ঈদপরবর্তী যেভাবে নিবেন স্বাস্থ্যসচেতনতা

news-image

স্বাস্থ্য ডেস্ক : কোরবানির ঈদে তুলনামূলকভাবে মাংস একটু বেশিই খাওয়া হয়, এতে কোনো ভুল নেই। তবে সাবধান। সামান্য ভুলে পুরো ঈদের আনন্দ যেন নিরানন্দ না হয়। বেশি বেশি তৈলাক্ত মাংস না খাওয়া ভালো। আপনার বয়স যদি ৪০ বছরের বেশি হয়, তা হলে কোনো অসুখ (হার্ট-কিডনি) থাকুক বা না থাকুক, মগজ না খাওয়াই ভালো। সুস্বাদু হওয়ায় অনেকেই খুব মজা করে বেশি করে খেয়ে ফেলে মগজ। মনে রাখতে হবে, রান্না করা ১ মুঠো মগজ খেলে ৪০ মিনিট স্পিডে দৌড়ালে সেটা খরচ হয়। নয়তো রক্তে চর্বি হয়ে জমে যায়। পরে রক্তে চর্বি যেমন ট্রাইগ্লিসারাইড ও কোলেস্টেরলসহ অন্যান্য ক্ষতিকারক চর্বির আধিক্য দেখা দেয় এবং হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।

যাদের করোনারি হার্ট ডিজিজ আছে এবং যারা প্রবীণ, তারাও তো মাংস খাবেন। কিন্তু কতটুকু? পরিবারের অনেকে বলেন, বিসমিল্লাহ বলে খেয়ে ফেললে কিছু হবে না। কিন্তু নিয়ম করে খেলে সমস্যা হবে না। যেমন-মগজ, কলিজা খাওয়া একদম নিষেধ। মাংসের গায়ের সাদা চর্বি কেটে ফেলে দিন। তারপর অল্প তেলে রান্না করুন এবং প্রতি বেলায় ২ থেকে ৪ টুকরা খেলে সমস্যা হবে না। স্থূলকায় শরীর যাদের, তারাও চর্বি বাদ দিয়ে খাবেন। মাংস ছেঁচে বা বেটে কাবাব, টিকিয়া করে খেলে সমস্যা কম হয়। চর্বিসহ মাংস বেশি তেলে রান্না করে খেলে ওজন বেড়ে যাবে। ওজন বাড়া মানেই সব অসুখের বীজ বপন করা। মাংস রান্না করে ফ্রিজে রেখে দিন। পরের দিন বের করুন। দেখবেন, ওপরে একটা হলুদ রঙের আস্তরণ পড়েছে। সেটা চামচ দিয়ে তুলে ফেলুন।

যাদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো অসুখ আছে অর্থাৎ যারা নিয়মিত ওষুধ সেবন করেন, তারাও চর্বি ছাড়া মাংস খাবেন। সে সঙ্গে যার যা ওষুধ আছে, তা অবশ্যই নিয়মমতো খেতে হবে। কোরবানির পশুর মাংস কখনই অল্প সিদ্ধ খাওয়া উচিত নয়। এতে জীবাণুর সংক্রমণ হলে মারাত্মক এন্টারাইটিস হতে পারে, যা পেটের মারাত্মক সংক্রমক রোগ। অনেক সময় দেখা যায়, মাংস সুস্বাদু করার জন্য মাংসের গায়ে লেগে থাকা চর্বি অনেকে ফেলে না। ভাবেন, চর্বি ফেলে দিলে মাংসের স্বাদ নষ্ট হয়ে যাবে। এটা ঠিক নয়।

এ সময় প্রচুর মাংস খাওয়া হয় এবং বিশ্রামে থাকা হয়। এ কারণে অনেকে মুটিয়ে যেতে পারেন। তারা হালকা ব্যায়াম করবেন। ব্যায়াম করার জন্য রাস্তায় যাওয়ার দরকার নেই। যখন মোবাইল ফোনে কথা বলবেন, হেঁটে হেঁটে বলবেন। টিভিতে খবর বা কোনো অনুষ্ঠান দেখতে বসছেন, পুরো সময় থেকে ৩০ মিনিট দাঁড়িয়ে টিভি দেখুন এবং দেখার সময় একবার ডান পা, আরেকবার বাঁ পা ওপর-নিচ ওপর-নিচ, লেফট-রাইট লেফট-রাইট করুন। হাঁটুন। হাঁটার সময় আরও ১৫ মিনিট বাড়িয়ে দিন এ সময়। আর প্রচুর সবজি খান। প্রচুর পানি পান করুন। শসা, টমেটো, গাজর এবং টকদই মিলিয়ে সালাদ তৈরি করে খান। তাতে আপনার পাকস্থলী সুস্থ থাকবে, কোষ্ঠকাঠিন্য থাকবে না।

এ জাতীয় আরও খবর

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছেলেটাই ভোগালেন বাংলাদেশকে

শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর

এই নারী আমার স্ত্রী নন : গোলাম মাওলা রনি

এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ

যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় গোলাগুলি, সেনা সদস্য আহত : আইএসপিআর

নাহিদ ইসলামের ডাকে এখন ১০০ জনও জড়ো হবেন না: রাশেদ খাঁন

নিউইয়র্কে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ প্রাণহানি

ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের

তিনি শুধু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন-সর্বমন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী: নাহিদ ইসলাম

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নবীনগরে সার্বজনীন বহুমুখী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ফ্রি অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ