নিজের রেস্টুরেন্ট জ্বললেও বিক্ষোভকারীদের সমর্থন আমেরিকান-বাংলাদেশির

news-image

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রে মিনেপোলিসে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের হত্যার ঘটনায় বিক্ষোভে এক বাংলাদেশি পরিবারের ভূমিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের সমর্থন দিয়ে তারা উঠে এসেছেন দেশটির শীর্ষ সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের শিরোনামেও।

গত সোমবার জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করে জর্জ ফ্লয়েড নামে কৃষ্ণাঙ্গ এক যুবককে সিনেমাটিক কায়দায় হাঁটু চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার শ্বেতাঙ্গ এক পুলিশ অফিসার।

এ ঘটনার বিরুদ্ধে তুমুল বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে মিনেপোলিসে। হোয়াইট হাউসের সামনেসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ হয়েছে।

এর মধ্যে অগ্নিগর্ভ রূপ নিয়েছে মিনেপোলিস। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, টিয়ার সেল, অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। ওই বাংলাদেশি পরিবার পুলিশের রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস থেকে বাঁচাতে বিক্ষোভকারীদের আশ্রয় দিয়েছেন নিজের রেস্টুরেন্টে। এতে আগুনে পুড়েছে দোকানটিও।

গান্ধী মহল এলাকায় বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী রুহেল ইসলাম বিক্ষোভের সমর্থনে ফেসবুকেও পোস্ট দেন। সেটি এখন ভাইরাল। পোস্টটিতে তিনি বলেন, আমার রেস্টুরেন্ট জ্বলে যাক, এরপরেও ন্যায়বিচার আদায় জরুরী।

নিজের ভবন আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বিক্ষোভে তার এমন সমর্থন বেশ সাড়া ফেলেছে স্থানীয় মহলে। এর মধ্যে তার পোস্ট শেয়ার হয়েছে ২০ হাজারেরও বেশি।

ওই পোস্টে রুহেল ইসলামের ১৮ বছর বয়সী মেয়ে হাফসা ইসলামের বক্তব্য, আমরা যদিও আশা ছাড়ব না, আমি আমাদের প্রতিবেশীদের প্রতি কৃতজ্ঞ যারা গান্ধী মহলকে রক্ষা করেছেন। আপনাদের এই ভূমিকা কোনোভাবেই মুছে যাবে না।

তিনি আরও বলেন, আপনারা আমাদের জন্য চিন্তা করবেন না, আমাদের ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও আমরা সেটি নতুন করে নির্মাণ করব, নতুন করে ঠিকঠাক করব।

হাফসা ইসলাম জানান, বিক্ষোভে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের রেস্টুরেন্ট। আগুনে এক পর্যায়ে তার বাবা রুহেল ইসলাম দোকান থেকে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হন।

এই তরুণী বলেন, দোকান পুড়ে যাওয়ায় প্রথমে আমি ক্ষুব্ধ হয়েছিলাম। কারণ এটিই আমাদের পরিবারের আয়ের একমাত্র অবলম্বন ছিল। কিন্তু পরে ভাবলাম, আমরা সব সময় আমাদের কমিউনিটির সঙ্গে আছি। যদি আমাদেরও তার (জর্জ ফ্লয়েড) মতো অবস্থা হয় তখন কী হবে।

রুহেল ইসলাম বলেন, আমি ভেতরে এটিই কাজ করেছে, আমি তো ইট দিয়ে আমার ভবন সারিয়ে তুলতে পারব কিন্তু একটা প্রাণ তো ফিরিয়ে আনতে পারব না। আমরা একজনকে হারিয়েছি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম টুডেকে রুহেল ইসলাম জানান, ১৯৯৬ সালে ১৯ বছর বয়সে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন তিনি। শুরুতে নিউইয়র্ক সিটিতে এক রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন তিনি।

এ জাতীয় আরও খবর

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছেলেটাই ভোগালেন বাংলাদেশকে

শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর

এই নারী আমার স্ত্রী নন : গোলাম মাওলা রনি

এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ

যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় গোলাগুলি, সেনা সদস্য আহত : আইএসপিআর

নাহিদ ইসলামের ডাকে এখন ১০০ জনও জড়ো হবেন না: রাশেদ খাঁন

নিউইয়র্কে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ প্রাণহানি

ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের

তিনি শুধু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন-সর্বমন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী: নাহিদ ইসলাম

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নবীনগরে সার্বজনীন বহুমুখী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ফ্রি অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ