শিক্ষার্থীর এসএসসি ও এইচএসসিতে ন্যূনতম যোগ্যতা লাগে জিপিএ ২.৫। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার জিপিএ লাগে আরো বেশি। কিন্তু এবারো অনেক শিক্ষার্থী আছেন যাদের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে সে যোগ্যতা থাকবে না।

এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ইউজিসির নির্দেশনা মানতে হলে শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা যে বাড়বে তার সম্ভাবনা কম। কিন্তু এরপরও সরকারি নির্দেশনা মেনেই চলতে হবে। এরপরও কিছু বিশ্ববিদ্যালয় যদি এর ব্যতিক্রম করে তবে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অতিরিক্ত পরিচালক ড. নাছিমা রহমান বলেন, এ বিষয়ে আমার জানামতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে নতুন কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। আগে যে নিয়ম ছিলো এখনো তাই রয়েছে। বাংলাদেশ জার্নাল

এ জাতীয় আরও খবর

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছেলেটাই ভোগালেন বাংলাদেশকে

শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর

এই নারী আমার স্ত্রী নন : গোলাম মাওলা রনি

এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ

যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় গোলাগুলি, সেনা সদস্য আহত : আইএসপিআর

নাহিদ ইসলামের ডাকে এখন ১০০ জনও জড়ো হবেন না: রাশেদ খাঁন

নিউইয়র্কে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ প্রাণহানি

ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের

তিনি শুধু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন-সর্বমন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী: নাহিদ ইসলাম

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নবীনগরে সার্বজনীন বহুমুখী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ফ্রি অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ